
১১
দেখতে দেখতে ইয়েসমীনের তিন বছর কেটে গেছে। এর মধ্যে দুটো উল্লেখযোগ্য ঘটনা ঘটেছে। প্রথমটি বিষয়াদি নিয়ে। এমদাদের বড় হয়েছে সৎমার সংসারে। তার বাবা চকবাজারে বিশাল ছাপাখানার মালিক। সুনাম ছিল এবং প্রচুর অর্থ বানায়। কিন্তু ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ব্যবসা ছাড়া তার মাথায় কিছু ছিল না।
এমদাদের মায়ের নাম নুরী আক্তার। যখন তার বয়স ৭, সেই মহিলা রাতের অন্ধকারে অন্ধকার ছাপাখানার এক কর্মচারীর হাত ধরে নিরুদ্দেশে যায়।
সমাজের সবাই বিস্মিত হয়েছিল। মেয়েটির স্বামী অনেক বড় লোক। তার কিসের অভাব? চরিত্রহীন না হলে সে কেন দরিদ্র কর্মচারীর সঙ্গে পালাবে? মেয়েটা পরিবারের মুখে কলঙ্ক লেপন করেছিল। সবাই ঘৃণায় ভুলে যেতে চেয়েছে পরিবারের সে কলঙ্কজনক ইতিহাস। অথচ এমদাদের বাবা নুরীকে ভুলতে পারেননি। অনেক জায়গায় প্রথম স্ত্রীকে খুঁজেছিলেন।
কেউ বলতো নুরী সিলেটে, কেউ বলতো কলকাতায় চলে গেছে। অবশেষ মারা যাবার আগে খোঁজ পান পুরনো ঢাকায় শাখারীবাজারে নুরী আক্তার নামে এক মহিলা থাকে। স্বামী পক্ষাঘাতে ঘরে শুয়ে আছে বছর সাতেক ধরে।
এমদাদের বাবা আগ্রহ নিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন সেই বাড়িতে । গলিটাতে গাড়ি দুরের কথা রিকশাই ঢোকে না। একটা ভাঙা শ্যাওলা ধরা লাল ইটের বাড়ি। ময়লা ড্রেন পার হয়ে সিঁড়ি ভেঙে কড়া নাড়তেই তার স্ত্রী বের হয়ে এসেছিল। বয়স বেড়েছে। সেই রূপ নেই, সেই আবেগগুলো নেই। শুধু হাতের চুড়িগুলো একই রকম। চিনতে পেরে অবাক হয়েছিলো। তারপর ছল ছল চোখে চেয়ে বলেছিল, আপনে? ভিতরে আসেন । বসতে বলেনি, বললে মেঝেতে বসতে হতো। এক ঘরেই ছড়ানো হাড়িকুড়ি, পানি খাওয়ার গ্লাস। ভন ভন মাছি উড়ছে। একটা বেড়াল মিউ মিউ শব্দ করে ঘুরছে থালার চারপাশে। চিটচিটে কাঁথায় শুইয়ে রাখা অসুস্থ স্বামী ঘোলা চোখে তাকিয়ে যেন কিছু বুঝতে চাইছিল।
নুরী আক্তার আগের মতোই জেদী। সে ভাব করছিল সে সুখেই আছে। চলে আসার আগে, এমদাদের বাবা ৫০০ টাকার কয়েকটা নোট দিতে চাইলে সে শক্ত মুখে বলেছিল, আমারে মাফ করেন। আমি এইটা নিতে পারুম না।
ইয়েসমীন ঘটনাগুলো শুনেছিল শ্বশুরবাড়ীর এক আত্মীয়ের মুখে। অশিক্ষিত নুরী আক্তার আর তার জীবনের কোথাও যেন একটা মিল পেয়ে যায়। যখন স্বামী তার স্ত্রীকে ফেলে ব্যস্ত থাকে অন্যত্র, অবহেলায়, উপেক্ষায়, অবজ্ঞায় জর্জরিত করে তাকে। বুকের ভেতরের সামান্য আশাগুলো বুঝতে চায়না, তাকিয়ে দেখে না একটিবার, তখন স্ত্রী যদি সুখের জন্য তার প্রেমিকের বুকে মাথা গুঁজে দেয় কী এমন পাপ?
