
সূরাঃ ২ বাকারা, ১৮৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৮৫। রমযান মাস যাতে বিশ্বমানবের জন্য হেদায়াত এবং সুপথের সুস্পষ্ট নিদর্শন ও পার্থক্যকারী কোরআন নাযিল হয়েছে। অতএব তোমাদের মাঝে যে ব্যক্তি সেই মাসে (নিজ আবাসে) হাজির থাকে সে যেন রোজা রাখে। আর যে ব্যক্তি অসুস্থ বা মুসাফির সে অপর কোন দিন গননা করবে। তোমাদের জন্য যা সহজ সাধ্য আল্লাহ তাই ইচ্ছা করেন। আর তোমাদের জন্য যা দুঃসাধ্য তিনি তা’ চান না। আর তোমরা যেন নির্ধারিত সংখ্যা পূরণ করতে পার এবং আল্লাহর শ্রেষ্ঠত্ব প্রকাশের জন্য তিনি তোমাদেরকে যে সুপথ দেখিয়েছেন সে কারণে। আর যেন তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর।
সূরাঃ ৪ নিসার ৭৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৫। তোমাদের কি হলো, তোমারা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করছো না? অথচ নারী-পুরুষের এবং শিশুদের মধ্যে যারা দূর্বল তারা বলে, হে আমাদের রব আমাদেরকে অত্যাচারী অধিবাসীদের এ নগর থেকে বের করে দিন। আর আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য ওলী (অভিভাবক) এবং আপনার কাছ থেকে আমাদের জন্য সাহায্যকারী পাঠান।
সূরাঃ ৫৪, কামার ১৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৭। কোরআন আমি সহজ করে দিয়েছি উপদেশ গ্রহণের জন্য; অতএব উপদেশ গ্রহণকারী কেউ আছে কি?
* অসুস্থ্য, মুছাফির, পিরিয়ডে থাকা নারী, অতিবৃদ্ধ ও শিশু যাদের জন্য রোজা বিধিবদ্ধ নয়, রমজানে খাবার বিক্রির দোকান বন্ধ রাখতে বলা তাদের জন্য জুলুম।অথচ অসুস্থ, মুসাফির, পিরিয়ডে থাকা নারী যখন রোজা রাখে তখন খাবার দোকান বন্ধ রাখতে বলা হয় না। উপদেশ গ্রহণের জন্য কোরআন সহজ।তথাপি মানুষের অজ্ঞতার সুযুগে কিছু লোক মানুষকে বিভ্রান্ত করছে। তারা রমজানের পবিত্রতার নামে রমজানকে অপবিত্র করছে। এ জুলুমের সাথে যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে জিহাদ করা মুসলিম জাতির জন্য ফরজ।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


