somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সেকুলার আর মুক্তিযুদ্ধের নাম ভাঙ্গিয়ে নয়া এক ক্রুসেড চলছে' : তুহীন মালিক এক নব্য রাজাকার?

০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিশিষ্ট আইনজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক ড. তুহিন মালিক বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর ধর্মনিরপেক্ষতার নামে বাংলাদেশে ক্রুসেড চলছে; ধর্ম যুদ্ধ চলছে। আওয়ামী লীগ সরাসরি ধর্মের বিরুদ্ধে লেগেছে, ছদ্মবেশে তারা ধর্মযুদ্ধ চালাচ্ছে। বাংলাদেশকে ৩২ টি দাঁতের মাঝখানে একটি জিহ্বা হিসেবে উল্লেখ করে ড. তুহিন মালিক বলেন, বাংলাদেশের চারিদিকে ভারত আর কাফেররা; আর মাঝখানে লা ইলাহা ইল্লাললাহ। জিহ্বা নাড়াচাড়া করলে যেমন দাঁতগুলো কামড় দিয়ে ওঠে, তেমনি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে ভারতের নগ্ন হস্তক্ষেপে জাতি আজ দিশেহারা। আমাদের জিহ্বা তথা বাংলাদেশকে বাঁচাবে শুধু ‘লা ইলাহা ইল্লাললাহ’ জিকির। তিনি ইসলামী ও জাতীয়তাবাদী শক্তির একমাত্র পরিচয় ‘লা ইলাহা ইল্লাললাহ’ বাঁচিয়ে রাখতে সকলকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।
তুহিন মালিক বলেন, আমরা যে মুক্তিযুদ্ধ করেছি সেটা খন্ডিত মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের মুক্তিযুদ্ধ শেষ হয়নি। নাস্তিক ও ইসলাম বিরোধীদের বিরুদ্ধে এই মুহূর্তে যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে, এটাই আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। নিজেদের অস্তিত্বের কারণে এখন আমাদের এ লড়াই করতে হবে। তা না হলে আমাদের নতুন প্রজন্ম ভুলে যাবে যে, এটা শাহজালাল আর শাহপরানদের দেশ; এটা আলেমদের দেশ, এটা দেওবন্দিদের দেশ।

মুহুর্মুহু স্লোগান আর করতালির মধ্যে ড. তুহিন মালিক বলেন, গরীবের বউ সকলের ভাবী, বাংলাদেশ ভারতের কাছে ক্ষুদ্র রাষ্ট্র ; এজন্য বাংলাদেশকে তারা ভাবী মনে করে। শরীরের আকার বড় হলেও হাতি যেমন বনের রাজা হতে পারেনি, তেমনি বাংলাদেশের আয়তন যত ছোট হোক, ভারত আয়তনে যতই বড় হোক- বাংলাদেশের মানুষ কখনো ভারতকে রাজা মানবে না। ‘বাংলাদেশ আজ এক লম্পট প্রতিবেশীর খপ্পরে’ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই লম্পট প্রতিবেশীর খপ্পর থেকে এদেশের মা-বোনকে বাঁচাতে হবে। এদেশের মা-বোনরা তাদের কাছে ভাবী না; গরীবের বউ তাদের কাছে ভাবী হতে পারে না।
ড. তুহিন মালিক বলেছেন, নাস্তিকদের সাথে নিয়ে শেখ হাসিনা পুরো রাজনীতিটাকে কলুষিত করেছে। যে নাস্তিকরা তার বাবাকে হত্যা করতে চেয়েছে, যে নাস্তিকরা তার বাবা মারা যাবার পর ট্যাংকের ওপরে দাড়িয়ে উলঙ্গ নৃত্য করেছে, যে নাস্তিকরা তার চামড়া দিয়ে ডুগডুগি বানাতে চেয়েছে; শুধুমাত্র ইসলামকে আঘাত করার জন্য এই নাস্তিকদের শেখ হাসিনা সাথে রেখেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে বাম পঁচলে হয় আওয়ামী লীগ আর আওয়ামী লীগ যখন পঁচে যায় তখন তার নাম হয় নাস্তিক।
