এ কে খন্দকারের ১৯৭১ ভেতরে বাইরে বইটির কিছু অংশ পেলাম। ২২ পৃষ্ঠা। বইটি ২২ পৃষ্ঠা তো হওয়ার কথা না। অনলাইনে অনেক খুঁজেও এর বেশি কিছু পেলাম না। ২২ পৃষ্ঠাই এক নিঃশ্বাসে পড়ে শেষ করলাম। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের মূল্যবান দলিল হয়ে থাকবে বইটি -সন্দেহ নেই। যতটুকু পড়েছি- আমার পূর্ব অধ্যয়নের আলোকে মনে হয়েছে, একাত্তরের প্রকৃত চিত্রই এ কে খন্দকার অকপটভাবে বর্ণনা করেছেন । তবে পাকিস্তান অটুট রাখার প্রচেষ্টার জন্য বঙ্গবন্ধুর প্রতি তাঁর ক্ষোভের সাথে আমি একমত হতে পারিনি। একাত্তরের ইতিহাস পড়তে গিয়ে সব সময় আমার মনে হয়েছে, একাত্তরের গোলযোগের মধ্যে বঙ্গবন্ধুই সবচে’ পরিশুদ্ধ ব্যক্তি -যিনি শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সততার সাথে শান্তিপূর্ণ সমাধান চেয়েছেন। সফল হননি প্রতিপক্ষের মোনাফেকির কারণে। ইয়াহিয়া মোনাফেকি করেছেন। ভুট্টো মোনাফেকি করেছেন। পশ্চিম পাকিস্তানের সেনা কর্মকর্তারা মোনাফেকি করেছেন। র-এর সাথে প্রত্যক্ষ যোগাযোগ রেখে মোনাফেকি করছিলেন আওয়ামী লীগের তাজউদ্দীনের মত অনেক নেতা ও ছাত্রলীগের চার রত্নসহ বিপ্লবী অংশ। কিন্তু বঙ্গবন্ধু শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত যুদ্ধ ও রক্তপাত এড়াতে চেয়েছেন। ২৫ মার্চের আগে স্বাধীনতার ঘোষণা না দেয়ার জন্য এ কে খন্দকার বঙ্গবন্ধুর সমালোচনা করেছেন। কিন্তু মনে রাখতে হবে, ২৫ মার্চের আগ পর্যন্ত আসলে বাংলাদেশের সাধারণ জনগণও যুদ্ধ চায়নি। পাকিস্তানের বিভক্তি চায়নি। আওয়ামী লীগ ভোট পেয়েছিলো স্বায়ত্তশাসনের কথা বলে। ২৫ মার্চের গণহত্যার পরই সাধারণ পর্যায়ে স্বাধীনতার দাবি উঠেছে । কথাটা বলেছেন আবুল মনসুর আহমদ। তার ভাষায়, ‘২৫শে মার্চের আগে বাংলাদেশের একজন মানুষও পাকিস্তানের বিভক্তি চায়নি। আর ২৫শে মার্চের পর বাংলাদেশের একজন মানুষও পাকিস্তানের সাথে থাকতে চায়নি।' (আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর)
আলোচিত ব্লগ
ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।
ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।
ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।
বর্তমান ডিজিটাল যুগে ‘অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট’ একটি বহুল ব্যবহৃত পরিচয়। সামাজিক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে এই পরিচয়ের কদর দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন
যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন
যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি
কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।