somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

"সহস্র এক আরব্য রজনী"র 'শেষ রজনী'....

১৭ ই আগস্ট, ২০২২ সকাল ১০:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

"সহস্র এক আরব্য রজনী"র 'শেষ রজনী'.... (কঠোরভাবে প্রাপ্তস্কদের জন্য)

(এবার সহস্র এক আরব্য রজনীর 'শেষ রজনী' আমার মতো করে লিখে প্রকাশ করলাম। যদি ব্লগে অপ্রাপ্তবয়স্ক কেউ থাকেন তারা এই লেখা পড়বেন না। যদি ব্লগার বন্ধুদের সমর্থন পাই তাহলে মাঝের পর্ব থেকেও কয়েকটা পর্ব প্রকাশ করতে পারি)


একহাজার একতম কাহিনী শেষ হতে না হতেই শাহানশাহ্ শাহরিয়ার উল্লাসে হুঙ্কার দিয়ে উঠলেন-
"আলহামদুলিল্লাহ্ বেগম শেহেরজাদ! তোমার প্রাণদণ্ড মওকুব। তোমার বোন দিনরাজাদ, আমার ভাই শাহজামানের বিবি হবে"- বলেই শাহরিয়ার শেহেরজাদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়লেন.... তাঁর বেগমের ইচ্ছে অনিচ্ছের ধার তিনি কোনওদিনই ধারেননি। মর্দে মুমিন শাসিত সমাজে কোন মর্দই বা আওরাতের ইচ্ছা-অনিচ্ছার ধার ধারে? আওরতের জায়গা বরাবরই মর্দে মুমিনের নীচে। দ্রুত হাতে বেগমকে বিবসনা করে শাহনশা ঝটিতি উপগত হলেন। চুমু জাতীয় ন্যাকামি তার প্রবল পৌরুষ সইতে পারে না। আর, রমণকালে আওরত যন্ত্রণা না পেলে, ইনসান জমিনে জয়ধ্বজা প্রোথিত করে লাভ কী? সঙ্গম শেষে বেগমের সঙ্গে একটি কথাও না বলে নিদ্রায় ডুবে গেলেন বাদশা। ঘুম নেই অতৃপ্ত শেহেরজাদের চোখে। কিসসার কিম্মতে জিন্দেগী পাওয়ার পর তাঁর মনে হচ্ছে, এ যথেষ্ট নয়। আরও কিছু করার ছিল....

অগুনতি মুর্দা আওরত গোর থেকে উঠে এসে যেন তাঁকে সওয়াল করছে- আমাদের মওতের ইন্তেকাম কে নেবে? আমরা বিচার চাই। আসমানের গায়ে ইদের চাঁদ শায়িত অবস্থাতেই দেখতে পাচ্ছেন দুনিয়ার সেরা কিসসাওয়ালী। হঠাৎ তাঁর মনে হলো, চাঁদের আলোর রঙ তাজা খুনের মতো লাল। বাদশার দিকে একবার তাকালেন তিনি। রাতের পর রাত গল্প বলে গিয়ে ওই মর্দকে তিনি চেনাতে চেয়েছেন, মানুষের সম্পর্কের নানা রঙ; কামের হরেক কিসিমের খুশবু; মহব্বতের রকম-বেরকমের স্বাদ। বারবার করে বলতে চেয়েছেন, জীবন সুন্দর। হিংসা নির্বুদ্ধিতা, কোনও ফল হয়নি। এই মুহূর্তে নিদ্রিত পুরুষটি একটু আগে যখন তাঁকে ধর্ষণ করছিলেন, তখনই শেহেরজাদ বুঝে নিয়েছেন, তাঁর সহস্র এক রাত্রি ব্যাপী প্রয়াস, অরণ্যে রোদনে পরিণত হয়েছে। বর্বর, পেশিশক্তি নির্ভর, রুচিহীন, স্থূল এই পুরুষের কাছে বৈদগ্ধ অর্থহীন। এ কেবল পশুশক্তির ভাষাই বুঝবে। অস্ত্র, অস্ত্র চাই একটা।

