দেশের মানুষ আজ কত অসহায়! একদল চায় ক্ষমতা কুক্ষিগত করতে, আরেকদল চায় হারানো মসনদ ফিরে পেতে। মাঝখানে আমরা আমজনতা যাঁতাকলে নিষ্পেষিত, শোষিত, লাঞ্চিত, বঞ্চিত, অবহেলিত, নিগৃহীত, অপমানিত এবং অবশেষে ধর্ষিত!! কেন আমাদের এই পরিনতি? সভ্যতার চরম উৎকর্ষের এই সময়ে আমাদের বাঙ্গালি জাতির উল্টোচলন কেন? কোথায় আমরা কাঁদে কাঁদ মিলিয়ে সমাজ ও দেশের উন্নতির জন্য কাজ করব তা না; সম্পদ ও স্বার্থের জন্য অন্ধের মতো ছুটে চলছি অজানা গন্তব্যের দিকে।
আমাদের নোংরা রাজনীতির এই দ্বিচক্রের গণ্ডির ভিতর থেকে আমরা কেন জানি আর বেরুতেই পারতেছিনা! আমরা এই ১৬ কোটি মানুষ কি সত্যিই নপুংসক হয়ে গেলাম? আমাদের কি উদ্ধারের কেউ নেই? আমরা কি নেতৃত্বহীন জাতি হয়ে গেলাম? আমাদের সবুজ বাংলার এতো সুন্দর এই দেশ কি এভাবেই উল্টোদিকে চলতেই থাকবে? আমাকে এই প্রশ্ন গুলো অনেক দিন কুরে কুরে খাচ্ছিল। উত্তর খুজে পেয়ে বেশ স্বস্তি এনে দিল। আমি বেশ আশাবাদি, নব দিগন্তের ঊষার আলো দেখা যাচ্ছে বলে। সেই আলো আর কিছুই না, তরুণদের রক্তচক্ষুর বিস্ফোরণ। সেদিন বেশি দূরে নয় যেদিন দেখব এই দ্বিচক্রের মায়াজাল ছিন্ন করে আমাদের এই তরুণরাই সুস্থ ধারার রাজনীতি চর্চা করছে... সুখের কথা হল, পৃথিবীর ইতিহাস ও তাই বলে। যখন দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যায় তখন ঘুরে দাঁড়াতেই হয় এবং তখনিই তৃতীয় শক্তির উত্থান ঘটে। এই তৃতীয় শক্তিই তরুণদের শক্তি, নতুনদের শক্তি, পরিবর্তনের শক্তি!
ভাবতে অবাক লাগে, আমরা গণতন্ত্রের লেবাসে রাজতন্ত্র চর্চা করছি! এ কোন ধরনের খেলায় মেতেছি আমরা সবাই? নিজেকে প্রশ্ন করি বারবার। আমাদের এই নপুংসক সমাজ আমাদেরকে কি দিয়েছে স্বাধীনতা উত্তর? একগাদা ব্রিটিশ আইন ও আমলা, লাল ফিতার জাল যাদের কলমের খোচায় সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে দুর্নীতিকে আলিঙ্গন করছে! ইতিহাস বলে, পরিবর্তন অবশ্যাম্ভাবি; হতেই হবে। আমাদের স্মার্ট প্রযুক্তির এই তরুনরাই পরিবর্তনের অগ্রণী হবে নিঃসন্দেহে। তাঁদের রক্তচক্ষুর বিপ্লবে ক্ষমতা লোভী পেটুক দুর্নীতিবাজ রাজনীতিকদের পতন ঘটবে। সেদিনের অপেক্ষায় রইলাম এবং সবাইকে এই যুদ্ধে অংশ নিয়ে সুফলা, সবুজ, শ্যামল এই বাংলাকে আসন্ন রাহু গ্রাসের হাত থেকে মুক্তির স্বাদ দেওয়ার আমন্ত্রণ!
আলোচিত ব্লগ
বিএনপির মূল্যায়নে বঙ্গবন্ধু কিংবা আওয়ামিলীগের অবদান শূণ্য। মুক্তিযুদ্ধে সবচেয়ে বেশি অবদান জামাতের॥


বিএনপি করার পূর্ব শর্ত কি? ইতিহাস বিচারে দেখা যায়, পার্ক মার্কিন প্রেসক্রিপশনে সর্বোচ্চ পর্যায়ের মিথ্যুক হতে হবে। আর সাথে রাজাকার পারিবারিক ব্যাকগ্রাউন্ড হলে তো কথাই নাই,... ...বাকিটুকু পড়ুন
গণতন্ত্রের অধিকার : ২৫ কিমি: মধ্যে ?
গণতন্ত্রের অধিকার : ২৫ কিমি: মধ্যে ?

জাতিসংঘে বিশ্বের সকল দেশের অংশগ্রহনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান হয়ে গেল ।
সেখানে শাসক, স্বৈর-শাসক ও গনতন্ত্রর বক্ততারা এক হয়েছিলেন । কিন্ত কোন ভালো সিদ্বান্ত
নিতে পেরেছে... ...বাকিটুকু পড়ুন
নীল ড্রামের রহস্য

ঘরটি অন্ধকারাচ্ছন্ন। ক্ষণে ক্ষণে জানালার ওপাশ থেকে আসা দূরপথের সোডিয়াম বাতির একচিলতে আলো এসে পড়ছে ঘরের ভারী বাতাসের ওপর। ঘামের তীব্র গন্ধ আর উন্মুক্ত ত্বকের উত্তাপ ঘরের পরিবেশকে ভারী করে... ...বাকিটুকু পড়ুন
১৮ বছর ১ সপ্তাহ পার !

এমনি করে দিন চলে যায়। ১৮ বছর কখন পেরিয়ে গেল এখানে বুঝতে পারিনি। কত জনের কথা, কত ঘটনা মনে আসছে ! এমনি করে সূর্যাস্তের দিকে যেতে যেতে... ...বাকিটুকু পড়ুন
সক্রেটিস ঈশ্বরের বাণী প্রচার করতেন

সক্রেটিস মানুষের সাথে কথা বলতে ভালোবাসতেন। তিনি যখনই সময়ে পেতেন, মানুষের সমাগম যেখানেই হতো, সেখানেই তিনি বক্তব্য দিতেন। সেই বক্তব্যগুলো ছিলো, সক্রেটিসের ভাষায়, 'দৈব বাণী' বাঁ 'ঈশ্বরের বাণী'। এজন্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।