এই যে সাহেব, আপনিই কি ফটোগ্রাফার?
আমি রাধা ও কৃষ্ঞের সাথে একটি ছবি তুলতে চাই।
রাধা থাকুন আমার বামে, কৃষ্ঞ ডানে
এবং আমি মাঝখানে। হ্যাঁ হ্যাঁ, ঠিক ওভাবে।
রাধা ঠাকুরুণ, একটু সরুন, প্লিজ।
দুজনের মাঝখানে আমাকে একটু জায়গা দিন।
দূর! আমাকে দিয়ে কিচ্ছু হবে না। অমন শক্ত হয়ে আছেন কেন?
তাহলে কিন্তু সবাই বলতে শুরু করবে আপনি তক্তা-ঠাকুরুন।
এসো, কাছে এসো, আমার কৃষ্ঞ ঠাকুর,
কাঁধে হাত রেখে গলা জড়িয়ে ধরো। এই তো বেশ, বেশ!
রাধা, আপনার ঈর্শা হচ্ছে! নিশ্চিন্ত থাকুন,
আমি বোম্বে ফেরার আগে আপনার কৃষ্ঞকে আপনার কাছে ফেরত দিয়ে যাবো।
এ ছবিতে চমৎকার সব রঙ দেবেন, বুঝলেন তো ফটোগ্রাফার সাহেব?
আমার শাড়ির রঙ হবে কিন্তু নীল, রাধারও তাই।
আমি এক চক্কর মেলা দেখে আসছি,
দোল খাবো চড়কি দোলনায়।
একটা কম্বলও কিনতে হবে আমার নিজের জন্যে,
আর সময় পেলে মৃত্যকূপে উঁকি মেরে দেখব।
এই আধঘন্টার মধ্যে ফিরে আসছি,
এর মধ্যে ছবিটা হয়ে যাবে নিশ্চয়, কী বলেন?
-অরুণ কোলাতকার (ভারত)।
*কবিতাটির পূর্ণ শিরোনাম: 'পুন্ধরপূরের পথে তীর্থযাত্রায় এক দেহপসারিণী বার্ষিক আশাধি মেলার ফটোগ্রাফারের তাঁবুতে'
সর্বশেষ এডিট : ২১ শে জুলাই, ২০১৬ রাত ১০:২৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




