somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

"হাইয়া আলাল ফালাহ" - "কল্যাণের পথে এসো"

২০ শে নভেম্বর, ২০১৪ ভোর ৬:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সত্যান্বেষী

"বাবা....আমি ফকির হইয়া তোমার কাছে আইছি বাবা! আমার উপর তুমি দয়া করো! আমি অক্ষম, লাচার, অসহায়....বাবা তুমি আমার উপরে তোমার রহমত বর্ষণ করো! আমারে একটা ছেলে দাও বাবা! আমারে একটা ছেলে দাআআআও!!!!!" (হাউমাউ করে কান্না।)
দেশের বিখ্যাত অলি আউলিয়াদের মাজার জিয়ারতে গেলে এমন দৃশ্য দেখা খুবই স্বাভাবিক।
আমরা সিলেটের ছেলে, যার আরেক নাম জালালাবাদ, মানে শাহ জালালের(রঃ) শহর। উপমহাদেশের বিখ্যাত আউলিয়া মামা ভাগ্নে হযরত শাহজালাল(রঃ) এবং হযরত শাহপরাণ(রঃ) তাঁদের আরও তিনশো ষাট আউলিয়ার সাথে এই শহরেই চিরনিদ্রায় শায়িত। বিশেষ এই দুই মাজারকে ঘিরেই সিলেট শহর গড়ে উঠেছিল, এবং শতাধিক মাজারের কারণে সিলেটকে আধ্যাত্মিক নগরীও বলা হয়ে থাকে।
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকেতো বটেই, এমনকি দূর বিদেশ থেকেও ভক্তেরা তাঁদের মাজার জিয়ারতে আসেন। কিন্তু যদি বলি যে 'শুধুই মাজার জিয়ারত' করতে আসা ইসলামে নিষিদ্ধ, তাহলে?
জ্বী, ইসলামে কবর পূজা নিষিদ্ধ। কেউ সিলেট শহর বেড়াতে এসে যদি মাজারে গিয়ে কেবল মৃতদের জন্য শুধুই আল্লাহর কাছে দোয়া করতে চান, সমস্যা নেই।সমস্যা বাঁধে যখন তাঁরা বিভিন্ন কাজের সাফল্যের জন্য সেখানে নানান মানত করে আসেন।
"আমার যদি পুত্র সন্তান হয়, তাহলে আমি মাজারে গিলাফ চড়াবো।"
"মাজারে সূতা বেঁধে গেলাম, হে বাবা শাহজালাল (রঃ) আমার মন বাসনা পূরণ করো!"
"তোমার দরবারে এসেছি বাবা! আমাকে তুমি খালি হাতে ফিরিয়ে দিও না!"
কেউ কেউ অতি ভক্তির চোটে মাজারে সিজদাহ দিয়ে বসেন। কেউ কেউ মাজার ত্যাগের সময়ে উল্টো দিক দিয়ে সিড়ি বেয়ে নামেন। বাবাকে "পাছা" দেখালে নাকি বিরাট বেয়াদবি হয়ে যাবে! যেখানে মানুষ কাবা ঘরকে পিছনে রেখে দিব্বি হেঁটে বেড়ান!
কেউ কেউ 'সিন্নির' জন্য রাখা ডেকচিগুলোকে চুমোয় চুমোয় ভিজিয়ে দেন।
রাতের বেলা মোমের আলোয় বিজলি বাতির কোনই প্রয়োজন পড়েনা।
গোল হয়ে বসে মিলাদ শরীফে সুর তোলেন, "আল্লাহুম্মা সল্লি আলা......."
এইরকম আরও কত কিছু যে চোখে পড়ে!
আমি শুধুই মামা ভাগ্নের মাজারের কথা বলছি। দেশের অন্যান্য মাজারের দৃশ্য আরও ভয়াবহ!
