somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিদ্যালয় অথবা ব্যবসালয়

০৭ ই জানুয়ারি, ২০২০ ভোর ৫:২৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

প্রসঙ্গত আহমদ ছফার কিছু লাইন প্রথমেই মনে পড়ে-“যে দেশে প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকেরা একবেলা খেতে পান, বেসরকারি স্কুলের শিক্ষকরা বেতন পান না, সে দেশে এক শ্রেণীর কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক কিভাবে বাড়ি-গাড়ির মালিক হতে পারেন? বাড়ি থাকাটা খারাপ নয়, কিন্তু যে টাকা দিয়ে ওসব করা হয়েছে, সে টাকা অর্জনের পদ্ধতিটাই সামগ্রিকভাবে শিক্ষক সমাজ এবং দেশের জনগনের স্বার্থের পরিপন্থী”।
স্বাধীনতা লাভের নিকটবর্তী সময়ের রচনা, কিন্তু সমাজের সামাজিক বৈষম্য ও একশ্রেণীয় মানুষের বৈরাচার দেখলে বোঝা যায় সেই পুরনো বক্তব্য বর্তমান সামজিক প্রেক্ষাপটেও খাটে- বরঞ্চ আরো যৌক্তিকভাবেই; দুর্নীতি আর স্বেচ্ছাচারিতার সঙ্গমে যে ভাগাড়ে নিমজ্জিত দেশ- সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে দেশের কঙ্কালিক কাঠামো আর্থ্রাইটিসের রোগীর মতোই ভঙ্গুর দশায়।
সমাজকে এক মানব শরীর কাঠামো হিসেবে ভেবেছিলেন হারবার্ট স্পেনসার- তার সমরৈখিক চিন্তা করলে আমার কাছে শিক্ষকরা কেন্দ্রীয়-মগজ; নির্ভাবনায় বলে দিতে পারি- কেননা সমাজের পথপ্রদর্শক তারাই- তারা ভুল রাস্তা দেখালে সমাজ বন্ধুর পথানুসরন করে মুখ থুবরে পড়তে বাধ্য; বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকেরা এই দলের অগ্রগামী মশাল নিয়ে আছেন- কেননা এই ধাপের পরেই একজন শিক্ষার্থী প্রবেশ করে তার মূল পেশাজীবনে যেখানে সরাসরি ভূমিকা রাখে সমাজের অঙ্গসঞ্চালন প্রক্রিয়ায়।
কিন্তূ সমাজের চিন্তাপ্রণালীস্বরুপ- পথনির্দেশক এইসব গুণীজন যখন নিজেরাই দুর্নীতির স্বেচ্ছাসঙ্গমের আত্মতৃপ্তিতে মুখর- যখন এদেরই কিয়দংশ আত্মসাৎ-জালিয়াতের ঝোলাভরে প্রকাশ্য নিলজ্জ কুকুরের মতো রাস্তায় নৈরাজ্যের এক্সিবিসনিজিমে মাতেন- আমাদের চুল টেনে, চোখ রগড়ে, গলা ছেঁড়ে প্রচারমাধ্যমের দ্বারস্থ হওয়া ছাড়া উপায় থাকে না- “কিন্তু হায়! সর্ষের অন্তরেই ভুত বিরাজ করিতেছে”- সমাজের এই ভগ্ন দশায় যাদের কর্তব্য সর্বাধিক সেই মেইন স্ট্রিম প্রচার মাধ্যমগুলোর প্রায়সবই নিজনিজ ভগাংকুর মর্দনে ব্যস্ত, তারা দিনে দুপুরে যেন টিনের চশমায় চোখ ঢেকে সুরক্ষিত শয্যায় নিমগ্ন সুখবোধ করেন।
যে দেশে একের পর এক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কর্মে অবহেলা, যথেচ্ছাচারের অভিযোগে নিয়ত শিক্ষার্থীরা তাদের কার্যালয় ঘেরাও করেন- যে দেশে উপাচার্যরা সোস্যাল মিডিয়ায় রঙরসের হট টপিক- সেই দেশে উপাচার্য হবার চেয়ে কঁদলী বৃক্ষের সহিত ফাঁস নেওয়া আমি অধিক পছন্দ করবো। কিন্তু এতো বৈরি পরিস্থিতিতেও এক একজন উপাচার্য হবার জন্যে আকুল তো বটেই বরং অতিমাত্রায় উৎসুক। তাদের এই ঔস্যুক্যের কারন বুঝতে হয়তো খুব চিন্তাশীল হতে হয় না। হয়তো এদের মধ্যে কতক সতত সৎ-নিষ্ঠাবান থাকবেন, হয়তো অনেকেই। কিন্তু এক গ্লাস সুপেয় জল দূষিত করতে ইউরিন স্যাম্পলের বোতল থেকে একফোঁটা ঢালাই যথেষ্ঠ; এজন্যেই আমার আজকের কিবোর্ডে বসা; অবশ্যই **খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়**, দক্ষিনবাংলা তথা পুরো দেশে অরাজনৈতিক একটি মহাবিদ্যাপীঠ(আলয়) হিসেবে সুপরিচিত- বিদ্যালয় বলবো নাকি ব্যবসালয়; সঙ্গত কারনে স্পষ্ট না আমার কাছে- ছাত্রদের দাবীদাওয়া বিষয়ক তুলে ধরা তথ্যাদি থেকে এমনই সংশয় মনে জাগতে বাধ্য হয়।

