somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Justine,the misfortunes of virtue(অনুবাদ,ধারাবাহিক)Marquis de Sade এর লেখা

৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

Justine,the misfortunes of virtue(অনুবাদ,ধারাবাহিক)Marquis de Sade এর লেখা
সময়কাল (১৭৪০-১৮১৪)
বিতর্কিত চরিত্র,কন্ডে এলাকার রাজ পরিবারের একজন
সাধারণ চিন্তাধারার বাইরে তার লেখাগুলোয় বিকৃত মনোভাব,দুঃখবাদী
justine the misfortunes of virtue,Juliette,120 days of Sodom,The crimes of love ছাড়াও অন্যান্য


(৫)

নিকোলাসের কাজের লোকেরা জাষ্টিনকে পা থেকে শরীর অবধি রশি দিয়ে বেঁধে দিল,শূধু হাত দুটো খোলা এম্নভাবে যাতে কুকুরের আক্রমন এড়াতে পারে।ভঁয়ে ফ্যাকাসে হয়ে গেছে জাষ্টিন আর কাউন্ট নিকোলাস হাসতে হাসতে তার গালে চিমটি দিয়ে বললো, ‘বাহ!বেশ সুন্দ্র মজার সকালের খাবার হবে আমার কুকুরের জন্য।কি ব্যাপার এত দেরী হচ্ছে কেন,হ্যা শেষ হলে ছেড়ে দাও কুকুরদের’।
নিকোলাসের কথায় তার কাজের লোক লেলিয়ে দিল কুকুর আক্রমন করার জন্যে,কামড় দিচ্ছিল কুকুরগুলো পাগলের মত যেন মাংস ছিঁড়ে ছিন্নভিন্ন করে ফেলবে।হঠাৎ কোন এক অজানা কারণে কাউন্ট ডেকে পাঠালো তার কুকুরদের,থেমে গেল কামড়।
‘অনেক হলো,কুকুরদের শিকল দিয়ে বেঁধে ফেল।আর ঐ বেশ্যা মেয়েটা থাক ও ভাবেই,ওকে ছেড়ে দিলাম ভাগ্যের হাতে’।
কথা শেষ করে কাউন্ট নিকোলাস জাষ্টিনকে বললো, ‘তেরেসা দেখলে,বিশ্বাস পুন্যের ফলাফল।এখন কি মনে হচ্ছে না দু হাজার ফ্রাঙ্ক,কুকুরের কামড়ের চেয়ে অনেক বেশী লাভজনক’,
অষ্পষ্ট কথাগুলো জাষ্টিনের কানে ঠিকমত পৌছানোর আগেই জ্ঞান হারালো সে।
জ্ঞান ফিরে আসার পর নিকোলাস জাষ্টিনকে পোষাক আষাক সেই মুহুর্তেই চলে যেতে বললোকিছু না বলে জাষ্টিন ঘাস দিয়ে রক্ত মুছে হাঁটা আরম্ভ করলো,ফুলে গেছে শরীর জায়গায় জায়গায়, আর রক্তক্ষরনের জন্যে বেশ দুর্বল,তবুও বেঁচে থাকার তাগিদে নিজেকে উজ্জিবীত করার চেষ্টা করছে,কোন ভাবে বাচতে হবে।নিকোলাস কিছু একটা ভাবতে ভাবতে হাঁটাহাঁটি করছে তখন।