প্রকাশ্যে গাঁজার আসর বসে। গান বাজনার সাথে মেয়েদের অশ্লীল নাচের আসর বসে। জুয়ার আড্ডা হয়। সব অপরাধের উপর মাজারের তথা ইসলামী পর্দা টানিয়ে দেয়া হয়, তাতেই যেন সব হালাল হয়ে যায়। প্রশাসন কিছুই করতে পারে না। বাঁধা দিলে "নাস্তিক" গালি দিয়ে জনতার পিটুনি খেতে হবে।
শুধুই মাজারে নয়, ইসলামের সম্মান লুন্ঠিত হচ্ছে সব জায়গায়। শবে বরাত থেকে শুরু করে ঈদে মিলাদুন্নবী বা যেকোন মিলাদ মাহফিল, 'উরস' পালন ইত্যাদি বেদাত কর্মকান্ডের চর্চা, পীর ফকিরের পূজা ইত্যাদি চর্চার মধ্য দিয়ে কেবলই ইসলামেরই ক্ষতি সাধন হচ্ছে।
ধুতুরার বীজ বপন করে যেমন ল্যাংড়া আমের ফলন আশা করা যায় না তেমনি এইসব অপকর্মের মধ্য দিয়ে কোন কল্যাণ আশা করা সম্ভব নয়। ইসলাম শান্তির ধর্ম, কল্যাণের ধর্ম, কিন্তু এইসব কুকর্মকে ইসলামের লেবাস পড়ানো হচ্ছে বলে বাংলাদেশে আজ ইসলামের এই দূরবস্থা।
দলে দলে মানুষ মুরতাদ হচ্ছে, যারা ইসলাম ধর্মে স্থির আছেন, তাঁদের কয়জনই বা সহিহ শুদ্ধভাবে ইসলামী পথে আছেন? ঐ যে বললাম, যারা মাজারে গিয়ে সিজদা দিচ্ছেন, গিলাফ চড়াচ্ছেন, সূতা বাঁধছেন, সিন্নির হাড়িতে চুমু দিচ্ছেন - তাঁরা প্রত্যেকেইতো মুসলমান। কিন্তু এইসব কর্মকান্ডে কী তাঁদের ঈমান নষ্ট হয়ে যাচ্ছে না? তাঁদের থেকে তাঁদের ছেলে মেয়েরা এসব শিখছে - তাঁরাও এসব করবে, এবং তাঁদের বংশধরদেরও এমনটাই শিখাবে। জেনারেশনের পর জেনারেশন ধরে আমরা আমাদের দেশে 'কনফিউজড মুসলিম' পেয়েই যাব!
এরসাথে যোগ হয়েছে আরেকদলের, যারা মনে করেন ইসলাম একটি মধ্যযুগীয় ধর্ম। মুসলিম হলে কোনভাবেই আধুনিক হওয়া সম্ভব নয়। একজন লেখিকা দাবী করেন, ইসলাম ধর্ম টিকিয়ে রেখে 'নারী মুক্তি' সম্ভব নয়। মহিলার অজ্ঞানতায় আফসোস হয়। সেই সাথে তাকেও নির্দোষ বলতে ইচ্ছে করে, কারণ তিনি তার আশেপাশের এই কনফিউজড মুসলিম দেখেই এই জ্ঞানপ্রাপ্ত হয়েছেন। আল্লাহ যেন তাকে সঠিক পথ দেখান - তার জন্য আপাতত এইটাই আমাদের দোয়া।
আরেক দল আবার অতিরিক্ত ধার্মিক। তাঁদের বিশ্বাস, মুসলিম হলে অতি অবশ্যই ব্রিটেন আমেরিকার বিরোধিতা করতে হবে। চোখ বন্ধ করে সৌদিআরব-পাকিস্তান-আফগানিস্তানের সমর্থন করতে হবে। নাহলে ঈমান নষ্ট হয়ে যাবে। তাঁদেরকেও বুঝতে হবে ইসলামের সাথে পাশ্চাত্যের কোনই শত্রুতা নেই, এবং সৌদি সংবিধান আর 'ইসলাম' এক বস্তু নয়।
আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন। তিনি ছাড়া আর কেউ নেই আমাদের বাঁচাবার।
ইসলাম মানে কেবলই আল্লাহর বাণী (কুরআন) এবং তাঁর রাসূলের নির্দেশিত পথ (হাদিস) এবং এই দুইয়ের বাইরে আর কিছুই নয়।
