এক নারীবাদী মহিলা তার নারী গৃহকর্মীর উপর অত্যাচার করে চিপায় পড়ে গেছে। মানুষজন তাকে ধুঁয়ে দিচ্ছে।
কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে, প্রচলিত নারীবাদ কি গৃহকর্মীকে নারী হিসেবে দেখে? না দেখে না। তাদের স্রেফ বুয়া হিসেবেই দেখে।আর বুয়ারা নারীমুক্তির নারী না, তারা কেবল অন্যের ঘরে কাজ করার জন্য।
প্রচলিত নারীবাদে,
- নারী স্বাধীনতা মানে শুধু বাইরের জগতে ধাপিয়ে বেড়ানো।
- সাংসারিক কাজে নারী অধিকার খর্বিত হয় এমন ভাবা নারীর অভাব নেই।
- ঘরের কাজ করার জন্যতো বিয়ে করেনি, এমন ধারণার নারীরও অভাব নেই।
- আবার অনেকে মনে করে পড়ালেখা করেছে কি ঘরের কাজ করার জন্য!
- সংসারের কাজে অনীহা কিন্তু মোটামুটি সংসারের কাজ সুপারভাইজ করতে বা কর্তৃত্ব খাটাতে আবার অত আপত্তি থাকে না তাদের।
এগুলো খুবই কমন ব্যাপার আজকাল।
আর এরকম ধ্যান ধারণা নিয়ে চলা নারীই যদি নারী গৃহকর্মীর উপর অত্যাচার করে তখন সেটা ডাবল স্ট্যান্ডার্ড। ওই মহিলা উচ্চ শিক্ষিত হুজুগে নারীবাদী ছাড়া কিছুই না। যারা নারী ক্ষমতায়ন বলতে শুধু শিক্ষিত নারীদের সুবিধাভোগকে বুঝে। অথচ শিক্ষিত হয়ে নিজে কিছু করার সামর্থ্য অর্জনেই যে তার ক্ষমতায়ন হয়েছে সেটা মানতে নারাজ তারা। আরেকজনের উপর কর্তৃত্বই তাররা ক্ষমতায়ন ভাবে।
স্বাভাবিকভাবেই সামর্থ্য থাকলে গৃহকর্মীর প্রয়োজন হয়। কিন্তু অবাক হওয়ার জায়গা এখানেই যে এই গৃহকর্মীরা প্রাপ্য সম্মান বা সম্মানী কিছুই পায় না। আর এই বিষয়ে কিভাবে ভালো কিছু করা যায় সেসব নিয়ে কাজ করতেও দেখা যায় না। হঠাৎ কোন অত্যাচার অথবা অত্যাচারে মারা যাওয়ার খবর আসলেই দু একদিন হাঁকডাক হয়।
তবে যে মেয়ের উপর অত্যাচার হয়েছে সে আসলেই স্মার্ট এবং এম্পাওরমেন্ট সে অর্জন করে নিয়েছে। এটা সম্ভব হয়েছে শিক্ষার জন্যই। আর তাছাড়া বর্তমান লকডাউন পরিস্থিতির জন্যই সে ওখানে গয়েছিলো যতটুক বুঝা যায়।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