জলতরঙ্গের আওয়াজ তুলে কে যেন হেসে উঠল। শেহেরজাদ চমকে তাকালেন। ছাদের কাছে, এক পা ভাঁজ করে শূন্যে ভাসছে এক অপরূপা যুবতী। সম্পূর্ণ নগ্ন। তার উত্তুঙ্গ স্তন, গুরু নিতম্ব, গভীর নাভি আর ক্ষীণ কটি দেখে রীতিমত ঈর্ষা অনুভব করলেন শেহেরজাদ। ঈষৎ তপ্ত কন্ঠে প্রশ্ন করলেন,
- কে তুমি?
- আমি জিনি ফিরদৌসী।
- কী চাই?
- একটা হাতিয়ারের কিসসা বলছি শোনো।

শেহেরজাদ আপত্তি করতে পারলেন না। জাদুভরী কন্ঠে বলে চলল ফিরদৌসীঃ
- সওদাগর আবদুল লতিফের বিবি শাবানার খুবসুরতির কথা তামাম বসরায় মশহুর ছিল। একদিন, জনাব লতিফকে বাগদাদ যেতে হলো। শাবানা ঘরে রইলেন। অনেক দিন থেকেই সুযোগ খুঁজছিল জহরত ব্যাপারী আবু হাসান। শাবানাকে তার চাই..... সমস্ত বাঁদি আর বান্দাকে ঘুষ খাইয়ে রেখেছিল সে। যেদিন আবদুল লতিফ রওয়ানা দিলেন। সেই রাতেই তাঁর বাড়ি হানা দিল সে। শাবানার খাস বাঁদি ফরিদা তাকে সঙ্গে করে পৌঁছে দিল শাবানার ঘরে। সাদা বিছানায় শুয়ে আছেন শাবানা। দরিন্দার মতো তাঁর ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ল আবু হাসান। আর, তাকে চমকে দিয়ে খিল খিল করে হেসে উঠলেন শাবানা। দু’হাতে তার মুখটা ধরে গাঢ় চুমু খেলেন একটা। কৌতুক তরলিত স্বরে বললেন,
- এতো জলদি কি মিঞা সাহেব? সারারাত পড়ে রয়েছে.....
শাবানার ঠোঁট নামল আবু হাসানের বুকে, পেটে, তাঁর হাতের মুঠোয় বন্দী হলো তার দৃঢ় পৌরুষ। আবেশে শরীর এলিয়ে চোখ বুজল আবু হাসান। ঠিক তখনই বালিশের নীচ থেকে কিরিচটা বার করে শাবানা তার গলার এদিক থেকে ওদিক চালিয়ে দিলেন।
আবার হাসল ফিরদৌসী।
-তোমার শরীর একা তোমার এবং তুমি চাইলে সেটাই তোমার অস্ত্র।


বাতাসে মিলিয়ে গেল জিনি। উঠে বসলেন শেহেরজাদ। ঠিক সেই মুহূর্তে চোখ মেললেন শাহরিয়র। তাঁর মুখে ফুটল কামনাবিহ্বল হাসি। আবার.... বেগমের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে তাঁর অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে চাইলেন বাদশা। কিন্তু, এই প্রথম তিনি বাধা পেলেন। দুই উরু কাঁচির মতো কোমরে জড়িয়ে তাঁকে চিৎ করে ফেললেন শাহারাজাদ। এখন তিনি শাহরিয়রের দেহের মধ্যস্থলে উপবিষ্টা।

অগ্নিশর্মা হলেন বাদশা। লা লা হাওলা ওয়া লা কুওয়াতা ইল্লাবিল্লাহ! আওরতের একি গুস্তাখি? কিন্তু, তাঁর বিবির চোখের দিকে চেয়ে দস্তুরমতো ভয় পেয়ে গেলেন শাহরিয়র। শেহেরজাদের চোখ ধ্বক ধ্বক করে জ্বলছে। বাঘিনীর মতো। খসমের ঠোঁটের ওপর ঠোঁট রেখে, মুখের ভেতর জিভ ঢোকালেন বেগম। ঠোঁট থেকে বুকে নেমে এল ঠোঁট, নাভিতে জিভ। হাতের মুঠোয় শাহনশার পৌরুষ ধারণ করে, তাকে শোষণ করলেন বেগম.....