ইসলাম বলে কেবল মাত্র আল্লাহ ছাড়া আর কারও কাছে মাথা নত (সিজদাহ) না করতে, এমনকি নবীজির (সঃ) সামনে পর্যন্ত সিজদাহ নিষেধ। সেখানে আমরা বাঁধানো মাজার দেখলেই সিজদায় ঝুঁকে পড়ি!
ইসলাম বলে, কারও যদি কিছু দেবার ক্ষমতা থাকে, তবে সেটা কেবলই আল্লাহর। আমরা কবরে শায়িত মৃত মানুষের কাছে ভিক্ষা চাই! তাও আবার সন্তান!
ইসলাম অশ্লীলতাকে কোন অবস্থাতেই প্রশ্রয় দেয় না - আমরা কোন ন্যাংটা পাগলকে দেখলে তার মানসিক চিকিৎসা না করিয়ে তাকে "বাবা" ডাকতে শুরু করি, এবং তার মৃত্যুর পরে তার কবরকে মাজার বানিয়ে মচ্ছব বসিয়ে দেই। নারায়ণগঞ্জে ল্যাংটা বাবার মাজার নামে নাকি একটা বিখ্যাত মাজারও আছে! আফসোস!
ইসলামে অকারনে একটা গাছ কাটাও নিষিদ্ধ, আমাদের দেশে মানুষ কেটে ইসলামের নাম দেয়া হয় - এবং আমরাও ইসলামকেই গালাগালি করি!
ইসলাম আরও অনেক কিছুই বলে - আমাদের সাধারণ বাংলাদেশীদের বেশিরভাগেরই যা অজানা।
আফসোস, আমাদের দেশে মুফতি ইসমাইল মেন্ক, উস্তাদ নোমান আলী খান, ড. ইয়াসির কাদ্বী, ড. জাকির নায়েক, আহমাদ দীদাত, ড. বিলাল ফিলিপ্স প্রমূখদের মতন ইসলামিক স্কলার নেই, যারা আমাদের ইসলামের প্রকৃত রূপ সম্পর্কে অবহিত করবেন।
আফসোস, বাংলাদেশে ইসলাম টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব কেবল জঙ্গিবাদীরাই নিয়েছে - যেখানে ইসলামে জঙ্গীবাদ পুরোপুরি হারাম।
সাধারণ মানুষ তাহলে কার কাছে যাবে? দেশে যেসব পীর ফকিররা আস্তানা খুলে বসেছে, তাদের শতকরা প্রায় একশো ভাগই ভন্ড! এরা স্রেফ সাধারণ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতিকে পুঁজি করে ব্যবসা করে যাচ্ছে। আর দেশের মাদ্রাসার শিক্ষা ব্যবস্থাও আধুনিক ও মান সম্মত নয়। তারা শুধুই কোরআন-হাদিস মুখস্ত করতে শিখে, সেসব ব্যাখ্যা করার ক্ষমতা বেশিরভাগেরই নেই।
একটা ছোট উদাহরণ দেই।
ছোটবেলায় এক হুজুর গল্প শোনাতে গিয়ে বলেছিলেন, "আদমকে (আঃ) যখন আল্লাহ নিষিদ্ধ ফল খেতে নিষেধ করেছিলেন, তখন হাওয়ার প্ররোচনায় আদম (আঃ) ফল খান, এবং তিনি স্বর্গ থেকে বহিষ্কৃত হয়ে পৃথিবীতে পতিত হন। "
স্বাভাবিকভাবেই, গল্পটি নারীজাতি সম্পর্কে একটা বিরূপ ধারনার জন্ম দেয়। যদি হাওয়া (আঃ) আদমকে (আঃ) ফল খেতে প্ররোচিত না করতেন, তাহলেতো আমরা স্বর্গেই থাকতাম!
মজার ব্যপার হচ্ছে, কোরআনে বলা হয়েছে, ইবলিস আদমকেই(আঃ) ফাঁদে ফেলে ফল খাইয়েছিল। হাওয়ার (আঃ) সাথে দূর দুরান্ত পর্যন্ত ফল খাওয়ার প্ররোচনার সম্পর্ক নেই। বিশ্বাস হয়না? পবিত্র কুরআনের সুরাহ বাকারা পড়ে ফেলুন, ওখানে বিস্তারিত লেখা আছে।
