এদেশে সংসদ সদস্য হতে হলে কোন ব্যাক্তিকে বেশ কিছু যোগ্যতার প্রমাণ দিতে হয়। যেমনঃ
--অবশ্যই বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।
--সাধারণ বাংলাদেশীর দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকতে পারলেও দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকা ব্যক্তি সংসদ সদস্য হতে পারবেন না।
--সাংসদ হতে হলে কোন ব্যাক্তির বয়স অবশ্যই ২৫ হতে হবে।
--বিগত ৫ বছর সময়ে ২ বছরের অধিক জেল খাটা চলবে না…
এরকম আরও বেশ কিছু নিয়ম-নীতি মেনে, নানান প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে গিয়ে একজন ব্যাক্তি সংসদ সদস্য হবার যোগ্যতা অর্জন করেন।
আর "অধিকতর যোগ্য" সংসদ সদস্যরাই সাধারণত মন্ত্রী, উপমন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী হন।
এ তো গেল লিখিত নিয়ম কানুনের কথা। কিন্তু এদেশে মন্ত্রী হতে গেলে "অলিখিত আরেক যোগ্যতাও" লাগে। যেটা বিগত মেয়াদের নামজাদা মন্ত্রী মহোদয়-দের মাঝে আমরা দেখতে পেয়েছি।
তাই এবারের নবীন মন্ত্রীসভা দেখে কেমন যেন খালি খালি লাগছিলো। কী যেন নেই, নেই। লিখিত যোগ্যাতাগুলো সবই আছে, কেবল অলিখিত যোগ্যতাটিই যেন ছিলো না। দেশটার হলো কী?
কিন্তু সময় যতই গড়াচ্ছে আমার আশঙ্কা কেটে যাচ্ছে। যেমন, সেদিন এক মাননীয় মন্ত্রী বললেন, পেয়াজের বাজার সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে।
আরেক মাননীয়কে বলতে শুনলাম, সৌদি আরব থেকে ৫৩ নারীর মরদেহ ফিরেছে, যা খুবই কম..
আমার আশঙ্কা কেটে যাচ্ছে। দেশটা সঠিক পথেই আছে। পূর্বসূরিদের দেখানো সঠিক পথেই আছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:১৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