ডাক্তার রদিনের আশ্রয়ে
দুর্বল জাষ্টিন কোন ভাবে অজানা এক সাহস আর শক্তিতে পৌছালো,প্যারিস থেকে মাইল দশেক দুরে মার্সেল নামের ছোট্ট এক শহরে।ক্ষতের জন্যে একজন ডাক্তার দরকার,ডাক্তার খুঁজে তাকে বানিয়ে বললো,রাতের অন্ধকারে ডাকাতের কুকুরের আক্রমনে তার দুরবস্থার বানোয়াট গল্প।ডাক্তার রদিন পরীক্ষা নিরিক্ষা করে জাষ্টিনকে জানালো,‘কুকুরের কামড়ে চামড়া ছিঁড়ে গেলেও,ক্ষতগুলো অত গভীর না,সপ্তাহ কয়েক চিকিৎসা, সেবায় থাকলে সব ঠিক হয়ে যাবে’।ডাক্তার জাষ্টিনের একটা টাকাপয়সার অভাবের কথায় তাকে আশ্বাস দিল, ‘চিন্তা করো না,চিকিৎসা করতেই হবে,আর মানুষ হিসাবে আরেকজন মানুষের প্রতি আমার কিছু দায়িত্বও আছে,টাকার জন্যে কিছু আটকাবে না’।জাষ্টিনের তখন বেশ জ্বর দেখে ডাক্তার তাকে বিশ্রাম নিতে বললো, চিকিৎসা আর বিশ্রাম,দুই ছাড়া আর কোন উপায় ছিল না।
সপ্তাহ তিনেকে বেশ সুস্থ হয়ে উঠলো,কাজ জোগাড় করে তারপর অন্য কোথাও যাওয়ার কথা ভাবছে তখন জাষ্টিন।শুনে ডাক্তার রদিন কিছুদিনের জন্যে জাষ্টিনকে তার বাড়ীতেই কাজসহ থাকার ব্যাবস্থা করলো।
বিপত্নীক ডাক্তার রদিনের বিশাল বাসায়,মেয়ে রোসালী আর জন দুয়েক কাজের মেয়ে নিয়ে তার সংসার। মেয়ে বছর পনেরের বেশী হবে না,দেখতে বেশ সুন্দরী।কাজের মেয়ে দুটোও দেখতে খুব একটা কম সুন্দরী ছিল না।জাষ্টিন বুঝে উঠতে পারলো না,তাকে কাজে রাখার কারণটা,তবে তার কোন উপায় ছিল না তখন।
ডাক্তারের বাসায় গরীব ছেলে মেয়েদের একটা স্কুল ছিল,সবার বয়স বছর বার,তেরোর মধ্যে,পনের ষোল হলেই আর কাউকে রাখা হতো না।ডাক্তার নিজেই লেখাপড়া শেখাতো ছাত্র ছাত্রীদের।অবাক হয়ে জাষ্টিন রোসালীকে জিজ্ঞাসা করলো, ‘তোমার বাবা একজন নামকরা ডাক্তার,তারপরও সময় দিচ্ছে গরীব ছেলে মেয়েদের লেখাপড়া শেখানোর জন্যে,এমন বিনয়ী,পরিশ্রমী মানুষ খুব কমই দেখা যায়’।
রোসালী জোরে হাসতে হাসতে বললো, ‘বুঝতে পারছি না,তুমি বোকা না সরলমনা।যদি মুখ বন্ধ রাখতে পার,তোমাকে সবকিছু খুলে বলবো।দোহাই তোমাকে বিশ্বাস করে সব কিছু বলছি,কানাকানি করো না।যা আছে তাতে আমার বাবার কাজ না করলেও চলবে,তবে আমার বাবার জীবনের একমাত্র আনন্দ নতুন কিছু আবিষ্কার করা।বাবার বেশ নামযশ আছে চিকিৎসা বিদ্যায়,বলা যায় ফ্রান্সের সার্জনদের মধ্যে বাবা প্রত্ম সারির একজন।তবে স্কুলের আসল রহস্যটা কেউ জানে না।তেরেসা…কি বলবো…এ হলো…উন্মাদনা… উন্মাদনা।শোন,আজ সপ্তাহের কোনদিন…শুক্রুবার,তাই না।আজ হলো সেই দিন যখন বাবা ছাত্র ছাত্রীদের ভুল ঠিক করে দেয়,এখানেই বাবা খুঁজে পায় তার আনন্দ।চল তোমাকে দেখাবো বাবা কি করে?চল আমার ঘরে দেয়ালে ছোট্ট একটা গর্ত আছে,সবকিছুই দেখতে পাবে,নিজের চোখে,।তবে একেবারে চুপ করে থাকবে,কোন শব্দ করবে না,না হলে যা বিপদ হবে সেটা আমি চিন্তা ক্রতে চাই না’।
জাষ্টিন আর রোসালী দেখলো,ডাক্তার রদিনের সাথে একটা মেয়ে কাঁদতে কাঁদতে ঘরে ঢুকলো,হাতজোড় করে ক্ষমা চাচ্ছিল মেয়েটা।
ডাক্তার রদিন বলছে মেয়েটাকে,‘না,না অনেক হয়ে গেছে,আর ক্ষমা করা যাবে না তোমাকে।জুলি তুমি আমার সহানুভুতির অপব্যাবহার করছো,সেটা আর হতে পারে না।তা ছাড়া এতে তোমার ক্ষতিই হচ্ছে,তুমি ঐ ছেলেদের সাথে অনেক কিছুই আলাপ আলোচনা করছো,তুমি জান ও সব তোমার আলোচনা করার কথা না। এই স্কুল,লেখাপড়া,তোমার কাছে ছেলেখেলার মত’?
‘না,না,আমি ও ধরণের কিছুই করিনি।এ আপনার বোঝার ভুল’।
‘আমি নিজের চোখে দেখলাম।কেন মিথ্যা কথা বলছো’।