১। সাহিত্য প্রতিভা বিকাশের, রাজনৈতিক চিন্তাধারা মতামত প্রকাশের সবচেয়ে ভার্সাটাইল মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে বিশ্ববিদ্যালয় ম্যাগাজিন, ক্রোড়পত্র। কতখানিক স্বেচ্ছাচারি হলে কর্তৃপক্ষ তার উপরে অধ্যাদেশ জারি করতে পারে! যেন সেন্সর বোর্ড আরোপ করা সাহিত্যে, এমন শিক্ষিত শিক্ষকদের ডিগ্রীজাত প্রতিভায় আমি সোৎসাহে মুতে দিই! (রচনার ভাবগাম্ভীর্য নষ্ট করলাম- এইক্ষেত্রে কোমল চলে না, কড়ি লাগাতে হয়)।
২। শিক্ষার্থীদের মিটিং, মিছিল সে অরাজনৈতিকই হোক- কর্তৃপক্ষের সেন্সরের কাঁচি সেখানেও সদাতৎপর। এমনকি বিনোদন, বাদ্যযন্ত্র, সাংস্কৃতিক চর্চায়ও অনুমতি নিতে হবে প্রশাসনের- অপেক্ষায় আছি কবে শুনবো শিক্ষার্থীদের প্রাতঃকর্ম সমাধান করতে হলেও কর্তৃপক্ষের পরামর্শ নিয়ে দিনক্ষণ ধার্য করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এসে জিপার খুলে দিলে তবেই হবে বৈধ প্রাকৃতিক কর্ম- কিন্তু প্রকারান্তে উদগত উচ্ছিষ্ট তো তাদেরই কলুষিত করবে- এখনো যদি তাদের বোধোদেশে সুঁড়সুঁড়ি না পড়ে- যদি না জাগ্রত হয়।
কিন্তু এতো কষ্ট করে কেন এই ধামাচাপা দেবার চেষ্টা, লুকোচুপি ফিসফিস খ্যালা! - কি ই বা ধামাচাপা দিতে চায়! চাপা পড়া কবরের ফাঁকে যতোটুকু দেখা যায় তা থেকেই অন্তর্গত গোজামিল এর আকার আকৃতি সম্বন্ধে অল্পই ধারনা করা যাবে, ভেতরে ঘা হয়তো আরো দগদগে-

