একটা মানুষের এপিয়ারেন্স দেখে বড়জোর ধারণা করা যায় সে সুস্থ না অসুস্থ কিংবা তার মন ভালো না খারাপ। ব্যস, এটুকুই।
এমন অনেকেই আছে সমাজের সবার সাথে চলছে ফিরছে, স্বাভাবিক জীবনযাপন করছে অথচ ভেতরে ভেতরে হাজারো সমস্যায় সে জর্জরিত। কল্পনায়ও ধারনা করা অসম্ভব এমন সব যন্ত্রণা আর সংকট নিয়েও অনেকে হেসে খেলে বেড়ায় সবার সাথে। কাউকে দেখে তার ভেতরের ভয়াবহ যন্ত্রণা বা সমস্যা উপলব্ধি করা যায়না।
সেসব হতভাগ্য মানুষের ভেতরের হাহাকার, অসহনীয় কষ্টের ছিটেফোঁটাও যদি তার বাইরের রূপ দেখে বুঝা যেতো তাহলে অন্য মানুষেরাও হয়তো ভয়ে আর কষ্টে প্রায় পাগলে পরিণত হতো। সমাজে কোন সুস্থ মানুষ থাকতোনা তখন। যারা থাকতো তারা সবাই পরিণত হতো নিজের স্ট্রাগলিং লাইফের জন্যে কিংবা অন্যের স্টাগল আর সারকামটেন্সসেস উপলব্ধি করা মস্তিষ্ক বিকৃত এক মানব জাতি।
সৃষ্টিকর্তা তো ভূতভবিষ্যৎ জানন, তাই তিনি কারো এক্সটারনাল ভিউয়ে তার ইন্টারনালি প্রবাহমান সিডর,সুনামি কিংবা আইলার কোন উপস্থিতি বুঝার ব্যবস্থা করে দেননি।
হৃদয়ে এমন সিডর, সুনামি ধারণ করা মানুষটি হতে পারে আপনি, আমি কিংবা সে।
"হৃদয়ে রক্তক্ষরণ" এই ছোট কিন্তু বিস্তৃত অর্থ প্রকাশ করা শব্দটি কিভাবে কিংবা কে আর কেন প্রথম আবিষ্কার করেছিলো খুব জানতে ইচ্ছে করে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা আগস্ট, ২০১৬ বিকাল ৩:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