পূর্ব লন্ডনের ওয়াটার লিলি হলে সিটিজেন মুভমেন্ট ইউকে আয়োজিত ‘হিউম্যান রাইটস এন্ড ডেমোক্রেসিঃ পারস্পেক্টিভ বাংলাদেশ’ শীর্ষক এক সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সিটিজেন মুভমেন্ট ইউকের আহ্বায়ক এম এ মালেকের সভাপতিত্বে ও সঞ্চালনায় সেমিনারে ড. তুহিন মালিক বলেন, আওয়ামী লীগ ইসলামী ও জাতীয়তাবাদী শক্তিকে মিথ্যা, প্রপাগান্ডা ও হয়রানি করে ধ্বংস করে দিয়ে বাংলাদেশে দিল্লির শাসন ও নাস্তিকবাদীদের মন্দির বানাতে চায়। সারা পৃথিবীতে সংখ্যালঘু নির্যাতন হয় কিন্তু বাংলাদেশ একমাত্র দেশ যেখানে সংখ্যাগুরু নির্যাতন হয়। আশ্চর্য্য দেশ যেখানে সংখ্যাগুরু মানুষের মূল্যবোধ, তার লেবাস, তার দাঁড়ি, টুপি এমনকি তার কিতাব রাখা অপরাধ, কিন্তু ঘুষ ও হারাম খাওয়া অপরাধ না। তিনি বলেন, তারা এতোদিন বলেছে জয় বাংলা। প্রমোদ মানকিন কয়েকদিন আগে বলেছেন জয়বাংলা না বললে বাংলাদেশ থেকে বের করা দেয়া হবে। তিনি বলেন, জয় বাংলা আমরা দেখেছি, শুনেছি, কিন্ত জয়ের বাংলা আমরা দেখবো না ইনশাল্লাহ। এটা মুসলমানদের বাংলা, এটা তাওহিদী জনতার বাংলা; এটা ইহুদি-খ্রীষ্টানদের পিতার বাংলা নয়।
সেমিনারে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাম রাজনৈতিক বিশ্লেষক ফরহাদ মজহার বলেন, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতা ঘোষণায় পরিষ্কার উল্লেখ রয়েছে- সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্যই আমরা মুক্তিযুদ্ধ করেছি, বাংলাদেশকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করেছি। গণতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ, সমাজতন্ত্র আর অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ নিয়ে যে ঐক্য গড়ে উঠেছিলো তা বিনষ্ট করা হয়েছে। এই তিন নীতির ভিত্তিতে আমাদেরকে আগামীর নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।
উল্লেখ্য, সেমিনারে প্রবাসী বাংলাদেশী বক্তারা ড. তুহিন মালিক ও ফরহাদ মজহারকে বাংলাদেশের ক্রান্তিকালীন সময়ের দিক-নির্দেশনাকারী সঠিক ও ন্যায়ের সৈনিক হিসেবে অভিহিত করেন।
সেমিনারে সমবেত প্রবাসী বাংলাদেশিদের পক্ষে কিছু প্রস্তাবনা পেশ করেন সিটিজেন মুভমেন্ট ইউকের আহ্বায়ক এম এ মালেক। তিনি লিখিত বক্তব্যে বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন।
৫ জানুয়ারির প্রহসনের নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণকে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচনের অধিকার থেকে বঞ্চিত করবার তীব্র নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশের বর্তমান ক্ষমতাসীনদের ক্ষমতায় থাকার কোন নৈতিক ও সাংবিধানিক অধিকার নেই। তাই এই অবৈধ ও দখলদারদের কোন প্রকার স্বীকৃতি না দেবার জন্য তিনি বৃটিশ সরকার ও জনগণের প্রতি আহ্বান জানান । লিখিত বক্তব্যে এম এ মালেক রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হত্যা, খুন, গুম বন্ধ করে তাদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সকল মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান। তিনি বলেন, বিচার বহির্ভুত হত্যাকাণ্ড ও গুম যেভাবে চলছে, বিরোধী রাজনৈতিক দল এবং আন্দোলনকে এই সরকার যেভাবে দমন-পীড়ন করছে, বিদ্বেষ ও আতংকের বশবর্তী হয়ে যেভাবে ধর্মপ্রাণ নাগরিকদের ওপর অত্যাচার-নির্যাতন চালাচ্ছে তা একদলীয় শাসন ব্যবস্থারই নামান্তর। তিনি বাংলাদেশের জনগণের নাগরিক ও মানবিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতার আহ্বান জানান।