রোসালী জাষ্টিনকে বললো,‘বাবা মিথ্যা কথা বলছে,মেয়েটা না।বাবা অনেক কিছুই সাজিয়ে বলে ওদের শাস্তি দেয়ার জন্যে,আমার বিশ্বাস করতেই ক্ষট হয়।জুলিয়েট আসলে খুবই সহজ সরল একটা মেয়ে,এখন দেখবে কি ভাবে বাবা অযথাই বেচারীর উপরে অত্যাচার করবে।মজাটা কি জান,আর সবাই ভাবছে জুলিয়েট মিথ্যা কথা বলছে।কি অদ্ভুত এক নাটক,মিথ্যাটা সত্যি হয়ে গেল,ক্ষমতায়’।
স্কুল ঘরের একপাশে শাস্তি দেয়ার একটা খুঁটি ছিল,রদিন মেয়েটাকে সেখানে বেঁধে রাখলো।জুলি কান্না ভঁরা চোখে ডাক্তার রদিনের দিকে তাকিয়েছিল,আর ডাক্তার তখন ব্য্যাস্ত চাবুক দিয়ে জুলিকে শাস্তি দেয়ায়।চাবুকের পর চাবুক,আর ডাক্তার রদিনের চোখেমুখে ছিল অত্যাচারী রাজার আনন্দ।একসময় ডাক্তার ক্লান্ত হয়ে বললো, ‘ঠিক আছে আজকের মত তোমাকে রেহাই দিলাম,তবে ভব্যিষত এমনটা যেন আর না হয়,জুলি’।
জুলি চলে গেল ডাক্তারের সাথে,ডাক্তার যদিও ফিরে আসলো আরেকটা ছেলের সাথে।আবার রেগেমেগে আরম্ভ হলো ডাক্তার রদিনের নাটক, ‘এই বেয়াদব,আমাকে নিয়ে ঠাট্টা কর বেড়াও,তুমি।ভাবছো কোন কিছু আমার কানে আসে না,এখন বুঝবে।পড়াশোনা তো করই না,খালি গুন্ডামি,আজকে উচিত শিক্ষা পাবে’।
এ ভাবে এক এক করে প্রায় নয়জন ছেলে মেয়েকে শাস্তি দিল ডাক্তার রদিন,সেই একই দৃশ্য,অভিযোগ,হিসেবী বিচার আর তার অত্যাচারের আনন্দ।
‘আমার বিশ্বাস ক্রতে ক্ষটই হচ্ছে,নিজের চোখে না দেখলে হয়তো বিশ্বাস করতাম না,কি ভাবে একজন সভ্য,শিক্ষিত মানুষ আনন্দ খুঁজছে,এই পাশবিক অত্যাচারে’?
‘এ তো শুধু একটা পর্বই দেখলে,বাবা শুধু শুধু গরীবদের লেখাপড়া শেখায় না,অত্যাচার ছাড়াও আছে অনেক আরও খেলা।সবকিছু বাবার সাজানো নিজের স্বার্থে যদিও আপাতঃ দৃষ্টিতে মনে হয় কি দয়ালু এক মানুষ’,রোসালী বললো।
সময়ে জাষ্টিনও ডাক্তার রদিনের অতাচারের আনন্দ থেকে রেহাই পেল না,রোসালী,আর দুজন কাজের মেয়ে, থাকা সত্বেও রেহাই হলো না জাষ্টিনের,বিকৃতমনা ডাক্তার রদিনের অদ্ভুত আনন্দ নিষ্ঠুরতা থেকে।
ঘটনার কয়েকদিন পরে একদিন রাতে হঠাৎ ডাক্তার রদিন জাষ্টিনকে তার ঘরে পরীক্ষা করে বললো, ‘তেরেসা,তুমি এখন একেবারেই সুস্থ,এখন ইচ্ছা করলে আমার ঋন পরিশোধ করতে পার।আমার চাওয়া খুবই সাধারণ…তেমন কিছু একটা না’।
‘আপনার ঋন আমি চাইলেও কোন সময় শোধ করতে পারবো না,তবে আপনি যা বলবেন আমি তাই করবো,শুধু আমাকে কোন অন্যায়,অপবিত্র কাজ ক্রতে বলবেন না।আমার হাতে যে কটা টাকা আছে সেটা দিতে আমার কোন আপত্তি নাই,আর আমি যদিও আপনার বাড়ী থেকে চলে যাচ্ছি,তবে কাজ খুঁজে পাওয়ার পরে আপনাকে দিয়ে যাব আপনার পাওনা,যা বলবেন’।
ডাক্তার রদিন ভাবতে পারেনি কর্পদকহীন মেয়েটা তার প্রস্তাব আনন্দে মেনে না নিয়ে,ও ভাবে পাপ পুন্যের হিসাব নিকাশ নিয়ে তাকে বক্তৃতা দিবে।
‘তেরেসা,আমি একজন ডাক্তার,আমার সাথে তোমার এই কুমারীত্বের ভান করা মানায় না।অসুস্থতায় তোমাকে পরীক্ষা করার পর মোটামূটি তোমার সমন্ধে আমার তেম্ন কিছু অজানা নাই।তা ছাড়া অস্বীকার করতে পারবে না তোমার এই সুস্থ স্বাভাবিক অবস্থার জন্যে আমার অনেক অবদান আছে,তোমার টাকা পয়সা তোমার কাছেই থাক,আর এখান থেকে তোমার চলে যাওয়ার দরকার হবে না।তোমার মত একজন সৎ,কর্মঠ মেয়ে পাওয়া বেশ সৌভাগ্যের কথা,আরড়া তুমি চলে গেলে রোসালীর মন খুবই খারাপ হয়ে যাবে।
‘কিন্ত আমি থাকলে অন্যান্য কাজের মেয়েরা ঈর্ষায় আজ হোক,কাল হোক আমাকে ঠিকই এখান থেকে তাড়াবে।তা ছাড়া এই কোন্দলের মধ্যে আমিও কোনসময়ই সুখী হতে পারবো না’।
