আমার জুনিয়র বন্ধু হেমন্ত খড়কা কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। সাংবাদিকতা বিভাগে পড়ে। ওর বয়স মাত্র ২২। টুকটাক লেখালেখি করে। অল্প কিছু আয়ও হয়। আমি তাকে বললাম, পাশ করার পরে লেখালেখি করো। আর এটা তোমার ভালোবাসার বয়স, প্রেম করার বয়স। আর পাহাড়ী মেয়েরা, যারা একটু ধনী পরিবারের, তারা তো খুবই সুন্দর। টি শার্ট আর আটশাট জিন্স পরে চুল ছেড়ে দিয়ে বিকেলের বাতাসে ঘুড়ে বেড়ায়। পাহাড়ের বাতাস খুবই পরিস্কার। ধুলোবালি একদম নেই। চুলে ময়লা লাগারও আশঙ্কা নেই। এ কারণে তোমাদের মেয়েরা কখনও চুল বাধে না। তাদের কাউকে খুঁজে নাও।
আমাকে হতাশ করে দিয়ে হেমন্ত জানালো, কাঠমান্ডুতে প্রেম করতে হলে অন্তত একটি মোটর সাইকেল লাগে। যে ছেলেদের মোটর সাইকেল নেই, তাদের ছেলেই মনে করে না মেয়েরা। নেপালের মেয়েরা মোটর সাইকেলে চেপে পাহাড়ের এখানে ওখানে ঘুরতে পছন্দ করে। তারা এটা খুব এনজয় করে। কিন্তু আমার মোটর সাইকেল নেই। আমার দিকে কোনো ললনা তাকায় না।
হেমন্তের কথায় এবার আমি কস্ট পেলাম। চিন্তা করছি ওর বাইকের জন্য কি ব্যবস্থা করা যায়। হেমন্ত আমার নেট বন্ধু। ছেলে হিসেবে সে খুবই ভালো। তবে নেপালের রাজনীতি সম্পর্কে সে মোটেই আগ্রহী নয়। গল্প, কবিতা লেখে। আমার মনে হয় প্রেম ট্রেম করলে ওর লেখালেখির জন্য সুবিধা হতো।
সর্বশেষ এডিট : ০৪ ঠা জুলাই, ২০০৭ দুপুর ২:৩২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


