somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সা.) কোন দোষ ধরা যাবে না

০১ লা মে, ২০২৩ সকাল ১১:৪৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সা.) কোন দোষ ধরা যাবে না। কারণ এতে কোন সাওয়াব নেই। এতে উল্টা গুণাহ আছে। কারণ আল্লাহ তিনি ও তাঁর রাসূলের (সা.) দোষ না থাকার ঘোষণা প্রদান করেছেন।আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের (সা.) কিভাবে দোষ নেই? অনেকে অনেক ঘটনার উল্লেখ করে এমন প্রশ্ন করে থাকে। হাসরে আল্লাহ তাদের এমন সব প্রশ্নের জবাব দিবেন। সেজন্য তিনি হাসরে পঞ্চাশ হাজার বছরের একটা লম্বা সময় নির্ধারণ করেছেন।

অনেকে হাসর পর্যন্ত অপেক্ষা না করেই অনেক ঘটনায় আল্লাহ ও রাসূলকে (সা.) দোষারফ করে। এ নিয়ে তাদের সাথে তর্কে লিপ্ত হওয়া অনেক মুমিন দরকার মনে করে না। কারণ হাসরে তারা তাদের এ অন্যায় দোষারফের প্রতিদান পাবে।তবে রাসূলের (সা.) প্রতি দোষারফ দ্বারা রাসূলের (সা.) রাসূল না হওয়া প্রমাণ করে না। আর আল্লাহর প্রতি দোষারফ দ্বারাও আল্লাহর আল্লাহ না হওয়া প্রমাণ করে না। সুতরাং এ জাতীয় কাজ অহেতুক কাজ হিসাবে বিবেচিত।

কেউ কেউ আল্লাহ, রাসূল (সা.) কোরআন ইত্যাদি বিষয়ে অনেক বাজে কথা বলে এবং আল্লাহর অনুগতদের সাথে অনেক বাজে আচরণ করে আল্লাহর কোন প্রতিক্রিয়া না দেখে আল্লাহর না থাকার বিষয়ে মতামত ব্যক্ত করে। কিন্তু কারো সাথে বাজে আচরণে তার প্রতিক্রিয়া না থাকা তার না থাকা প্রমাণ করে না। কারণ হতে পারে সে মহাপ্রতিক্রিয়া দেখাতে অপেক্ষমাণ আছে।

রানু বলে যারা আল্লাহকে মানে না তারা ভালো আছে ও সুখে আছে। সেজন্য রানু বলে আল্লাহ মানুষের সৃষ্টি। আল্লাহ কাহার সৃষ্টি সেটা বলার জন্য আল্লাহ অপেক্ষমাণ আছেন। তিনি ঝগড়াটে মহিলার মত যখন তখন প্রতিক্রিয়া দেখানোর কেউ নন। তিনি বলেছেন, তিনি যা করার হাসরে করবেন। তখন তিনি তাঁর অবাধ্যদের টুটি চেপে ধরবেন এবং জাহান্নামে নিক্ষেপ করবেন। তাঁর অবাধ্যগণ জাহান্নামে গিয়ে বুঝবে তারা কতটা ভালো থাকে।

আল্লাহ বিষয়ক সব কিছুকে অনেকে বলে, সব ঝুট হ্যায়। সব ঝুট না সত্যি তা মরার পরেই টের পাওয়া যাবে। তখন অবাধ্য লোকদের কিছুই করার থাকবে না। তো কি আর করা মরা পর্যন্ত অপেক্ষা করতেই হচ্ছে। রানু সত্য হলে মুমিনের আফসুস করার কিছুই নেই। কারণ মাটির সাথে মিশে যাওয়া ব্যক্তি আফসুস করতে পারে না। আর রাসূল (সা.) সত্য হলে রানুর খবর আছে।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা মে, ২০২৩ সকাল ১১:৪৭
৭টি মন্তব্য ৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দুটি হাসিখুশি গল্প: ফাজিল কানাডিয়ান ও মহা সিরিয়াস কানাডিয়ান

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৩৩


হুমায়ূন আহমেদের একটা গল্প ছিল তাদের মাকে নিয়ে। তাদের মেঝ ভাই জাফর ইকবাল তখন আমেরিকার নিউ ইয়র্ক শহরে থাকেন। তাদের মা ছেলের কাছে বেড়াতে গিয়েছেন। বিকেলে তিনি একা একা... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রশ্নের আগুন যুক্তির মহাযাত্রা :প্রজ্ঞার জয়ধ্বনি বিজ্ঞান ও যুক্তির মহাকাব্য ২য় পর্ব ।

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৩:০৮


আদিতে ছিল প্রশ্ন
অন্ধকার আকাশের তলে দাঁড়িয়ে মানুষ
চেয়ে দেখেছিল নক্ষত্রের দিকে
মনে তার জেগেছিল বিস্ময়
কে জ্বালালো এই দীপ
কেন ঘোরে পৃথিবী, কেন নামে বৃষ্টি
কেন জন্ম, কেন মৃত্যু
কেন এই অনন্ত চলা?
উত্তর ছিল না হাতে
ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

হাফপ্যান্ট ফুলপ্যান্টের দেশে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ ভোর ৪:২৮


বাংলাদেশে যারা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখতে ভালোবাসেন, তারা সাধারণত খুব নিরীহ বিষয় পছন্দ করেন। এর একটা কারণও আছে। বেশিরভাগ মানুষই অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক এড়িয়ে চলতে চান। এমন কোনো বিষয় নিয়ে লেখা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আইনের ঊর্ধ্বে কেউ না - সরকারের পদক্ষেপ প্রশংসনীয়

লিখেছেন মাথা পাগলা, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:৪৫




মিরপুর-১ রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের অভিযোগের ঘটনায় ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে এমপি পদ থেকে পদত্যাগের নির্দেশ দেওয়া সরকারের একটি সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় পদক্ষেপ বলেই মনে করি। তবে পদত্যাগের নির্দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফেরারী বিকেল

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০১ লা অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:১৫

বাংলা বর্ষপঞ্জীর ষষ্ঠ মাস, আশ্বিনের শুরু থেকেই দিনের ‘বিকেল বেলা’ টা আমাদের দৈনন্দিন জীবন থেকে হারিয়ে যেতে শুরু করে। আষাঢ়ের শেষ সপ্তাহ থেকে আহ্নিক পরিবর্তনের ফলে প্রতিদিনের দৈর্ঘ্য একটু একটু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×