‘শোন অযথা ঐ সব চিন্তা করার দ্রকার নাই,,আমি চাই তুমি এখানে থাক,আমাকে সাহায্য করার জন্যে।তা ছাড়া সকলের আলাদা আলাদা দায়িত্ব আছে,দেখবে কত কিছু করার আছে?প্রশ্ন করো না,তোমার সাহায্য দরকার’।
রোসালীও অনুরোধ করলোতার বাবার সাথে,রোসালীর অনুরোধ আর নিজের অজানা ভব্যিষত,একাকীত্বের কথা ভেবে জাষ্টিন শেষমেষ থাকতে রাজী হলো।
দিন দুয়েক পরে ডাক্তার রদিন বললো, ‘তেরেসা ভেবে দেখলাম,অন্যান্য কোন কাজ না করে তুমি বরং শুধু রোসালীর দেখাশোনা কর,তাতে অন্যান্য কাজের মেয়েদের সাথে তোমার গোলমাল হওয়ার সম্ভাবনাও থাকবে না,বছরে পাঁচ শ ফ্রাঙ্ক বেতনও পাবে’।
শুনে খুশীই হলো জাষ্টিন,ভাবলো আর যাই হোক মানুষটা একেবারেই খারাপ না,অনেক ভাল দিকও আছে তার।ঈশ্বর বিশ্বাসী জাষ্টিনের তখন চিন্তা,কি ভাবে লোকটাকে পাপের পথ থেকে সরানো যায়,আরম্ভ হলো তার পাপ পুন্য পরকালের উপদেশ।
‘তেরেসা,জানি না তুমি কি ভাবছো?তবে তোমাকে সাহায্য করার পেছনে আমি ভালমন্দের হিসাব করিনি,ধর্মবিশ্বাসকে তুলে ধরিনি সবকিছুর উর্ধ্বে।সংসারের হিসাবের খাতায়,সৎ পথ,পাপ পুন্যের হিসাব এক ধরণের অসুখ বা অন্ধত্ব বলতে পার,বেঁচে থাকা,উন্নতির জন্যে তোমাকে খুঁজে নিতে হবে তোমার নিজের ভালটা তাতে অন্যের যতই অপকার হোক।আমি যদি ভুল না করে থাকি,এটুকু বলতে পারি,পুন্য আর ঈশ্বর টিকে আছে শুধু দুর্বল আর ধর্মান্ধের জগতে।ঐ বিশ্বাস দুর্বলদের জন্যে সান্তনা,তাদের নিজেকে সন্তষ্ট রাখার উপায়,আছে শুধু কল্পনায়।এই যে ভাল ম্নদের হিসেব আমরা করি, জান সেটা আবার বদলায় সময়ে,অবস্থানে।ভেবে দেখ পৃথিবীতে এমন দুটো দেশ আছে,যেখানে পাপ পুন্য বা ভাল মন্দ যাই বল,তার হিসেব একই?ভাল বা মন্দ নিয়ে যে এত সোচ্চার,তার হিসাব সমাজ,ক্ষমতাশালীদের হাতে,বিচার শাস্তি তাদের মতামতে।তুমিই বল,আছে এমন কোন পুন্য যা প্রকৃতির স্বভাব বদলে দেয়,যা মানুষের কাম্য হতে পারে,যা আনতে পারে সমতা দুর্বল সবলে?বল আছে কোন পুন্য যা ক্ষুর্ধাত মানুষের মুখে আনবে হাসি,পুন্য আর তার হিসেব শুধু তোমার পরকালের জন্য,শুধুই কথার কথা।আমাদের আবেগ শেখায় তথাকথিত ভালমন্দের যুদ্ধ, কোনটা বেছে নিব আমরা?মানুষ সেটাই বেছে নেয় যা তার প্রয়োজন,তার জন্যে লাভজনক।তুমি বললে পুন্যে উপকার হয় অন্যের,তাতে আমার কি লাভ,আমি কি পেলাম না পেলাম সেটাই আমার হিসেব।কেউ যদি আমার উপকার করে,তখন না হয় আমি তার উপকার করতে পারি না,তা ছাড়া অন্য কোন হিসেব আছে কি?শুধু আমাকে হিসেব করতে হবে পুণ্যের মাপকাঠি যাতে ভারসাম্য না হারায়।ভেবে দেখ তেরেসা, আমি যদি কারও ক্ষতি করি সেও কি আমার ক্ষতি করবে না?ভেবে দেখ,সমাজে অপরাধের হিসেব কি হয় সমতায়,যারা তোমাকে শোনাচ্ছে,শেখাচ্ছে,দেখাচ্ছে ঐ আগামীকালের পৃথিবী,সে তো তাদের নিজের স্বার্থে।সমাজে কেউ ছুটে যায় অন্ধ ভাবে পুণ্যের দিকে আর কেউ পাপে,সব কিছুই জগাখিচুড়ি হয়ে আছে,শুধু আমরা হতবুদ্ধি হয়ে থাকি কি করা উচিত না করা উচিত ভেবে?পাপের পৃথিবীতে সবার জানা আছে চলার পথটা,নিজেকে সন্তষ্ট করা,নিজের চাহিদা পূর্ন করা,আকাশের দিকে তাকিয়ে অন্য কোন পৃথিবীর খোঁজ করার দরকারও থাকে না।তবে বোকারা ভাবে পাপে ধ্বংস হবে তোমার,সেটা তখনই সত্যি যা আমাদের বর্তমান অবস্থায় ক্ষমতাশালী,সবল কজন বলে দেয় পাপ পুণ্যের হিসাব।এখন যদি যা তুমি পাপ বলছো,তা প্রকৃতির স্বাভাবিক চিন্তাধারা,তুমি যাকে নিষিদ্ধ করে দিচ্ছ,সেই আনন্দ থেকে বঞ্চিত হচ্ছি আমরা।যা কিছু নিষিদ্ধ বা পাপ বলি আমরা,তাতে জড়িয়ে আছে নির্ভেজাল আনন্দ,তবে ক্ষমতার মানুষেরা আমাদের দূরে ঠেলে দিতে চায় সেই অনুভুতি থেকে।