
সূরাঃ ৬ আনআম, ১১৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৬। যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চল তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করবে। তারা তো শুধু অনুমানের অনুসরন করে: আর তারা শুধু অনুমান ভিত্তিক কথা বলে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৬। দীন গ্রহণের ব্যাপারে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয় হিদায়াত স্পষ্ট হয়েছে ভ্রষ্টতা থেকে। অতএব, যে ব্যক্তি তাগূতকে অস্বীকার করে এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে, অবশ্যই সে মজবুত রশি আঁকড়ে ধরে, যা ছিন্ন হবার নয়। আর আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ।
সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।
সূরাঃ ৯৬ আলাক, ১ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। পড় তোমার রবের নামে যিনি সৃষ্টি করেছেন
২।সৃষ্টি করেছেন মানুষকে আলাক হতে
৩। পড় তোমার রব মহামহিমাম্বিত
৪। যিনি কলমের সাহায্যে শিক্ষা দিয়েছেন।
* অধিকাংশ লোকের কথা আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করে বিধায় অধিকাংশ লোকের কথা গণতন্ত্রের মাধ্যমে শরিয়া আইন চালু করা শরিয়ত সম্মত নয়। ওহী অনুযায়ী কাজ করা রাসূল (সা.) লিখিত সনদের (মদীনা সনদ) মাধ্যমে শরিয়া আইন চালু করেছেন। শরিয়া আইন ইসলাম ধর্মীয় বিষয় এবং ইসলাম ধর্মীয় বিষয় অন্য ধর্মের লোকদের উপর জোর করে চাপানো যায় না বিধায়। মদীনা সনদে মদীনার ইহুদী ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের সম্মতি স্বাক্ষর গ্রহণ করেছেন। রাসূল (সা.) শরিয়া আইন চালু করেছেন রেসালাতের মাধ্যমে। এখন শরিয়া আইন চালু করতে হবে খেলাফতের মাধ্যমে। আর খেলাফতে রাষ্ট্রের বিশিষ্ট জনের বায়াত লাগে। হযরত আবু বকরের (রা.) খেলাফতে হযরত আলীর (রা.) বায়াত বাকী থাকায় হযরত ওমর (রা.) তাঁকেও হযরত আবু বকরের (রা.) হাতে বায়াত করিয়েছেন। শরিয়া আইন চালু করতে চরমোনাই পীরকে আগে বাংলাদেশের খলিফা হতে হবে। খলিফা হতে তাঁকে বাংলাদেশের বিশিষ্ট জনদের বায়াত গ্রহণ করতে হবে। বর্তমাণ পরিস্থিতিতে তিনি প্রথমে প্রধান উপদেষ্টা, রাষ্ট্রপতি ও সেনা প্রধানের বায়াত গ্রহণ করবেন। তারপর নিবন্ধিত সকল রাজনৈতিক দলের বায়াত গ্রহণ করবেন। হযরত আলীর (রা.) মত রাষ্ট্রের কোন পক্ষ তাঁর খেলাফতের বিরোধীতা করলে তিনি তাদেরকেও বুঝিয়ে-শুনয়ে তাদের বায়াত গ্রহণ করবেন। এভাবে খলিফা নিযুক্ত হয়ে বাংলাদেশ সনদ তৈরী করে তাতে বাংলাদেশের হিন্দু, বোদ্ধ ও খ্রিস্টানদের সম্মতি স্বাক্ষর নিবেন। সবকাজ শেষে তিনি দশে শরিয়া আেইন চালু করবেন। বায়াতের মাধ্যমে খলিফা না হয়ে গণতন্ত্রের হারাম পদ্ধতিতে চরমোনাই পীর কোন শরিয়া আইন চালু করার কথা বলছেন? শরিয়া আইন তো চরমোনাই তরিকায় চালু করলে হবে না। এটা করতে হবে শরিয়ত সস্মত পদ্ধতিতে। হারাম পদ্ধতিতে শরিয়া আইন চালুর কথা বলছে বিধায় চরমোনাই পীরের দলকে ভোট দেওয়া হারাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