ইয়েসমীনের মনে হয়, নুরী আক্তারের সমাজকে অস্বীকার করার সাহস ছিল। সে শিক্ষিত হলেও ভেঙে ফেলার কোন শক্তি নেই।
এমদাদের সৎমা স্বামীর মুখে পুরনো স্ত্রীর কথা আগ্রহটা সহ্য করতে পারেনি। এমদাদের বাবা মৃত্যুর আগে জমির কিছু ভাগ নুরীকে দিতে চেয়েছিল। সেই দিতে চাওয়ার সাক্ষী এমদাদাও কিন্তু এটাকে কেউ মানতে চায়না। লিখিত কিছু না থাকলে কে জমি ছাড়তে চায়। এই জমিজমার কোন্দলটা মাস ধরে তিক্ত পরিস্থিতি তৈরী করেছিল।
দ্বিতীয় ঘটনাটা ঘটায় শাহেদ। বিয়ের পর যত সময় গেছে সে ক্রমাগত ফোন করে ইয়েসমীনের বিরক্তি তৈরী করেছিল। এমদাদ নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থেকেছে। এই সুযোগে সে ফোন করে দেখা করার কথা বলে। পরকীয়া প্রেম ইয়েসমীন করবে না। কারণ সে সতী নারী হিসেবে বেঁচে থাকতে চায়।
কখনো অবশ্য মনে হয়েছে শাহেদের সঙ্গে তার সম্পর্ক ঘনিষ্ট হলে কে দেখবে। প্রেম তো প্রেমই। তার দেহেরও চাহিদাগুলো মেটায় না তার স্বামী। জীবন দু'দিনের । প্রেমকে সংস্কারে দুরে ঠেলে দিয়ে অভুক্ত বেঁচে থেকে কী লাভ? আর কত সংসারই তো এসব লুকিয়ে রেখে সুখী থাকে। অন্যদিকে তার দ্বিতীয় মন বলতো, ছি ইয়েসমীন! তুমি বিবাহিত। সতীত্ব গেলে মেয়েদের থাকে টা কী?
এর মধ্যেই হঠাত্ খবর আসে ইয়েসমীনের মা হেপাটাইটিস বিতে আক্রান্ত । সে বাবার বাড়িতে ছুটে আসে। বাড়িতে পুরুষ মানুষ কেউ নেই। শাহেদও ইয়েসমীনের মায়ের দেখাশোনার অজুহাতে সেই বাড়িতে যাওয়া শুরু করে।
ইয়েসমীন বুঝতে পারে, শাহেদর আগমনের কারণ সে নিজে, তার মা নয়। বাবার বাড়িতে এক সপ্তাহ থেকে যখন সে স্বামীর বাড়ি ফিরে আসছে, শাহেদের পিছন থেকে তাকে ডাকে। যেন তাকে এগিয়ে দিতে এসেছে। সিঁড়িতে নামার পথটায় বাতি ফিউজ। কেউ নেই। শাহেদ নেমে খুব কাছে এসে বলে
-ওয়েট, আই হ্যাভ সামথিং টু টেল ইউ
-কি?
-আই আম নট হ্যাপি উইথ রিনা। শী ইজ নট ইদার
-হমম
-আমরা কি এক হতে পারিনা আবার, কোন ভাবে?