>পাঁচ বছরে ১২২.১২ শতকরা হারে বেড়েছে শিক্ষার্থীদের মাথাপিছু বেতন। ১২ থেকে ১৯ ব্যাচে বেতন ৭৯০ থেকে বেড়ে হয়েছে ৩২৮৬ টাকা মাথাপিছু। ভাবুন সমস্ত বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে কতটা বেড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়- কিন্তু যে খাতগুলোতে নিচ্ছে এই অর্থ কতটা বেড়েছ তার মান?
চিকিৎসা খাতে বেতন হয়েছে চারগুন। কিন্তু কি অবস্থা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল সেন্টারের- কোনো আধুনিক ইকুইপমেন্ট দূরে থাকুক এক্স-রে মেশিনও নেই, না আছে সার্বক্ষনিক চিকিৎসা সুবিধা নেই, জরুরি চিকিৎসার ডাক্তার নেই, নেই প্রয়োজনীয় মেডিসিন সরবরাহ ও সার্বক্ষনিক এ্যাম্বুলেন্স সুবিধা (তথ্য- শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপি)।
মেডিকেল সেন্টারের কথায় আসি- আমি ব্যক্তিগতভাবেই মাঝেমধ্যে খুবিতে কাজের ফাঁকে যাই- হাস্যকর ব্যাপার ওটা যে মেডিকেল সেন্টার তা ই আমি জানতাম না- ভাবতাম পুরনো পরিত্যাক্ত গীর্জা (ডিজাইনটা কতকটা তেমন)। বেশিরভাগ সময়ই নাকি থাকে বন্ধ। একটা অপ্রাসঙ্গিক মজার ঘটনা বলছি-
একদিন বি,এল কলেজের এক ভাইকে নিয়ে ঘুরছিলাম খুলনা বিশ্ববিধ্যালয়ের ক্যাম্পাসে- তখনো আমি ভাবতাম ওটা পুরনো গীর্জা, ভাইয়ের প্রস্রাব পাওয়ায় উনি গীর্জার (মেডিকেল সেন্টার) ময়দানে সেরে নিতে উদ্যত হন।
আমি- কি করেন মিয়া! ওদিকে তো গীর্জা, সাম্প্রদায়িক সহনশীলতা নাই আপনার!
ভাই- আচ্ছা ডান দিকে ফিরে
আমি- ভাই ডানে মসজিদ
ভাই- তাইলে উল্টা দিকে ফিরে করি
উল্টোদিকে ছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা ডিপার্টমেন্ট ভবন-
আমি উত্তরে বলেছিলাম- বিদ্যার দেবী সরস্বতী, এইটাও জায়েজ না।
ভাই জিপার টেনে আমাকে একটা কটু সম্বোধন করেছিলেন, যদিও গোটা ব্যাপারটাই মজার। কিছুদিন আগে যখন জানলাম ওটা মেডিকেল সেন্টার মজাটা আরো বেশি ছিলো।
যাহোক অন্য প্রসঙ্গে আসি, প্রসঙ্গ যদিও অগুনতি। পরিবহনেও বেতন চারগুনের বেশি বেড়েছে, লাইব্রেরি ফেসিলিটিতে পাঁচগুণ, মজার বিষয় যে প্রকাশনা ও সাংস্কৃতিক চর্চা নিয়ে এতো নিষেধাজ্ঞা সেখানেও ৬ গুন করে বেড়েছে বেতন। ধর্মীয় ৫ গুণ, ছাত্রকল্যান ও খেলাধুলা ৬ গুণ- যা অন্য সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তুলনায় বেশি।(তথ্য- খুবি শিক্ষার্থীদের প্রেরিত স্মারকলিপি)
>এতো এতো বেতনবৃদ্ধির পরেও দৃশ্যমান উন্নয়নের কোনো স্পষ্ট ছাপ নেই- ৬৯৬৫ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ৫টি হলে আসন সংখ্যা ২২০০(সূত্র-মানবজমিন ৩ নভেঃ ২০১৯); অনাবাসিক শিক্ষার্থীদেরও পরিশোধ করতে হয় বাধ্যতামূলক হল-ফি। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন আইন ১৯৯০ অনুযায়ী এ ব্যবস্থা করার দ্বায়িত্ব কর্তৃপক্ষের।
>এছাড়া আছে লাইব্রেরিতে স্থান ও বই সংক্রান্ট অপ্রতুলতা (অথচ এইখাতে বেতন বেড়েছে ৫ গুন), হলের রিডিং রুম ব্যবহারের সুযোগ না পাওয়া, ফিস্ট ইফতারি বাব্দ ৫৫০ টাকা জনপ্রতি নিলেও ব্যবস্থা না থাকা, গেস্টরুম নিষেধাজ্ঞা।
>ছাত্রীদের স্বাধীনতায় আরোপিত এমন কিছু দৃষ্টিকটু নিয়ম যা লিঙ্গবৈষমাই নির্দেশ করে। এমন অনেক বিষয় যা শিক্ষার্থীদের স্মারকটি একটু চোখে তুললেই স্পষ্ট বোঝা যায়।
>পরিবহন খাতেও অভিযোগ অপ্রতুল বাস, ফিটনেস নিয়ে সমস্যা, রুট নিয়ে সমস্যা, কর্মচারি শিক্ষার্থীদের একই বাস- সর্বোপরি শিক্ষার্থীদের বাস শিক্ষক ও কর্মচারিদের ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার(ক্যারে বাবা! কর্মচারিরা না হয় গরীব, তোরা তো*******)
>সাংস্কৃতিক চর্চা কেন্দ্র নেই, নেই প্রশিক্ষণ, যন্ত্রাংশ, সংগঠনগুলোতে নেই অর্থ বরাদ্দ ইত্যাদি।
>লাইব্রেরির কার্যসময় কম, ফি-দিন খোলা থাকে না, অপর্যাপ্ত বই, লাইব্রেরি কার্ড বাবদ উপরন্তু আলাদা করে ৫০০ টাকা জনপ্রতি।
>বিএনসিসি তে যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী দানেশ, বশেমুরপ্রবি কোনো অর্থ নিচ্ছে না সেখানে ধার্য ৪০০ টাকা জনপ্রতি- নেই দৃশ্যমান কোনো প্রশিক্ষণ।
>এছাড়া ধর্মীয়, ছাত্রকল্যান প্রভৃতি খাতেও শিক্ষার্থীদের বেশুমার অভিযোগ।