ধর একটা সমাজ,যেখানে পাপ পুণ্যের হিসাব যেখানে নাই সেখানে মানুষ খুঁজে পাবে তার মনের আনন্দ,সে তোমার মতেই আর বা অন্য কারও মতেই হোক।অন্ধ বিশ্বাসে অযথাই কিছু মানুষকে অসুখী করছো কেন,বল কি অধিকার আছে তোমার?ভেবে দেখ একটা সমাজ,ঐ তথাকথিত অপরাধবোধ আছে যেখানে সাজানো সেখানে কেউই সুখী না,ক জন আশায় আছে অজানা ভব্যিষতের আকাশে,আর অন্যান্যরা ভুগছে মানসিক যন্ত্রনায়।ঐ যারা বিশ্বাস করে পাপ পুন্যে, অপরাধের বিচারে,তারা কোন প্রশ্ন করে না,তারা যুক্তি খোঁজে না,শুধু মেনে নেয়,অন্যের দেখানো পৃথিবীতে, কেন বোকার মত তাদের পেছন পেছন ঘুরবো আমরা?বলতে পার,পাপ পুন্য,ধর্ম বিশ্বাসীরা কেন খোঁজে সান্তনা শুধু আগামীর আকাশে আর কান্নার চোখে,তারা বেঁচে থাকে কষ্টে,অত্যাচারে,প্রতিবাদ করার সাহস নাই,ওটা তো বলেই দেয়া, “তোমার ভাগ্য সাজানো আকাশের হিসাবে’।
ডাক্তার রদিনের লম্বা বত্তৃতা শুনে জাষ্টিন বুঝলো,তার কোন যুক্তি বা উপদেশে কোন ভাবেই বদলায়নি লোকটার মনোভাব।রোসালী মেয়েটা ছিল বেশ খোলা মনের মানুষ,তাকেই ভালমন্দ,বিচার বিবেচনার কথা বোঝানোটাই যুক্তিযুক্ত মনে হলো জাষ্টিনের কাছে।তবে রোসালীকে সবকিছু বোঝানোর জন্যে দরকার একজন পুরোহিত।তাতে সমস্যা অনেক,রোসালীর একটা সুপ্ত ভয় ছিল পুরোহিত আর খ্রীষ্টান ধর্মের প্রতি।আর রোসালীকে কোন পুরোহিতের নেয়াটাও ছিল অসম্ভব,রদিন পারতপক্ষে তার মেয়েকে বাইরে যেতে দিত না। কিছুই করার ছিল না জাষ্টিনের শুধু অপেক্ষা করা,আর নিয়তি বা বিশ্বাসের হাতে সব কিছু ছেড়ে দেয়া ছাড়া।তবুও জাষ্টিন রোসালীকে সময় পেলেই বলতো,চার্চের নিয়ম কানুন আর আকাশের ওপারের পৃথিবীর গল্প,যেখানে অপেক্ষা করে আছে অবিশ্বাস্য এক জগত সৎ মানুষদের জন্যে।
‘রোসালী,মানুষ যে কত অন্ধ এটা বোঝা অসম্ভব,ভেবে দেখ আমরা সবাই ভুলে যাই এই জীবনটাই সব কিছু না,আরেকটা পৃথিবী অপেক্ষা করে আছে আমাদের জন্যে।হিসাব হবে সবার ভালমন্দ কাজের,পাপ পুন্যের!তুমি কি মনে কর না,এটাই যথেষ্ট ঈশ্বর বিশ্বাসের জন্যে,ঈশ্বরের এ পৃথিবীতে আমাদের সুযোগ নিজেদের শুধরে নেয়া আগামীর জন্যে।আমাদের চার পাশের সুর্য নক্ষত্রের সৃষ্টিকর্তা ভাল ছাড়া কি মন্দ হতে পারে?আমরা অন্যায় করে,কি সেই ঈশ্বরকে কি সুখী করছি?এই জীবনের জন্যে আমাদের কি ঐ মহাশক্তির প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত না?এই পৃথিবী,চার পাশের এই বৈচিত্র,আনন্দ,তার জন্যে কি আমাদের কৃতজ্ঞ হওয়া উচিত না?মানবতার জন্যে যেমন আমাদের দায়িত্ব আছে,একই ভাবে আমাদের দায়িত্ব আছে ঈশ্বরের জন্যে। কতটুকুই বা বির্সজন দিতে হয় ঈশ্বরকে খুশী করার জন্যে,অন্যায় থেকে দূরে থাকা,আর তাকে কৃতজ্ঞতা জানানো এটুকুই।আকাশের সিংহাসন!কত অন্ধ আমরা!এমন কিছুই না,অথচ আমাদের এই ছোট্ট কাজগুলো নিয়ে যায় আমাদের সেই সিংহাসনের কাছাকাছি।আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারি না,অবুঝরা কেন অযথা চেষ্টা করছে আমাদের এই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার জন্যে।কামনার অন্ধত্বে তারা ভুলে যাচ্ছে এই চির সত্যের কথা,আবার তারাই আমাদের বোঝাচ্ছে কেন অযথার অন্ধ বিশ্বাসে বেঁচে আছি,আমরা?সত্যি মেনে নিলে তাদের যে হারাতে হবে স্বেচ্ছাচারিতার স্বাদ,অপরাধ,কাম,অন্যায় অত্যাচারের আনন্দ।সময়ের স্রোতে যখন স্তিমিত হয়ে আসে কামনার জোয়ার,বদলে যায় ঐ মানুষগুলো,তারা তখন হয় অজানা নতুন এক চেহারা। বোকার মত আমি এটাও বলতে চাই না,তৃপ্তি তোমাকে সুখী করে না,তবে সে এক অন্ধকারের দেশ,ঐ আনন্দ শুধু সাময়িক না,তাতে ক্ষতি হয় অনেকের’।
