দিন কয়েক আগে দেশে ফিরছেন পেসার আল আমিন। বিকল্প হিসাবে অস্ট্রেলিয়া উড়ে গেছেন পেসার শফিউল ইসলাম। বিশ্বকাপ ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলের তরুণ পেসার আল আমিনের গতিবিধি সন্দেহ জনক বলে বিসিবি’র টিম ম্যানেজম্যান্টকে জানিয়েছিল আইসিসি নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার কিছু সদস্য (আকসু)। কিন্তু তার বিরুদ্ধে আভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগেই বিসিবি’র টিম ম্যানেজম্যান্ট তাকে দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। বিষয়টা ভাববার মতো। কেনো এমন হলো!!
দোষটা আসলে কার আল-আমিনের? নাকি এর পেছনে অন্য কেউ আছে!
আল আমিন যখন চেন্নাইতে নিজের বোলিং পরীক্ষা দিতে গিয়েছিল তখন থেকেই নাকি জুয়ারিদের সাথে তার উঠাবসা দেখা গেছে ॥ তাই বিষয়টা ক্রমশই রহস্যময়॥ তবে অবাক করা ব্যপার হলো এইমাত্র "মাছরাজ্ঞা" টিভিতে দেখলাম, গত ২৬ ফেব্রুয়ারী রাত ১টা ৩০ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের ০৮ হোয়ইটম্যান স্ট্রীটের ক্রাউন ক্যাসিনের জুয়ার আসরে দেখা গেছে খালেদ মাহমুদ সুজনকে।
এসময় তার সাথে ছিলেন অষ্ট্রেলিয়া প্রবাসী তিন যুবক। হাতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার নিয়ে ক্যাসিনো খেলায় তিনি মগ্ন ছিলেন বেশ ঘন্টা খানেক। এ সময় তিনি কালো জ্যাকেট ও পায়ে স্যান্ডেল পরে ছিলেন। ক্যাসিনোতে কঠোর নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও একজনের তোলা ছবিতে খালেদ মাহমুদ সুজনকে দেখা গেছে এবং সেই ছবি "মাছরাজ্ঞা" টিভিতে দেখলাম।
এর আগেও রাত জেগে ক্যাসিনোতে থাকার কারণে বাংলাদেশ-আফগানিস্তান ম্যাচ চলাকালে তিনি ঘুমিয়ে ছিলেন। ব্যাপারটি স্টার স্পোর্টসের চ্যানেলের মাধ্যমে পুরো বিশ্ব দেখেছে ম্যাচ চলার সময় সুজন বেঞ্চে ঘুমাচ্ছেন।
বিষয়টা খুবই উদ্দেগের!!!! আমাদের এতো ভালোবাসার ক্রিকেট কি ধ্বংস হয়ে যাবে??? ম্যাচ পাতানো নাকি অন্যকিছু!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



