প্রায় দেখি লোকজন দাঁত দিয়ে মনের সুখে নখ কাটে...... আমি মোটামুটি বড়সড় একটা লেকচার দিয়ে তাদের ক্ষান্ত করার চেস্টা করি। অথচ সেই অামিই কিনা এমন এক কুকাজ করলাম যা কোন বেকুবের লিস্টে নাই........
সেলফোনে অনেক অনেক দিন পর প্রবাসী বান্ধবীর সাথে দীর্ঘক্ষন কথা বলতে বলতে আনমনে হঠাৎ ডান হাতের বুড়ো আঙ্গুলের পাশের নখের কোনা দাঁত দিয়ে কাটলাম..... প্রথমদিন কিছু বুঝলাম না.. তারপর দিন একটু একটু ব্যাথা... গা করলাম না। ৩য় দিন বেশ ব্যাথা... তা ও পাত্তা দিলাম না। ৪র্থ দিন যখন আঙ্গুল ফুলে ঢোল তখন টনক নড়লো ও ঘরের রেডি ডাক্তারদের ফোন করলাম। যাহোক এক দফা বকা ঝকা দেয়ার পর পেইন কিলার ও এ্যান্টিবায়োটিক খেতে বললো।
তারপরও ভাবলাম...... ঘরের রেডি ডাক্তাররা বেশী বুঝে.... সামান্য এর জন্য কি আর এমন হবে
যাহোক সাবধান বাণী......... বন্ধুরা দাঁত দিয়ে নখ কাটা থেকে বিরত থাকেন..... সামান্য এ কুঅভ্যাস আপনাকে খুবই বাজে অবস্থায় ফেলে দিতে পারে......
দু:খিত সম্পূর্ন বাজে ও ব্যাক্তিগত পোস্টটি দেবার জন্য... আসলে একটু সাবধান করার জন্য এটি দিয়েছি...... আর আচ্ছা একটা গল্প মনে পড়ে গেল আমার বাবার বলা..... আমার সাথে মিল পেলে ও পেতে পারেন....
একবার এক ইলেকশানে বাবা ছিলেন দায়িত্বে। এক বৃদ্ধা আসলো জীবনের প্রথম ভোট দিতে কিন্তু সিস্টেম জানে না। তাকে অনেক কাঠ খড় পুড়িয়ে শিখিয়ে পাঠানো হলো বুথে.... তো অনেকক্ষন হয়ে গেল বৃদ্ধা কিন্তু আর বের হয়ে আসেন না। অনেক আগের কথা তখন মহিলা কর্মী ছিল না আর পুরুষরা ও মহিলা বুথে ঢুকতে চাইছিল না। যাহোক আধা ঘন্টা কাটার পর একজন কর্মী ঢুকে দেখলো বৃদ্ধা মোটামুটি আয়েশ করে বসে আছে সেখানে.... কি ব্যাপার জানতে চাইতেই বৃদ্ধা বললো, এই যে তোমরা আমারে ভুট দিবার শিখাইছ..... আমার থেইকা বেশীতো কেউই জানে না ....আমার একটা দায়িত্ব আছে না তাই তাগোরে শিখাইবার.... তাই বইসা আছি সক্কলেরে শিখানোর লাইগা..........
শেষে একটা ছবি ফাও লিখাটি পড়ার জন্য........ সমেস্বরী নদী, বিরিসিরি।

ছবিটা যেন কোনক্রমেই দোস্ত ব্লগার বোকা ভাই (বোকা মানুষ বলতে চায়) না দেখে.... তাহলে সে নিশ্চয় হাসতে হাসতে শেষ হবে কি আজে বাজে ছবি দিয়েছি..........
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ৯:৪৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



