somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

জুলাই সনদঃ রাজনৈতিক নাটক.....

১৮ ই অক্টোবর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৪০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

জুলাই সনদঃ রাজনৈতিক নাট......

জুলাই সনদ নিয়ে যত হইচই, যত বাগাড়ম্বর- সব মিলিয়ে পুরো ঘটনাটা একটা সাজানো নাটক ছাড়া কিছুই নয়। এনসিপি-র ভূমিকাই তার সবচেয়ে স্পষ্ট উদাহরণ। “বলা হয়নি, জানানো হয়নি, আলোচনা হয়নি”- এই অভিযোগগুলো হতাশার শোনালেও বাস্তবে সবই সাজানো স্ক্রিপ্ট। যারা আজ নীতিকথা বলছেন, তারা সনদের লাইন-বাই-লাইন মুখস্থ জানেন; কেউ কেউ হয়তো গতরাতেই মাস্টারমাইন্ডের পায়ের কাছে বসে তা মুখে মুখে আওড়ে এসেছে।

অদ্ভুতভাবে, সবচেয়ে সততার পরিচয় দিয়েছে তথাকথিত বাওয়ামী ঘরানাই! কারণ তাদের বিশ্বাস আপা ফিরবেন, তাই তারা নিজেদের হাত ময়লা করতে রাজি হয়নি। কিন্তু বাকি যারা নাটকটা সাজাল, তারা জানে- “এসবে স্বাক্ষর করলেই কী, না করলেই বা কী?- এসবের ফুটা পয়সাও দাম নাই”- এটাই আসল সত্য।

বাস্তবতা হলো, জনগণের কাছে এসব সনদ বা সংবিধান সংশোধনের কোনো মূল্য নেই। মানুষ ভোট চায়, ন্যায়বিচার চায়, কাজ চায়- সনদ নয়। এই কাগজপত্রের দাম এখন কেজিদরেই মাপা যায়। দেশে এত আইন, সংবিধান, সংস্কার আর সংসদীয় বিবরণী আছে যে, সব একত্র করলে কাগজ দিয়েই সংসদ ভবনের মতো আরেকটা কপি ভবন বানানো সম্ভব।
কিন্তু পরিবর্তন?
শূন্য।

এই দেশে সমস্যা সনদে নয়, সমস্যা চরিত্রে। আমলাতন্ত্র এবং রাজনীতিবিদদের চরিত্র না বদলালে আগামী পঞ্চাশ বছরেও কিছু বদলাবে না। নৈতিকতা, দায়বোধ আর জবাবদিহিতাহীন রাজনীতি যতদিন থাকবে, ততদিন “পরিবর্তন” শব্দটা কেবল বক্তৃতার অলংকার হিসেবেই থাকবে।

তাই এসব BAL-ABAL এর সনদে স্বাক্ষর না করে যদি কেউ মদনমোহন তর্কালঙ্কারের কবিতায় স্বাক্ষর করত-
“সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারাদিন আমি যেন দেশের টুপকি না মারি”-
তাহলেই দেশটার হাজারগুণ ভালো হতো।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই অক্টোবর, ২০২৫ সন্ধ্যা ৬:৪০
৪টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

জীবনের গল্প- ১০১

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৫ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৫০



১। একজন মা (কোহিনূর) সারারাত ঘরের দরজা খুলে বসে থাকেন।
কারণ কেউ একজন এসে তাকে বস্তা ভরতি টাকা দিয়ে যাবে। গতকাল রাতের কথা। আমার বাসায় ফিরতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

চারদিকে অদ্ভুত নীরবতা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৫ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:৪০



নিশ্চিত গন্তব্যের দিকে ধেয়ে চলেছি।
ঊর্ধ্বলোক আর নিম্নের অতল অন্ধকার কোন জায়গায়,
সে নিয়ে আর চিন্তা কি!

প্রিয়ার আহবানে আমরা কতো কিছুই না করি!
এবারে প্রিয়ার আহবানে দিক-শূন্যই নাহয় হলাম!... ...বাকিটুকু পড়ুন

১৬ জুনের বিশ্বকাপ কড়চা

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৬ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:২৩

দারুণ একটা ম্যাচ হয়ে গেলো একটু আগে। মিসর দারুণ খেলেছে আজ। সালাহ নেমে যাওয়ার পরে তাদের খেলার ধার বেশ বেড়ে গিয়েছিলো বলে মনে হলো! কিন্তু, বেলজিয়ামের ফরোয়ার্ডদের পাসিং আর ড্রিবলিং... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমন্ত্রন পত্র থাকলে ভিসার দরকার কী! আপনি জানেন আমি কে?

লিখেছেন মাথা পাগলা, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৯:০০



ভারত বাংলাদেশের কোনো একজন গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানাতে চাইলে সেই আমন্ত্রণপত্র ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ হাইকমিশনে পাঠাবে। সেখান থেকে আমন্ত্রণপত্র যাবে সেই রাজনৈতিক ব্যক্তির ডিপার্টমেন্টে, তারপর তার কাছে। এরপর... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্পিকারকে নিরপেক্ষ হতেই হবে....

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৬ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৭

স্পিকারকে নিরপেক্ষ হতেই হবে....

দুইদিন আগে সংসদে ট্রেজারি বেঞ্চের একজন সদস্যের বক্তব্যকে কেন্দ্র করে বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের তীব্র আপত্তি ও উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। এমন অবস্থায় ডেপুটি স্পিকার অত্যন্ত দৃঢ়তা,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×