আওয়ার্ড লোভী মনোভাব-কমার্শিয়াল সিনেমার দুরবস্থা
১৯ শে জুন, ২০১৩ রাত ১:২৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
বাংলা মুভি মাঝে মাঝে দেখা পড়ে।সৌভাগ্য দুর্ভাগ্য কোনটাই না, ইচ্ছা করেই দেখি।ইংলিশ হিন্দী সিনেমার তুলনায় অবস্থা খুবই খারাপ বাংলা সিনেমার।ভালো নায়ক-নায়িকার অভাব সবসময়ই আছে।অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অভিনয় করতেই পারেনা ঠিক মতো।আর পরিচালকের দক্ষতাও উপভোগ করার মত।কারিগরি দক্ষতা মোটামুটি মানেরও বলা যায় বা।তবে কিছু সিনেমা অবশ্যই ভালো হয়।বিশেষ করে আর্ট ফিল্ম গুলো।কারন তরুণ পরিচালকরা এগুলা ভালোই বানায়।তাদের প্রতিভা দেখায়।তাদের দক্ষতা, মুভি সেন্স অনেক ভালো।
কিন্তু কর্মারশিয়াল মুভির অবস্থা খুবই জঘন্য।প্রায়ই সময় শাকিব খান অথবা জলিল।নতুন কিছু নায়ক দেখা গেলেও অভিনয়ের অবস্থা সঙ্গীন।আর অভিনয় ভালো করলেও সিনেমাটাকে অখাদ্য করে তোলার জন্য পরিচালকের, স্ক্রিপ্ট রাইটারের সুপার দক্ষতাই!!! যঠেষ্ট।
তবে কমার্শিয়াল মুভির এই দুরবস্থার জন্য তরুন পরিচালকদের আওয়ার্ড লোভী মনোভাব অনেকাংশে দায়ী।তারা কমার্শিয়াল মুভি দেখে নাক শিটকায়, সমালোচনা করে।কিন্তু নিজেরা তাদের আওয়ার্ড লোভী মনোভাব থেকে বেরিয়ে কমার্শিয়াল মুভি করবে না।তাদের প্রতিভা কমার্শিয়াল মুভিতে কাজে লাগালে এই দুরবস্থা কখনো হতো না।তরুন পরিচালকদের উচিত আওয়ার্ড লোভী মনোভাব থেকে বেরিয়ে আসা।আর বাংলা সিনেমার উন্নয়নে কাজ করা।
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিশ্বকাপের এই মৌসুমে ফুটবল নিয়ে একটা দারুণ হার্ট লিফটিং মুভি দেখে ফেললাম - "Next Goal Wins"
গল্পটা আমেরিকান সামোয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে নিয়ে। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩১-০ গোলে হেরে...
...বাকিটুকু পড়ুনআইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের...
...বাকিটুকু পড়ুনলিখেছেন
রাজীব নুর, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯

বাঙালির উদরঘাটতি থাকলেও উৎসবে সদা মশগুল!
দ্যাশ নতুন কইরা স্বাধীন হইছে গো!
রঙবেরঙে পতাকায় বিলুপ্ত স্বজাতির মানচিত্র!
শুধু পতাকায় সীমাবদ্ধ নেই!
মনে হচ্ছে পাল্টে গেছে জাতীয়তা!
মধ্যরাতে ভেঙে যায় সুনিদ্রা কর্কশ...
...বাকিটুকু পড়ুন
জাপানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী হায়াতো ইকেদা ১৯৬০ সালের শেষভাগে তাঁর বিখ্যাত "ইনকাম ডাবলিং প্ল্যান" বা "আয় দ্বিগুণকরণ পরিকল্পনা" চালু করেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপ থেকে ফিনিক্স পাখির মতো জাপানের অর্থনৈতিক...
...বাকিটুকু পড়ুন