-না, পারিনা। নদীর পানি অনেক দুর চলে গেছে। চাইলেই সব ঠিক হয় না।
-মানুষ চাইলে সব হয়, সব, আই লাভ ইউ সো মাচ, ইসমি। বলে শাহেদ যে কাজটা করে তা সে ভাবেনি। সে তার হাত চেপে ধরে। তারপর ঝটকায় বুকের ভেতর টেনে নেয়। সর্ব শক্তি দিয়ে তাকে আলিঙ্গনে ধরে রাখে, শক্ত করে চুমু খায়, অস্থির হয়ে সারা শরীরে আদর দিতে থাকে।
-স্টপ ইট ..ছাড়ো। বলে ইয়েসমীন এক ঝটকায় ছাড়িয়ে প্রায় দৌড়ে নেমে আসে বাইরে।
শাহেদের এই বাহুল্যের জন্য প্রচণ্ড ঘৃণা হয় তার। সেদিনের চুম্বনে সে যেন কোন প্রেম পায়নি শুধু ক্ষুধার্ত পুরুষ পেয়েছে। এরপর থেকে শাহেদের ফোন ধরতে তার ঘৃণা হতো। আর বাড়িতে ক্রমাগত ফোন আসতো। এমনকি যখন এমদাদ বাড়িতে থাকতো তখনও। একদিন আশ্চর্য হয়ে ইয়েসমীন দেখলো, বাড়ির সামনে ইলেকট্রিক পোস্টের উল্টো পিঠে শাহেদ দাঁড়িয়ে। তার স্বামী নতুন কেনা গাড়িটা নিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। সে খুব মনযোগ দিয়ে দেখছে তাকে।
১২
তার স্বামী কখনোই শাহেদের বিষয় জানার কথা না। কিন্তু ক্রমাগত ফোন দেখে একদিন খুব বিরক্ত হয়। বলে, কে যে এতবার ফোন করে? ১২টায় ফোন আসে, রাত ২ টার সময় ফোন আসে। ধরলে কেটে দেয়। থানায় জিডি করে দিয়েছি। ফোনের নম্বরটা ট্র্যাক করা হবে। ফোন নিয়ে সে খুব উদ্বিগ্ন ছিলো এমদাদ। সন্ত্রাসীরা ফোনে শাসাচ্ছে অনেককে।
ইয়েসমীনও খবরের কাগজে ব্যবসায়ীদের নিয়ে খবর পড়ে উদ্বিগ্ন হয়। এমদাদ হাসে। তাকে একটা জিনিস বের করে দেখায়। একটা চকচকে রিভলবার। বলে, দেখেছো, এটা সঙ্গে থাকলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই। ইয়েসমীন ভয় পেয়েছিল। রিভলবার দেখানো কি অন্য কোন কারণ ছিল? তার স্বামী কি তাকে সন্দেহ করছে? পুরুষদের চোখ ভেতর নাকি একটা সন্দেহের বীজ সবসময়ই গোপন থাকে। এমদাদ যদিও তেমন খুঁত খুঁতে না কিন্তু সেও তো রক্তমাংসের মানুষ।
১৩
ঘটনার ৬ মাস পরে ঢাকার সমস্ত পত্রিকাতে একটা খবর ছাপা হয়
পরকীয়ার বলী: দরজাবন্ধ ঘরে ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার
(নিজস্ব সংবাদদাতা পরিবেশিত): গতকাল সন্ধায় ৬ টার দিকে গোপনসূত্রে খবর পেয়ে ময়মনসিংহের বিজয়পুর থানার সুবহানতলা বাসভবন থেকে ইম্পেরিয়াল ক্লিঙ্কার গ্রাইন্ডিং এন্ড সিমেন্টের ডিরেক্টর এমদাদুল ইসলামের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে। তাকে কে বা কারা খাদ্যে বিষ প্রয়োগে হত্যা করে বলে জানা গেছে। এমদাদুল ইসলাম ব্যবসায়িক প্রয়োজনে ঢাকার বাইরে অবস্থানকালে ময়মনসিংহের এই বাড়িতে থাকতেন। ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে পুলিশ গৃহপরিচারিকা কুলসুম আক্তার(৫৫)কে গ্রেফতার করেছে।
বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে তার স্ত্রী মিসেস ইয়েসমীন ইসলামে(২৭)র সাথে প্রাক্তন প্রেমিক শাহেদ চৌধুরী(২৯)র গোপন সম্পর্ক ছিল। পুলিশ শাহেদের বাড়ি থেকে আলামত জব্দ করেছে এবং ঘটনার আগের রাতে শাহেদের ফোন করার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে।
এমদাদুল ইসলামের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলে নেয়া হয়েছে। পুলিশ মৃত এমদাদুল ইসলামের বাড়িতে নজরদারী করছে। সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি।
ইয়েসমীনকে যতটা শক্ত ভাবা হয়েছিল সে তত শক্ত নয়। গতকাল রাতে খবরটা শোনার পরই সে মেঝেতে অজ্ঞান হয়ে পড়ে যায়। রাতে বমি করেছে, জ্বর এসেছে, প্রলাপ বকেছে। ফ্যামিলি ডক্টর এসেছিল। লো ডোজ মরফিন দিয়ে ঘুম পাড়াতে হয়েছে। পরদিন চোখ মেলে দেখতে পায় থানা থেকে ওসি এসেছে তার সঙ্গে কথা বলার জন্য।
-আপনার স্বামী যে মারা গেছে তা তো জানেন। আপনি কি তার কোন শত্রুর কথা জানতেন?
-না
-আপনার সঙ্গে তার সম্পর্ক কেমন ছিল? ইয়েসমীনের তখনো মাথায় কিছু কাজ করছেনা। সে যন্ত্রের মতো উত্তর দেয়
-ভাল
-আপনি কি শাহেদ কে চেনেন?
-হ্যা, সে আমার সহপাঠী
-তার সঙ্গে আপনার কবে শেষ দেখা হয়েছে
-৬ মাস আসে
-মিসেস ইসলাম, আপনাকে ব্যক্তিগত প্রশ্ন করি। শাহেদ কী আপনাকে ভালবাসে?
-জানিনা
-সে কি কখনো আপনার স্বামীকে খুন করতে চেয়েছে?
-আমার সঙ্গে তার কথা হয়নি
-কিন্তু পুলিশের তথ্য গত কয়দিন ধরে তার অনেকগুলো ফোন করার তথ্য আছে।
-আমি জানিনা। প্লিজ আমাকে একা থাকতে দিন। আই এম ফিলিং ব্যাড।
১৪
ইয়েসমীন মনে হয় অনেক বছর ঘুমিয়েছে। খিদে পেয়ে সকাল না বিকেল বুঝতে পারে না। চেয়ে দেখে তার এক মামা এসেছে। তাকে চোখ মেলে চাইতেই মামা বলে
-উঠেছিস তাহলে।
ইয়েসমীনের সুগার ড্রপ করেছিল। প্রেশার ছিল অনেক। ডাক্তার স্যালাইন দিয়ে রেখেছে। বলেছে নার্ভে খুব স্টেস পেলে এমন হয়।
-জ্বী, মামা, আপনি? কখন আসলেন।
-মা রে কী যে বিপদে পড়লাম। তোর হাসব্যান্ডকে কে না কে মেরেছে, সাংবাদিকেরা তোর বিয়ের ছবি ছাপিয়ে রগরগে নিউজ করেছে।
-এখন যা হয়েছে মা, তোকে তো বাঁচতে হবে।
-(ইয়েসমীন জলভরা চোখে ঘাড় ঘুরিয়ে মামাকে দেখে, কোন কথা বলেনা)।
-চিন্তা করিস না মা। এখানে সব পয়সার জন্য। এমদাদের পরিবারও কম বিব্রত না। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্য কি জানিস? টাকা। ৫, ১০ হাজার করে দেয়ার পর এখন খবরটা ঘুরিয়ে ছাপছে। সিমেন্ট কোম্পানীর বদনাম ঢাকতে পুরো পাতা বিজ্ঞাপন ছাপিয়েছে।
-পুলিশ কি বলে?
