
দীর্ঘ ৩৪ বছর জামায়াতের নিয়ন্ত্রণে থাকার পর বাংলাদেশ সরকারের হস্তক্ষেপে বদলে গেল ইসলামী ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। ব্যাংক ব্যবস্থাপনায় এসেছে বড় ধরনের পরিবর্তন। বর্তমানে প্রায় ৬৭ হাজার কোটি টাকার আমানত এবং ৫৫ হাজার কোটি টাকার বিনিয়োগ থাকা ইসলামী ব্যাংকের লভ্যাংশ এতদিন কোথায় গেছে, কিভাবে খরচ হয়েছে তা খতিয়ে দেখার কথা ভাবছে সরকার। অন্যদিকে পর্ষদ পরিবর্তন হলেও আপাতত কর্মকর্তা ছাঁটাই করার পরিকল্পনা নেই ব্যাংকটির। যদি কারও বিরুদ্ধে গাড়ি পোড়ানোর অভিযোগ পাওয়া গেলে তাকে তাৎক্ষণিক বরখাস্ত করার ঘোষণা দিয়েছে ইসলামী ব্যাংকের বর্তমান পর্ষদ। ব্যাংকটির নতুন চেয়ারম্যান আরাস্তু খান জানিয়েছেন, এতদিন একটি বিশেষ দলের লোকদের কেবল নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তবে এখন থেকে নারী ও হিন্দুরাও ইসলামী ব্যাংকে নিয়োগ পাবেন। বলেন, পরিচালনা পর্ষদে খুব শীঘ্রই যোগ দিবেন নারী সদস্য। এছাড়া সিএসআরের অর্থ-অপব্যবহার রোধে কঠোর নীতি গ্রহণ করবে ইসলামী ব্যাংক। অনুমোদন ছাড়া কোন অর্থই ছাড় করা হবে না।
বাংলাদেশের সকল মানুষের আস্থার ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ পরিবর্তনের কারনে ব্যাংকটি ভবিষ্যৎ অনেক ক্ষতি হবে তা ভাবনার বিষয়। কারন সরকার যাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে তারা সরকার পক্ষের লোক। তাদের কাছ থেকে ব্যাংকের উন্নয়ন আশা করা যায় না।
সরকার প্রধান লক্ষে ইসলামী ব্যাংকে জামায়াত মুক্ত করা। ইসলামী ব্যাংক অন্যান্য ব্যাংকের মত অনিয়ম ও দুর্নীতিতে জরিয়ে গেলে সাধারন মানুষের আস্থার ব্যাংক হিসাবে সর্বশেষ ব্যাংক হিসাবে ধ্বংস হবে। ব্যাংকটি দুর্নীতিতে জরিয়ে গেল সাধারন মানুষ আর সরকার কোন কর্মকান্ড বিশ্বাস করবে না।
আমার লেখাটি কোন সরকার বিরোদ্ধে নয়। আমার অভিমত মাত্র।
সর্বশেষ এডিট : ১৪ ই জানুয়ারি, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:২৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