সরকার গণমাধ্যমের ওপর নগ্ন হস্তক্ষেপ করছে উল্লেখ করে এম এ মালেক অবিলম্বে দৈনিক আমার দেশ, দিগন্ত টিভি ও ইসলামিক টিভিসহ যেসব গণমাধ্যম সরকার বন্ধ করে দিয়েছে তা খুলে দেবার আহ্বান জানান। প্রবাসী বাঙালীদের পক্ষে এম এ মালেক বলেন, ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিলের স্বাধীনতার ঘোষণা অনুযায়ী সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও ন্যায় বিচারের জন্য মানুষ মুক্তিযুদ্ধ করেছে। এই আদর্শকে নসাৎ করে যে ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্রব্যবস্থা কায়েম করা হয়েছে তা থেকে পরিত্রাণের জন্য সাম্য-মানবিক মর্যাদা ও ন্যায়বিচারের ভিত্তিতে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গঠন করার নীতি ও কৌশল নিয়ে আলোচনা করতে হবে। সেমিনারে বাংলাদেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় দোয়া পরিচালনা করেন মাওলানা আতিকুর রহমান জিলু।
অন্যান্যের মধ্যে আরো বক্তব্য রাখেন; বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মাহিদুর রহমান, জমিয়তে উলামা ইউরোপের সভাপতি মুফতি শাহ সদর উদ্দিন, ‘সভ’ বাংলাদেশ এর কো অর্ডিনেটর ব্যারিস্টার নজরুল ইসলাম, অধ্যাপক মাওলানা সালেহ আহমেদ, তারেক রহমানের মানবাধিকার বিষয়ক উপদেষ্টা ব্যারিষ্টার এম এ সালাম, জামায়াতে ইসলাম ইউরোপের মুখপাত্র ব্যারিষ্টার আবু বকর মোল্লা, শিক্ষাবিদ সৈয়দ মামনুন মোর্শেদ, যুক্তরাজ্য বিএনপির সহ-সভাপতি শাহ আখতার হোসেন টুটুল, আক্তার হোসেন, শহীদ জিয়া স্মৃতি পাঠাগার ইউকের চেয়ারম্যান শরীফুজ্জামান চৌধুরী তপন, বিএনপি নেতা প্রফেসর ফরিদ উদ্দিন, যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাসিম আহমেদ চৌধুরী।
সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন টাওয়ার হ্যামলেটস কাউন্সিলের ডেপুটি মেয়র অলিউর রহমান, সাবেক ডেপুটি মেয়র অহিদ আহমেদ, আতিকুর রহমান পাপ্পু, শামসুর রহমান মাতাব, তাজ উদ্দিন, আবেদ রাজা, কামাল উদ্দিন, খসরুজ্জামান খসরু, সৈয়দ জাবেদ ইকবাল, আমিনুর রহমান আকরাম, এমাদুর রহমান এমাদ, নাসির আহমেদ শাহীন, আবুল হোসেন, আতাউর রহমান, মিছবাহ চৌধুরী, সালেহ গজনবী, শেখ তপু, রহিম উদ্দিন, ব্যারিষ্টার তমিজ উদ্দিন, ব্যারিষ্টার হামিদুল হক লিটন আফিন্দি, ব্যারিষ্টার আলিমুল হক লিটন, ব্যারিষ্টার ইকবাল হোসেন জুনিয়র, ব্যারিষ্টার আবু ইলিয়াছ, ব্যারিষ্টার সোহরাব হোসেন সোহেল, সলিসিটর নাসের খান অপু, শাহরিয়ার রহমান জুনেদ, সাহেদ উদ্দিন চৌধুরী, নজরুল ইসলাম খান, টিপু আহমেদ, খিজির আহমেদ, লাহিন আহমেদ, সাইফুদ্দিন মানিক, লুৎফুর রহমান খান, মাহিনুর রহমান, মুনিম আহমেদ, অলিউর রহমান চৌধুরী ফাহিম, তৌহিদুল আরফিন রুহেল, মুহিবুর রহমান রাজু, ফাহমিদা মজিদ, রাজিব আহমেদ খান, আমিনুল ইসলাম, সৈয়দ মুহিবুর রহমান রিপন, সাইফুল ইসলাম মিরাজ, ইমতিয়াজ এনাম তানিম, নুরুজ্জামান রাজন, মনির আহমেদ, জাহিদ হাসান গাজী, আশিক ইসলাম, জুল আফরোজ মজুমদার, আসাদুজ্জামান মুকুল, শাকিল চৌধুরী, আতিকুল ইসলাম আতিক, এম ইলিয়াছ রিপন, মাহবুবুর রহমান প্রমুখ।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ডিসেম্বর, ২০১৪ সকাল ১০:৩৩
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা এবং "দি ম্যাট্রিক্স" এর নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যানে এদের ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামের এক যুবককে পিটিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রাইভেট টেলিফোন কম্পানি হলে কেমন হতো?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:২৩



গত ব্লগে টেলিফোন নিয়ে বলেছিলাম। মোবাইল থেকে টেলিফোনে কল দেওয়া বা রিসিভ করা যেতো না। শুধু টিএনটি একটিভ করা সিমে টেলিফোনে কল করা যেতো। বা টেলিফোন... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×