somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রবাসি জন্য সরকারের দৃষ্টি আকর্ষন....

০৭ ই জুলাই, ২০১৭ সন্ধ্যা ৬:৫৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

পরিবার আমরা প্রবাসিদের পাশে না থাকলে যেন সরকার আমাদের পাশে থাকে। আমরা প্রবাসি আছি তারা কত সুখে আছি। দেশ থেকে প্রিয় জনের কল আসলে। জ্বর নিয়ে কাজ করার পর ও বলি ভাল আছি। কারন জ্বরের কথা জানতে পারলে তারা টেনশন করবে। কিন্তু দেশে যারা আছে মোবাইলে কথা বলার সময় অমুকের জ্বর তারাতারি টাকা পাঠাও টাকা নাই। গত মাসে বেতন পেয়ে নিজের খরচের টাকা সহ দেশে পাঠিয়ে দিয়েছি। এখন যে আর টাকা নাই দেশের মানুষ তা বুঝে না। এক সময় বন্দুদের কাছ থেকে সব টাকা ধার করে বাড়িতে টাকা পাঠিয়ে দেয়। পরের মাসে বেতন পেলে গত মাসে ধার করা বন্দুদের টাকা পরিশোধ করে যা থাকে তা দেশে পাঠালে বলে এই মাসে এত কম টাকা কেন? বাড়ির অন্য সদস্যরা বলে সে নিশ্চয় (খাটি বাংলা যা জুলা) করে। এইভাবে তিন চার বা দশ বছর সব টাকা দিয়ে, চাকুরির মেয়াদ শেষ করার পর দেশে যাবার পর তার জন্য কোন টাকা নেই। এখন সে কি করবে তার জীবনের সবচেয়ে মূল্যবান সময় প্রবাসের মাটিতে পার করে দিয়ে এখন তার হাত যে শূন্য। সে হয়ত দিন মুজুরের কাজ করতে বাধ্য। এক জন লোক দশ বার বছর বিদেশে থেকে কি পেল। কত জন প্রবাসে কাজ করে বাংলাদেশ সরকার জানে না। কিন্তু প্রবাসিদের পাঠানো রেমিটেন্সের টাকা দিয়ে দেশের উন্নয়ন হচ্ছে। কিন্তু দশ বছর সে মানবেতর জীবন যাপন করছে। যদি বাংলাদেশর সব প্রবাসীরা দেশে চলে আসে তাহলে দেশের কা অবস্থা হবে আপনি আমি চিন্তা করতে পারব না।
বিএমইটির তথ্য অনুসারে, ১৯৭৬ সাল থেকে চলতি ২০১৭ বছরের অক্টোবর পর্যন্ত মোট ৯৫ লাখ ৭০ হাজার ১১২ জন শ্রমিক প্রবাসে কাজ করা জন্য যায়। কিন্তু এর সংখ্যা আর বেশি হবে। ১ কোটি মানুষের উপর ৫ কোটি মানুষ নির্ভরশীল।
আমি মনে করি প্রবাসিদের জন্য সরকার এগিয়ে আসতে হবে। সকল প্রবাসিদের জন্য পেনশন চালু করা হক। যারা দশ বছরের অধিক প্রবাসে থাকবে তাদের জন্য তা প্রযোজ্য হবে। তার সকল প্রবাসীদের নাম নিবন্ধন করে তাদের মানবতের জীবন যাপন থেকে রক্ষা করতে হবে। পরিবারের লোকেরা চলে গেলে যেন সরকার তাদের পাশে দাড়ায়।
৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বাংলাদেশের টিভি চ্যানেলে তে কি দেখতে চাই না

লিখেছেন অপলক , ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৫৭



ওপার বাংলা আর এপার বাংলা মানে কোন দেশের কোন অঞ্চল বোঝায়, সেটা কমবেশি সবাই জানি। কিন্তু দু'বাংলার সংস্কৃতি বেশির ভাগটাই আলাদা। শব্দ উচ্চারন থেকে শুরু করে মন মানসিকতা, পোশাক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৩

ফিরে এসো অনুরাধা, ভেঙে দিয়ে সব বাঁধা....

শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন- ফিরতেই পারেন। তবে প্রশ্ন হলো, কীভাবে এবং কোন উদ্দেশ্যে?

বাংলাদেশে ফিরে আসা তাঁর জন্য অসম্ভব নয়। চাইলে তিনি দেশে ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা বাস করছি প্রচণ্ড রাজনৈতিক ভণ্ডামোর মধ্যে – হুমায়ুন আজাদ। কিছু কথা।

লিখেছেন অন্তর্জাল পরিব্রাজক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ৮:৩৮



ইংরেজিতে একটা শব্দ আছে সেটা হল plausible. যার একটা অর্থ হল “আপাতদৃষ্টিতে যুক্তিসঙ্গত”। হুমায়ুন আজাদের অনেক লেখার মধ্যে এ জিনিসটা পাওয়া যায়। এমনিতে হুমায়ুন আজাদ খুবই ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ ১৭ই মার্চ ১৯২০

লিখেছেন ইসিয়াক, ১৪ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪১




একটা সোনার ছোট্ট ছেলে জন্ম নিলো এই  দিনে,
স্বভাবগুনে স্থান পায় সে কোটি জনতার মনে।

সেই ছেলেটি জন্মেছিল টুঙ্গিপাড়া গ্রামে।
মুক্তিরই এক বার্তা নিয়ে এলো ধরাধামে।

অন্তরটি তাঁর বিশাল বড়ো,বুক ভর্তি  মায়া,
সব মায়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

হুলো বেড়াল

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৫ ই আগস্ট, ২০২৬ রাত ১:২৮


গ্রামের কাঁচা রাস্তা দিয়ে হাঁটছি। কোথাও মানুষের কোনো সাড়া-শব্দ নেই। মাঝেমধ্যে অবশ্য ঝিঁঝিঁ পোকা ডেকে যাচ্ছে। শব্দে কান ঝালাপালা। এত ঝিঁঝিঁ পোকা কোথা থেকে এলো?

দুটো জঙ্গল পেরিয়ে মূল সড়কে ওঠলাম।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×