জাষ্টিনের রদিনের প্রতি সর্ম্পুন আস্থা ছিল না কোন সময়ই,অবাক হলো তবুও,যখন রোসালী কিছু না বলে চলে গেল।যদিও রোসালীকে নিয়ে বেশ চিন্তিত ছিল জাষ্টিন,তবে তার বিশ্বাস ছিল রদিন নিজের মেয়ের কোন ক্ষতি করবে না কখনও।পরের দিন রোসালীকে খুঁজে না পাওয়ায়,সারা বাড়ী ঘুরে ঘুরে দেখছিল জাষ্টিন। বাড়ীর নিচের দিকের এক ঘর থেকে কান্নার শব্দ ভেসে আসছিল,জাষ্টিন দেখলো একটা দরজা যার সামনে বেশ কিছু চেয়ার টেবিল রাখা আছে সম্ভবতঃ শব্দটা আসছে সেখান থেকেই।জাষ্টিনের মনে হলো যেন রোসালীর গলা,দরজার সামনের চেয়ার টেবিল সরানোর পর কেউ তাকে প্রশ্ন করলো, ‘তেরেসা,তুমি কি তেরেসা’?
জাষ্টিন অনেক কিছুই জিজ্ঞাসা করলো,তবে অস্পষ্ট যা তার কানে আসলো,তাতে এ টুকে বুঝতে পারলো ডাক্তার রদিন আর তার সহকর্মী ডাক্তার রম্বুয়া রোসালীর শরীরে কিছু পরীক্ষা নিরিক্ষা করার পরিকল্পনা করছে।অনেক খোঁজাখুঁজির পরও দরজার চাবি পেল না জাষ্টিন,তবে রোসালীকে আশ্বাস দিল চাবি নিয়ে সে ফিরে আসছে।আশ্বাস দিয়ে রোসালীকে বললো যেন আশা না হারায়,সে সরকারী অফিসে অভিযোগ করে তার মুক্তির ব্যাবস্থা শুধু না,অন্যান্যদের বিচারের ব্যাবস্থাও করবে।
রদিন আর তার বন্ধু রম্বাও দুজনে রাতের খাবারে ব্যাস্ত,জাষ্টিনের চেষ্টা ছিল যদি কোনভাবে তাদের গুপ্ত পরিকল্পনাটা জানতে পারে।সাধারণ ভাবেই আলাপ আলোচনা করছিল দুই ডাক্তার,‘মৃত মানুষ দিয়ে আমরা অনেক কিছুই শিখি,আরও অনেক কিছুই থেকে যায় অজানা। শরীর সমন্ধে ঠিকমত জানতে হলে,জানতে হবে একটা কমবয়সী মেয়ের শিরা উপশিরা,মাংসপেশী পরীক্ষা করে।তা হলেই সেটা পরিষ্কার ভাবে বোঝা সম্ভব,না হয় ওটা হবে আন্দাজ করে বলা’।
‘জানি না,বললে ঠিক হবে কি না জানি না,তবে তোমার মেয়েই এই পরীক্ষার জন্যে আর্দশ বিষয় বস্ত,খুশী হলাম জেনে শেষ পর্যন্ত তুমি মনস্থির করলে’,রম্বুয়া বললো।
‘তোমার কথা একেবারেই ঠিক,এটাও তুমি জান,আমি মনে করি এ সব সর্ম্পক আত্মীয়তার কথা ভেবে আমরা বিজ্ঞানকে পিছিয়ে দিতে পারি না।ভেবে দেখ মানবতার জন্যে কত মানুষ কত কিছু বির্সজন দিয়ে গেছে,সেখানে একটা ঠুনকো আত্মীয়তা কি?মাইকেল এঞ্জেলো যখন যীশুর ক্রুশের যন্ত্রনার ছবি আঁকছিল,যুবক যীশুর যন্ত্রনার কান্নায় ভেসে যায়নি সে,তার মনে ছিল অনুভুতির আবিষ্কার।আমিই বা ও ভাবে ভাবতে পারবো না কেন?ভেবে দেখ হোক না আমার মেয়ে আমি তাকে বির্সজন দিচ্ছি লক্ষ্য লক্ষ্য মানুষের জীবন রক্ষার জন্যে।এখানে ভাবার কি আছে’?
রম্বুয়া বললো,‘তোমার কথাগুলো একেবারেই যুক্তিযুক্ত।হাসপাতালের চাকরীতে তো আমি কম দেখিনি কত ধরণের পরীক্ষা নিরিক্ষা,সে তো মানুষের উপকারের স্বার্থে।এখানে আমরা যার কথা বলছি,হলোই না হয় তোমার মেয়ে’।
‘তুমি কি…আমার মেয়ে্…বলে।হাসালে কি বিরাট এক কারণ।আমার মনে সেটার জায়গা কোথায়?একজন প্রভু তার দেয়া জিনিষ সহজেই ফিরিয়ে নিতে পারে,এটাই আমার জানা।সন্তানকে বির্সজন দেয়ার পদ্ধতি নতুন কিছু না,চলে আসছে সেই আদিকাল থেকে।পারসিয়ান,আর্মেনিয়ান,গ্রীক সবার মধ্যেই এ ধরণের একটা চলন ছিল। এডোনির ড্রাইকাসের ছেলে লাইকারঘাসের রাজকীয় নিয়ম কানুন যা আমরা আজও মেনে চলি,সেখানে পরিষ্কার বলা আছে,বাবা মার সর্ম্পুন অধিকার আছে সন্তানসন্ততির উপরে,এটাও জানা বিকলাঙ্গ, নির্বোধ শিশুকে হত্যা করার অধিকারও আছে তাদের।এক সময় অনেক শিশুকে বাবা মারা মেরে ফেলতো জন্মের সাথে সাথে।তুমি তো জানই,ক্যাপ্টেন কুকের চোখে পড়ে প্রশান্ত মহাসাগরের দক্ষিন দিকের দ্বীপগুলোতে ও ধরণের প্রথা,যা লেখা আছে তার ভ্রমণ বৃত্তান্তে।