....পরওয়ারদিগার! এসব হচ্ছে কী? এতো ইবলিশের আওরাত- এখনই একে কোতল করা উচিত! তলোয়ারটা হাত বাড়িয়ে নেবেন কিনা ভেবে ওঠার আগেই আশিরনখ কেঁপে উঠলেন বাদশা। অসহ্য সুখে তাঁর চোখ বন্ধ হয়ে গেল। ফুটন্ত শিরাজি সাগরে অবগাহন করছে তাঁরই ক্ষুদ্র প্রতিরূপ। এমন সুখতো তিনি আগে পাননি! তার মানে কি মেয়েদের সম্বন্ধে এ যাবৎকাল যা ভেবে এসেছেন তার বাইরেও নতুন কিছু আছে?

হঠাৎই, শাহরিয়ার খেয়াল করলেন, তিনি আর নড়তে পারছেন না। তাঁর হাত আর পা রেশমি রুমাল দিয়ে খাটের সঙ্গে বাঁধা। শেহেরজাদও তাঁর দেহের ওপর নেই। তিনি সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। দামী মসলিনের পোশাক পরনে। মাথায় তাজ। সবচেয়ে অস্বস্তির কারণ, তাঁর হাতে ধরা নাঙ্গা সামশের আর মুখে লেগে থাকা হাসিটা। তলোয়ারটা শাহরিয়ারের চিবুকে ছুঁইয়ে তিনি বললেন,
- এই হাজার দিনে অবস্থা আর আগের মতো নেই বাদশা সালামত্। দিনারজাদ আর তার আশিক হায়দর মক্তবে মক্তবে গিয়ে জানতে চেয়েছে, এক ব্যাভিচারিণীর অপরাধে এতগুলো মেয়ের প্রাণ নেওয়াটা কোন নীতিশাস্ত্র মতে ঘটেছে? আপনার ভাই-বউ নিজের শরীরের কথা শুনেছিলেন বলে আপনারা প্রতিদিন একটা করে মেয়ে বিয়ে করেছেন, রাতে তাদের শরীর খুঁড়েছেন, পরদিন গর্দান নিয়েছেন। তাদের ভালোবাসেননি, ভালোবাসার সুযোগও দেননি, দেহ মনের সংবাদ নেননি...

হাত পা বাঁধা অবস্থাতেই শ্বাপদের মতো দাঁত খিঁচোলেন শাহরিয়র।
- আরে পিশাচী! মেয়েদের আবার দেহ মন কী রে? পুরুষের চাহিদা মেটাতেই তাদের জন্ম!
- হাসালেন শাহরিয়র!

এই কয়েক মুহূর্ত আগেই, সুরতকালে আমি সক্রিয় হওয়া মাত্র, আপনি অসহায় ভাবে নিজেকে আমার হাতে সঁপে দিয়েছিলেন। চাইলে তখনই কতল্ করতে পারতাম। কিন্তু আমি খুনী নই। আপনার আর শাহজামানের বিচার হবে জনতার আদালতে। হ্যাঁ, শাহজামানও এই মুহূর্তে বন্দী। তাঁকে বন্দী করেছে আপনারই রক্ষীরা। নারীহত্যার ব্যসনে আপনারা রাজ্য শাসনে কিছুমাত্র মন দেননি। ফলে প্রজাপুঞ্জ আপনাদেরকে বাদশা বলে মানতে রাজী নয়। আমীর ওমরারা টাকা ছড়িয়ে কিনে নিয়েছেন সেনাবাহিনী। দু তিন বছর ধরে মাইনে পাইনি তারা। আপনারা ...আপনারা আসলে ভীষণ বোকা। না হলে বুঝতেন নারী পুরুষের সম্মিলিত দেহসুখে রমণ সম্পূর্ণ হয়। নারীরও শরীর আছে। তার খিদে আছে। আর আছে মন। এই হাজার রাত ধরে গল্প বলে গেছি, আর ভেবেছি আপনি বুঝবেন। নতুন নতুন গল্প বুনেছি যাতে আপনার বোধোদয় হয়। কিন্তু, বৃথা চেষ্টা। প্রতিরাতে আপনি আমায় ধর্ষণ করেছেন। নাঃ, প্রাক্তন সম্রাট শাহরিয়র। আপনি সর্বাঙ্গীণ অপদার্থ। আজকের রাতটা বন্দীশালায় থাকুন। কাল বিচার।