****এবার কাঠামোগত বড় অনিয়মের কথায় আসা যাক-
>জীবনানন্দ দাশ একাডেমিক ভবন নির্মাণ দুর্নীতি তদন্ত কমিটির রিপোর্টে দেখা যায় ছাদের পুরুত্বের চারটি স্যাম্পলে ডিজাইনে ৫.৫০ ইঞ্চির জায়গায় নমুনা ৩, ৩,৭৫, ৩.৭৫ ও ৪.৩ ইঞ্চি- এছাড়া আছে ফ্লোর স্ল্যাব ও রেট্রোফিটিং এর সমস্যা। কর্তৃপক্ষ তবুও বিশ্ববিদ্যালয়ের সবচেয়ে বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থীর পাঠদান চালিয়ে যাচ্ছে এই ক্রটিপূর্ণ ভবনে- ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নেই কোনো দৃশ্যমান ব্যবস্থা।
>এই ভবন সহ বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা ভবন, অপরাজিত হলে ঝুঁকিপূর্ণ বৈদ্যুতিক সংযোগ ও অন্যান্য খাতেও দুর্নীতি ও অর্থ লোপাটের প্রমাণ পাওয়া গেছে প্রকৌশলী পরীক্ষার প্রতিবেদনে। (তথ্য- স্মারকলিপি)
>নির্বাহী প্রকৌশলী রিপোর্টে শুধুমাত্র বঙ্গবন্ধু হলের বিদ্যুৎ সংযোগেই ১৩,৩০১,৫৫৩ টাকার অনিয়ম, একাডেমিক ভবন ৩ এ ৬০ লক্ষ, ছাত্র হল ভবনে ৮৭ লক্ষ টাকার দুর্নীতি হয়েছে।
 **এছাড়াও অন্যান্য হল, লাইব্রেরি, প্রশাসনিক ভবন নির্মানে কোটি কোটি টাকা লোপাটের স্বাক্ষরিত পত্র দিয়েছে দুদক।
এছাড়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযানের নামে ক্যাম্পাসের যত্রতত্র গাছ কাটছে প্রশাসন- এতো দুর্নীতিতেও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের কোনো ভ্রূক্ষেপন দেখি না- বরঞ্চ দেখি শিক্ষার্থীদের, যাদের কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ে শান্তিপূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত পরিবেশ পড়াশোনা করা। কবি জীবনানন্দ দাশের কয়েকটি লাইন মনে পড়ে-
“অদ্ভুত আঁধার এক এসেছে এ পৃথিবীতে আজ, যারা অন্ধ সবচেয়ে বেশি আজ চোখে দ্যাখে তারা; যাদের হৃদয়ে কোনো প্রেম নেই- প্রীতি নেই-করুনার আলোড়ন নেই, পৃথিবী অচল আজ তাদের সুপরামর্শ ছাড়া”।
প্রশাসনের কালক্ষেপনের পরেও সংবিধানে আস্থা রেখে যৌক্তিক পাঁচ দফা দাবীতে একাত্ব হয়েছে শিক্ষার্থীরা- বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এতেও টনক নড়ছে না। উপরন্তু মেইনস্ট্রিম মিডিয়া পত্রপত্রিকা ও টিভি চ্যানেলগুলোর প্রায় সবই যথারীতি ব্যঙের মতো শীতনিদ্রায় কাঁথায় তলে মুখ গুঁজে মূক ও বধির হয়ে আছে। আশাকরি, তাদেরও আশু বোধোদয় হবে- কেননা বিশ্ববিদ্যালয় জাতীয় সম্পদ গড়ার কারখানা- অবশ্যই সেখানকার সুষ্ঠু পরিবেশ রক্ষার ভার শিক্ষার্থীদের মতো তাদের উপরেও বর্তায়।
সর্বশেষ এডিট : ১৯ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৯:০৮
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