এমন কি রোমের রুমালাসেরও Ius Vitae Necisque নিয়মে জানা যায়,বাবা মায়ের সন্তানের উপ্রে অধিকারের কথা।Lex Duodecim Tabularum রোমের বার টেবিলের নিয়ম কানুন কার না জানা,খ্রীষ্ট পুর্ব ৪৫০ এর দিকে প্লেবিয়ানরা লিখিত আইন কানুন দাবী করলো শাসকদের কাছে,দেখা যাচ্ছিল মৌখিক ভাবে প্রচলিত নিয়মে,ক্ষমতাশালীরা আইনের নামে ইচ্ছেমত নতুন নতুন নিয়ম কানুন বের করছে।রোমের আদেশে জন দশেক কমিশনার ঠিক হলো,যারা ঠিক করবে প্লেবিয়ানদয়ের লিখিত আইন যা প্রযোজ্য সবার জন্যে,সেখানে ছিল একই ধরণের শিশু হত্যার অনুমতি।এমন কি দার্শনিক এরিষ্টোটলের মতামতও ছিল একই ধরণের,সেনেকার ষ্টোয়িক মতবাদে আছে একই কথা,চীনে ছিল একই প্রথা,আজও আছে জায়গায় জায়গায়।প্রতিদিন হাজার হাজার শিশু ফেলে যায় বাবা মা,ফেলে যায় খালে জঙ্গলে,এম্ন কি আমাদের এই সভ্য দেশে শুধু দরকার একজন জজের অনুমোদন।তোমার জানা আছে হয়তো জুলিয়াস সিজারের চোখে পড়ে গাউল সম্প্রদায়ে বয়স্ক বাবা মা,ভাই বোনের হত্যার প্রচলন।আর ধর্মের পাঁচটা বই, ‘জেনেসিস,এক্সোডাস, লেভেটিসাস,নার্ম্বাস আর ডিউটোরোনোমির বেশ কয়েক জায়গায় লেখা আছে,বিশ্বাসী মানুষদেরও দুর্বল হত্যার নিয়ম।এমন কি ঈশ্বর নিজেই আব্রাহামকে সেই অনুমতি দেয়,তার ছেলেকে হত্যা করার।একজন আধুনিক লেখকের শিশুদের কাজ কর্মে অনেক অংশে নির্ভর করে জাতির উন্নতি,নিঃসন্দেহে একটা ভুল কথা।ভেবে দেখ অযথার এক যুদ্ধের জন্যে দেশ তার তিরিশ চল্লিশ হাজার মানুষকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়,পারবে না একজন বাবা,তার সন্তানকে উৎসর্গ করতে?অবিশ্বাস্য… একেবারেই অবিশ্বাস্য,আমাদের সব নিয়ম কানুন!বাবার সন্তানের উপরে অধিকার হলো প্রথম,অন্যান্য কোন কিছুর আগে।শুধু আমাদের এই ফ্রান্সের অন্ধ বিশ্বাসে ওটা আটকে আছে’।
কিছুক্ষন চুপ করে থাকার পর,আবার আরম্ভ করলো রদিন,‘আমি ঠিক বুঝে উঠতে পারিনা,যে বাবা সন্তানের জন্মের কারণ,কেন পারবে না তাকে দিতে মৃত্যুর স্বাদ?আমার জীবন,বেঁচে থাকাকে অনেক উচুতে স্থান করে দেই,আবার খুব সহজেই হাসিমুখে ঠেলে দেই মানুষকে মৃত্যুর মুখে।আমাদের কাছে বেঁচে থাকা হলো পুণ্যের চরম,সেখানে হত্যা,মৃত্যু হলো অপরাধের চরম।ধরে নেয়া যাক যদি কোন কিছুই ধ্বংস না হয়,তা হলে নতুন আসবে কোথা থেকে,আর জ্ঞান,সভ্যতার স্বার্থে অনেক বলিদান দরকার।আর মৃত্যু,হত্যা তো সেই একই পদ্ধতি,সেখানে ক্ষতিটা কোথায়,যাওয়া আসার নিয়ম তো বদলাবে না কখনও?আমার কাছে এটা একটা সহজ প্রশ্ন আমি মানবতার স্বার্থে আমার মেয়েকে বির্সজন দিচ্ছি।অপরাধ হবে সেটাই আমি যদি এই সুযোগের ব্যাবহার না করি’।
উত্তেজিত রম্বুয়া বললো, ‘তোমার কথা একেবারেই ঠিক।তোমার উদারতায় অবাক হচ্ছি আমি।আরও অবাক হচ্ছি,মানবতার প্রতি তোমার একনিষ্ঠ মনোভাব দেখে,যা তোমার স্নেহের চেয়েও অনেক বেশী’।
‘তোমার কথা শুনে অবাক হলাম রম্বুয়া,তুমি তো জান আমার বাড়ীর মেয়েদের আমি ব্যাবহার করি শুধু বিজ্ঞানের স্বার্থে,এখানে স্নেহ ভালবাসার কোন জায়গা নাই।ফ্রান্সের রাজা চিলপেরিকের চিন্তাধারা ছিল একই ধরণের,তার মতে পুরূষেরা মেয়েদের ব্যাবহার করবে ইচ্ছামত,তবে দরকার হলে তাদের ছুঁড়ে ফেলতে কোন দ্বিধা যেন না হয় তাদের।বেশ কটা বছর অনেক খেলা ভনিতা করে গেলাম,এখন সবকিছুর যথাযথ ব্যাবহারের সময়’।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:৩৯
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৭:৫৬

