প্রত্যেক দেশেরই ভাল মন্দ থাকে।
আমেরিকার বিশ্ব মাতব্বরি নিয়ে বাকি বিশ্বে সচেতন মানুষ মাত্রই সূখি নয়। কিন্তু তাই বলে একজন মন্ত্রীর মূখে এতটা অসভ্য কূটনৈতিক শিষ্টাচার বহির্ভুত বাক্য কতটা শালীন????
মজিনা কাজের মেয়ে মর্জিনানিশা ‘দুই আনার’ মন্ত্রী - সৈয়দ আশরাফুল
জ্বি! আমাদের অনির্বাচিত ৫ জানুয়ারীর প্রহসনের নির্বাচনে ১৫৪ সিটে বিনা ভোটে পাস করিয়ে আনা সরকারের এক মন্ত্রীর দম্ভোক্তি!!! নিয়েই কথা।
পররাষ্ট্র নীতির কথা শিষ্টাচারের কথা বাদ। একজন স্বাভাবিক সুস্থ মানুষের পক্ষেও কি এমন কথা বলা সম্ভব!! অথচ এমন একজন যিনি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব (বৈধ বা অবৈধ যেভােই হোক) করেন- তার মূখে কিভাবে মানায়?
একবারও ভাবলেন না সারা বিশ্বে প্রবাসী বাংলাদেশীদের উপর এর কতটা নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে?
একবারও ভাবলেন না- গত ৭ বছরে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারের দরজা তাদের গালভরা চাপা আর দম্ভ দিয়ে খুলতে পারে নি!!!
একবারও ভাবলেন না- এর প্রতিক্রিয়া কি হতে পারে।???
চামড়ার মূখ যা মনে আসে তাই বলার নাম সাহস নয়। পাগলামী ভ্যাক্তি কেন্দ্রিক হলে কারও সমস্যা নেই। কিন্তু রাষ্ট্রীয় সম্পর্ককে ঝুকিতে ফেলে এ কোন ধরনের আত্মহত্যা!!!!
"বাংলাদেশে সফররত যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী নিশা দেশাই বিসওয়ালকে ‘দুই আনার মন্ত্রী’ বললেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। শনিবার দুপুরে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে মহানগর আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বাড়িতে একটি কাজের মেয়ে আছে তার নাম মর্জিনা। রাত্রে বাসায় গেলে সে বলে মামা টিভিতে বারবার আমার নাম বলে কেন? তখন ওকে আমি বলি- ও হলো মার্কিন রাষ্ট্রদূত মর্জিনা। ও চাইছে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে নামাতে। একথা শুনে কাজের মেয়েটি তার নাম পরিবর্তন করেছে। সৈয়দ আশরাফ বলেন, এমন কোন শক্তি নেই যে এক সেকেন্ড আগেও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে নামাতে পারবে। "
এই দম্ভ এই ঔদ্ধত্যের পরিনাম কি সময়েই বলে দেবে।
তবে পরিস্কার হয়ে গেছে তাদের চরিত্র। মানব জমিনের পাঠক প্রতিক্রিয়ায় বেশ কিছু প্রতিক্রিয়া ...
### রামেন
রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৪ ০৬:০৬
এদের উন্মাদিও কথা বার্তাই আমরা যারা প্রবাসী তারাই সব চাইতে সমস্যাই পড়ি । যে দেশের মানুষদের অন্য দেশে কাজ করে খেতে হয় , শিক্ষা চিকিৎসার জন্য দৌড়ান লাগে তাদের মুখে এ সব মানাই না ।
দেশের উন্নতির খেয়াল নাই বড় বড় বুলি ।
### নাজমুল
রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৪ ০৪:৩৪
উনাদের ষোল আনা হলেন ভারতের রাষ্ট্রদূত। মজার ব্যাপার হলো ভারত ও এইভাবে আমেরিকার সাথে কথা বলতে সাহস করেনা।
#### ইকবাল
রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৪ ০২:৫০
আওয়ামীলীগ করলে মানুষ কি উন্মাদ হয়ে যাই না উন্মাদেরা আওামিলিগ করে বুঝি না
#### biplob
রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৪ ০২:১২
আশরাফ সাহেব ইতি পুবে" বেলেছেন সীমান্তে বিএসএফ গুলি করে মারছে ভবিষ্যতেও মারবে এ নিয়ে সরকারের কোন মাথা ব্যাথা নাই, ঐ উসকানির ফলে পরতিনিয়ত সীমান্তে কেউ না কেউ ভারতীয়দের গুলির শিকার হচছে, কোন কুটনিতি ই কজে আসছেনা, আবার এখন বিসশের সবা"ধিক শক্তিধর দেশ আমেরিকার মনএীকে নিয়ে তাচছীল্যকর মন্তব্যের জেরে আমেরিকার সাথে শএুতা পয়দা হতে পারে , ফলে ওনারতো কিছু হবেনা বিভিনন দিক দিয়ে খতির সমমুখিন হবে দেশ এবং জাতি, দেশের খতি যারা ডেকে আনে তারা জাতির শএু ,বনধু নয়। এই এই সব বিবেক হীন ব্যক্তিদের কারনে বাংলাদেশ আজ বহি"বিশসের কাছে মুল্যহীন।
### মিজানুর রহমান
রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৪ ১১:৫৫
নিশা দেশাই ও ড্যান ডব্লিউ মজিনা সম্পর্কে সৈয়দ আশরাফ যে মন্তব্য করল তাতে তার নিজের ওজন কতটুকু তা সে বুঝিয়ে দিল। কারন সে যদি মন্ত্রী থাকা অবস্থায়ও যুক্তরাষ্ট্র সফরে যায় আর যদি বলা তোমার মন্ত্রিত্ব রক্ষা করতে ** সে বেগম খালেদা জিয়া সম্পর্কে যে মন্তব্য দিয়েছে সেটা রাজনৈতিক ও আদর্শিক দেউলিয়াত্বের বহিপ্রকাশ। সৈয়দ আশরাফ তার পারিবারিক ঐতিহ্যকেও পিষে মেরে ফেলেছে।
একজন সাধারন মানুষের বোধেরও নীচে নেমে গেছে বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। নাকি রয়ের কোন চক্রান্তে আমেরিকার সাথে সম্পর্ক নষ্ট করিয়ে কেবলই ভারতমূখী করার নিল নকশা!!! কে জানে???
তবে কারণ যাই হোক কোন প্রকার শিষ্টাচারে, ভব্যতায় এই ধরনের অর্বাচীর বক্তব্যকে বৈধতা দেয়া যাবে না যায় না। আন্তঃরাষ্ট্রীয় সম্পর্কের ক্ষেত্রে আরও বেশী সচেতনা এবং দেশবাসীর দেশের ভবিষ্যতের দিকে লক্ষ্য রেখে কথা বলা উচিত। নইলে ক্ষতিগ্রস্ত হবে পুরো দেশ, পুরো জাতি।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৪ রাত ৯:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