হাততালি দিলেন শেহেরজাদ। দু'জন মহাকায় হাবসী রক্ষী এসে দাঁড়ালো। তাদের মাঝখানে মুখ নীচু করে ঘর ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন শাহরিয়র - আরব্যরজনীর বাদশা।

তারপর,
ঘুম ভাঙল শেহেরজাদের। তলপেটে ভীষণ ব্যথা। বুকের ওপর কালসিটে। নৈমিত্তিক ধর্ষণ শেষে খাটের ওপ্রান্তে শুয়ে ঘুমোচ্ছেন শাহরিয়র। কদাকার মুখটা হাঁ হয়ে আছে। সমস্ত শরীর ভল্লুকের মতো লোমে ঢাকা স্ফীতোদর উঠছে নামছে। কুইচ্চা সাপের মাথার মতো পুরুষাঙ্গ নেতিয়ে পড়ে। কষ্ট করে উঠে বসলেন শেহেরজাদ। চকচকে তলোয়ারটা বাদশার মাথার কাছে। নিতে হবে ওটা। এত কাছে। এত দূরে। শেহেরজাদ হাত বাড়ালেন......


পুনশ্চঃ ২৪ মার্চ ২০২১ সহস্র এক আরব্য রজনী গল্পের পেছনের গল্প নিজের মতো করে লিখেছিলাম....তা নিয়ে একজন বিদগ্ধ ব্লগার প্রচারণা চালিয়ে ছিলেন "জুলভার্ন ব্লগটাকে পর্ণ সাইট বানিয়েছে".....

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই অক্টোবর, ২০২৪ বিকাল ৫:৩৭
১৮টি মন্তব্য ১৯টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বাসী মানব মনের উপর বিশুদ্ধ ও স্পষ্ট উচ্চারণে ক্বোরান পাঠের ঐশ্বরিক প্রভাব

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০৯

আমি গত প্রায় ১৮ বছর যাবত আমার বর্তমান এলাকায় বসবাস করছি। স্থানীয় মাসজিদটি আমার বাসা থেকে প্রায় চার মিনিটের মত হাঁটা পথে অবস্থিত বিধায় চেষ্টা থাকে দিনে যতবার সম্ভব, মাসজিদে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেঁচে আছি, বেঁচে আছি!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩



নতুন জেনারেশনের জ্ঞানগরিমায় যুগপৎ মুগ্ধ ও বিস্মিত হয়ে নিজেকে মনে হয় নিতান্তই জেনারেল!
তাহারা কতকিছু যে জানে, জানে না তাহারা যে জানে! তাবৎ দুনিয়ার খবর তাহাদের তালুর চিপায় নিদ্রামগ্ন!... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিসাব চোকানো - হরমুজ এবং মার্কিন আধিপত্যের অবসান

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১


ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা ইতিহাসে বিরল ও প্রভাবশালী ঘটনাগুলোর একটি। দীর্ঘদিন আমেরিকা ও তার মিত্ররা ইরানের উপর অর্থনৈতিক অবরোধ দিয়ে রেখেছে। হরমুজ প্রণালীকে অর্থনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ ২০২৪: অস্থিরতার অন্তরালে কী ছিল? লেখকীয় বিশ্লেষণ | সমসাময়িক রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩৫

ছবি

বাংলাদেশে ২০২৪: ক্ষমতার পালাবদল নাকি গোপন সমন্বিত পরিকল্পনা?

২০২৪ সালের আগস্ট- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অস্থির ও বিতর্কিত অধ্যায়। ঘটনাগুলোর ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করলে অনেকের কাছে এটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি র‍্যাপ সং কীভাবে সপ্তম শ্রেণীর বইয়ের কবিতা হলো ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:২৭


আজকে জুলাই আন্দোলনের একটা কবিতা পাঠ করলাম যেটা পড়ে মাথা হ্যাং হয়ে গেছে। এই কবিতা নাকি সপ্তম শ্রেণীর ‘সপ্তবর্ণা’ বইতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কবিতার নাম ‘সিঁথি’, লেখক হাসান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×