অনন্ত সেই ভালবাসার স্রোত



সময় চলেছে তার আপন খেয়ালে,
নদীর স্রোতেরা হারায় কালের বুকে;
আমি শুধু এক অনন্তকাল ধরে,
ডুবে আছি প্রিয়, তোমার চাওয়া পাওয়ার ওই সুখে।

বাহিরের সব নিয়ম চলুক তার মতো,
মহাবিশ্ব... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ের অবস্থা নিয়ে আলাদা গুরুত্ব দেয়া দরকার

লিখেছেন অপলক , ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৪৫



পাহাড়ীদের হাতে এখন প্রচুর টাকা। সে টাকার যোগান প্রত্যাক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে আমরা সমতলের জনগন দিয়েছি। পাহাড়ীরা এখন জাতীয় অর্থনীতিতে বিশাল ভূমিকা রাখছে। তাদের মাঝে প্রচুর উচ্চ শিক্ষিত... ...বাকিটুকু পড়ুন

চলার পথে ক্ষণিক দেখা – (১১)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১১:০২

পূর্বের পোস্টঃ ক্ষণিকের দেখা, মায়াময় এ ভুবনে -১০


অবশেষে আমার কিছু কথা শুনে ওরা হাসিতে ফেটে পড়লো। সবার মুখে ছিল উজ্জ্বল হাসি।

আজ দুপুরে একটি এলাকার মাসজিদ সংলগ্ন পুকুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

আজকের ডায়েরী- ২০২

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৯ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:০২



আমাদের চারপাশে অনেক কিছু আছে।
যা আমরা দেখতে পাই না। ব্যাকটেরিযয়া, ভাইরাস, ডার্ক ম্যাটার, অণু ও পরমাণুর কথা বলছি না। আমি বলছি, মৃত মানুষের কথা। প্রতিদিন বিশ্বে গড়ে দেড়... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রধানমন্ত্রী বিদেশে, আইনও কি সঙ্গে নিয়ে গেছেন ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ২:০৬


প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে গেলেই দেশ অশান্ত হয়ে ওঠে । সালাহউদ্দিন আহমেদের মতো স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকতে এমন পরিস্থিতি তৈরি হবে কেন? প্রধানমন্ত্রী দেশের বাইরে থাকলেই কিছু নেতাকর্মী যেন নিজেদের দেশের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×