somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ঘরে আগুন, মন্দীরে হামলা, মাজার ভাঙ্গা, পিটিয়ে মানুষ মারা এমন মেধাবী এদেশে দরকার নাই

২০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সকাল ৭:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



২০০১ সালে দেলাম ঘরে আগুন দেওয়া ও মন্দীরে হামলার জঘণ্য কাজ। ২০২৪ আবার দেখলাম ঘরে আগুন, মন্দীরে হামলা, মাজার ভাঙ্গা, পিটিয়ে মানুষ মারার জঘণ্যতম ঘটনা।জাতি এদেরকে মেধাবী মনে করে না। এদেরকে চাকুরী দিয়ে জাতিকে ভাগাড়ে নিক্ষেপের দরকার নাই।১৯৭১ ও ২০২৪ এর হানাদার ও রাজাকারেরও দরকার নাই। এসব ময়লা যাদের গায়ে তাদেরকে বাদ দিয়ে কোন ক্লিন লোক পেলে ভোট দিন। ক্লিন না পেলে মন্দের ভালোকে ভোট দিবেন।

এমন একটা দেশ পেলাম যাতে ভালো লোক পাওয়া মসকিল। আল্লাহর নামে ১৯৭১ সালের হানাদারের পক্ষ নিয়েছিলো একদল বেকুব। তারা নাকি সেই সময়ের রাষ্ট্রের পক্ষ নিয়ে ছিলো। তো যে রাষ্ট্র তার জনগণের বুকে গুলি চালায় সেই রাষ্ট্রের পক্ষ নেওয়ার দরকার কি? সেই রাষ্ট্র তো ছিলো ক্রিমিনাল রাষ্ট্র। ২০২৪ আবার রাষ্ট্র জনগণের বুকে গুলি চালালো। এটাও ক্রিমিনাল রাষ্ট্র ছিলো। এখন যারা ঘরে আগুন, মন্দীরে হামলা, মাজার ভাঙ্গা, পিটিয়ে মানুষ মারা ইত্যাদি কাজে লিপ্ত রাষ্ট্র যদি তাদের যথাযথ বিচার না করে তবে এ রাষ্ট্রও ক্রিমিনাল রাষ্ট্র আখ্যা পাবে।ঠগ বাচত গাঁ উজাড়। এমন রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করলাম যেখানে কে ভালো লোক সেটা বলাই মুসকিল। যাক তারপর ভোট দেওয়র জন্য মন্দের ভালো খুঁজতে হবে।

হানাদার, রাজাকার, স্বৈরাচার ইত্যাদি দেখতে দেখতে ত্যাক্ত-বিরক্ত।এক ক্রিমিনাল আরেক ক্রিমিনালের সমালোচনা করে।এখন দেখছি একদল মাথা নষ্ট। ওরে কামড়ায়, তারে মারে- এসব কি? স্বাধীন মানে কি স্বাধীনভাবে অকাজ করা? কোথায় যেন দেখেছিলাম- এবার তোরা মানুষ হও।বিশ্ববিদ্যালয়ে অকাজ ঘটিলে সুকাজ কোথায় ঘটবে? এসব কি দেখছি আমরা? এদের কি কোন বোধ নাই?

এখন মামলার মৌসুম চলছে। লোকের কানে কানে গিয়ে বলবে, টাকা দাও নইলে মামলায় নাম দিয়া দিমু। তাও আবার হত্যা মামলা। টাকা দাও না হয় হত্যা মামলা ঘাড়ে নিয়ে দৌড়ের উপর থাক। এখন বুঝতেছি- এদেশ হানাদারের, এদেশ রাজাকারের, এদেশ স্বৈরাচারের, এ ক্রিমিনালের চারণভূমি নষ্টের দেশ আমাদের। এটা নাকি সোনার বাংলা! এটা তামা, কাঁসা, পিতল ও লোহা ইত্যাদির বাংলা বললেও পোষায় না। সইতে পারি না, এদেশের প্রেমের জ্বালা- আহ!এখানে কেউ যেন নিরাপদ নয়। পাগল মারে, পঙ্গু মারে। কি মেধা! কি মেধা! এদেরকে চাকুরী দিলে এরা কি সেবা করবে? ধুর! ভাল্লাগে না।
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৪ সকাল ১০:৩১
১৫টি মন্তব্য ১৫টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অপারেশন মরুঝড়: রেড নোটিশের খোঁজে আরিয়ান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:১৬



দুবাইয়ের জুমেইরাহ বিচের বিলাসবহুল পেন্টহাউসের কাঁচের জানালা দিয়ে বাইরের কৃত্রিম দ্বীপগুলোর দিকে তাকিয়ে ছিলেন সায়েম চৌধুরী। একসময় ঢাকার পুলিশ কমিশনার এবং পরবর্তীতে পুলিশের বিশেষ বাহিনীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বর্গময়

লিখেছেন আলমগীর সরকার লিটন, ১৫ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৫৩


ওরা জান্নাত দেখে না
পুড়তে পুড়েই তো ছাই-
কতখানি জান্নাত দেখো
ঘরের ভিতর আছি কি?
নাকি মাটিতে থাক ঘুম;
যতক্ষুণ আছো নিঃশ্বাস
ততক্ষুণ জান্নাত দেখো
পরিবারে কিংবা চারপাশ!
পরকাল কে দেখে শান্তিময়
এখানে রচনা করো স্বর্গময়;

১৫-৬-২৬ ...বাকিটুকু পড়ুন

জীবনের গল্প- ১০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০



১। একজন মা (কোহিনূর) সারারাত ঘরের দরজা খুলে বসে থাকেন।
কারণ কেউ একজন এসে তাকে বস্তা ভরতি টাকা দিয়ে যাবে। গতকাল রাতের কথা। আমার বাসায় ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×