দুমুখোচিন্তা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:১৬

সব মৃত্যু গণনায় আসে না। রাজনৈতিক সহিংসতার একটি পুরনো নিয়ম আছে। মৃত্যু সমান মৃত্যু নয়। কোনো মৃত্যু পত্রিকার প্রথম পাতায় যায়, কোনো মৃত্যু জয়পুরহাটেই থেকে যায়। এই বাছাইটা দৈবাৎ হয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিটিজেন ভিজিল্যান্টি থেকে কালেমার মিছিল: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কতগুলো অশনি সংকেত - প্রথম পর্ব

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮


গত মাসে আমেরিকায় "সিটিজেন ভিজিল্যান্টি" নামে মুসলিম ও অভিবাসীবিদ্বেষী একটি সিনেমা মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি প্রথমদিকে দর্শকদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে যখন ইলন মাস্ক এক্স প্ল্যাটফর্মে তার ২৪ কোটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

'গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড' আন্দোলন কেন ব্যর্থ হলো

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১৩



মাও সে তুং-এর গৃহীত "গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড" (১৯৫৮-১৯৬০) আন্দোলনটি মূলত অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা, চরম অব্যবস্থাপনা এবং ভুল কৃষি নীতির কারণে মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ ফিরতে পারে, তবে…

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২০




১। ২০১২ থেকে সংঘটিত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১২ বছরের গু/ম, খু/ন, অ*পশাসন, গণতন্ত্র হ*ত্যা, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বং*স, দুর্নী*তি, বাকস্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের মাত্রা এমন চরমই ছিল যে, শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাসাগরের ধারের সেই ছোট্ট দ্বীপ সামোয়া এবং বিশ্বকাপ ফুটবল

লিখেছেন হাসান মাহবুব, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩২

বিশ্বকাপের এই মৌসুমে ফুটবল নিয়ে একটা দারুণ হার্ট লিফটিং মুভি দেখে ফেললাম - "Next Goal Wins"
গল্পটা আমেরিকান সামোয়ার জাতীয় ফুটবল দলকে নিয়ে। ২০০১ সালে অস্ট্রেলিয়ার কাছে ৩১-০ গোলে হেরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×