-ওদের আর বলা কি। তোর মা, শাহেদদের বাড়ির সবার জেরা হচ্ছে। ওদের জন্য পয়সা ঢালতে হচ্ছে সবচেয়ে বেশী। ঘটনা ঘটেছে ময়মনসিংহে, সেখানেই কিছু ঘটেছে বলে ওদের ধারণা করছে।
-আমার কী হবে মামা? আমি আর বাঁচতে চাইনা।
-না রে মা, এগুলো বলিস না। তুই ঠিক হ।
কখনো সামান্য স্নেহ কষ্ট অনেক নিরাময় করে। মামা কাছে এসে মাথায় হাত দিতেই- উপুর হয়ে হুহু করে কান্নায় ভেঙে পড়ে ইয়েসমীন।
তার ক'দিন পর। ইয়েসমীন আরেকটি খবর জানতে পায়। মৃত্যুর আগে এমদাদ সমস্ত জমিজমা নুরী' আক্তারের নামে লিখে দিয়ে গেছে। তার জন্য কিছু নেই। কেন সে এই কাজটা করেছে তা জানার আর কোন উপায় থাকলো না। এমদাদের সৎমা মারাত্মক ধূর্ত। সম্পত্তির ভাগবাটোয়ায় ইয়েসমীনের উপস্থিতি তার অপছন্দ। ইয়েসমীনকে এসে বললো বাড়ির কিছু অংশ ভেঙে নির্মানের জন্য এক বিল্ডারকে দেয়া হচ্ছে। ইয়েসমীন যেন তার বাবার বাড়িতে কিছুদিন থাকে। সেই মহিলা জানতো একবার বাড়িতে ফিরে গেলে ঢোকার আর কোন উপায়ই থাকবে না।
ইয়েসমীন এসব প্যাচ কম বোঝে। সে চলে আসে বাবার বাড়িতে। যদিও মেয়েদের জীবন একমূখী, একবার বাবার সংসার থেকে বেরিয়ে গেলে সংসার আর তাকে আপন করে না।
ইয়েসমীন নিজের পায়ে দাঁড়ানোর জন্য চাকরী খুঁজেছিল। পত্রিকার মুখরোচক খবরগুলো মানুষের মন থেকে মুছতে সময় নেয়। ইন্টারভিউ ফেলে তাকে জিজ্ঞেস করে, আপনিই কি সেই এমদাদ সাহেবের প্রাক্তন স্ত্রী যাকে নিয়ে পত্রিকায় লেখালেখি হয়েছিল?
১৫
ইয়েসমীনের অফিস শেষ হয়েছে। অন্যমনস্ক হয়ে পুরনো কথাগুলো সে এতক্ষণ ভাবছিল। আজকে যে পতিতার ইন্টারভিউ নিয়েছে তার রিপোর্ট লেখা হয়নি। কাগজপত্র জমে গেছে ডেস্কে। মেয়েটার জীবন তার মতই। স্বামী মারা যাবার পর অর্থাভাবে পড়ে। বিশ্বস্ত মানুষদের প্রতারণায় মানুষ থেকে পতিতা হয়ে যায়। কাহিনীগুলোর কোথায় কোথায় যেন একটা মিল থাকে। ঘটনাগুলো ঘুরে ফিরে আসে।
অবশ্য ইয়েসমীনের জীবনে একটা ঘটনা ছিল কাকতালীয় - যেটা না বললেই নয়।
(চলবে)
----
অন্য উত্তাপ - ১
অন্য উত্তাপ - ২
অন্য উত্তাপ -
অন্য উত্তাপ - ৪(শেষ)

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