হাওয়ার(আঃ) সম্পর্কের কথাটি বাইবেল বলেছে, আমরা জানি যে বাইবেল বহুবার 'এডিট' করা হয়েছে!
ইসলামে নারীর সম্মান অনেক অনেক উঁচুতে। সমস্যা হচ্ছে, আমাদের মোল্লারা আরবি পড়ান ঠিকই, কিন্তু বাইবেলের গল্প শোনান। এবং সেটা শুনেই কেউ কেউ দাবী করেন, "ইসলাম থাকতে নারী মুক্তি সম্ভব নয়!"
কাজেই, সাধারণ মানুষদের প্রকৃত ইসলাম সম্পর্কে অবহিত করতেই আমাদের দুই বন্ধুর (আমি এবং সাজিদ, অ্যাডমিন sad but true পেজ) এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা।
"সত্যান্বেষী" (https://www.facebook.com/groups/shottyanweshi/) নামের গ্রুপ এবং পেজের (https://www.facebook.com/shottyanweshi) জন্ম এখানেই।
আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন স্কলারদের কাছ থেকে প্রাপ্ত জ্ঞান বাংলায় গল্প, কবিতা ও প্রবন্ধের মাধ্যমে লিখে লিখে আমরা সত্যান্বেষীদের কাছে নূরের বাণী পৌছে দেবার চেষ্টা করব।
এই গ্রুপ এবং পেজের একমাত্র লক্ষ্যই হবে প্রকৃত ইসলাম সম্পর্কে সবাইকে অবহিত করা এবং ইসলাম সম্পর্কে আমাদের যাবতীয় ভুলবুঝাবুঝি দূর করা। ইসলামকে সঠিকভাবে জেনে নেয়ার পর আপনি মুসলিম থাকুন, অথবা মুরতাদ হন, অথবা বিধর্মী থাকুন, সেটা সম্পূর্ণই আপনার ব্যপার। আমরা কাউকে জোরাজুরিতে নেই। সেটা আল্লাহও নিষেধ করেছেন। সুরাহ বাকারা, আয়াত ২৫৬ দেখে নিতে পারেন। আমরা স্রেফ পথের খোঁজ দিতে পারি শুধু।
আল্লাহ সুবহানাল্লাহু ওয়া তায়ালা আমাদের এই প্রচেষ্টাকে সফলকাম করুন।
আমীন!
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মের লেবাস নয়, শিশুর নিরাপত্তাই হোক আমাদের প্রথম দায়িত্ব!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১০:৫১

ধর্মের লেবাস নয়, শিশুর নিরাপত্তাই হোক আমাদের প্রথম দায়িত্ব!

একজন বাবা তাঁর ছয় বছরের কন্যাকে মাদ্রাসায় পাঠিয়েছিলেন দ্বীনি শিক্ষা, নৈতিকতা ও নিরাপদ ভবিষ্যতের আশায়। তিনি কি কখনো কল্পনা করেছিলেন, ধর্মীয় শিক্ষকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

সাধারণ মানুষের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৩ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২৯


যুক্তরাজ্যপ্রবাসী শওকত আলীকে ধন্যবাদ। তিনি একটি ট্যাবু ভেঙে দিয়েছেন। সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলায় জন্মদিন উপলক্ষে একটি বাউল গানের অনুষ্ঠানের আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন তিনি। এই খবর প্রচার হওয়ার পরপরই... ...বাকিটুকু পড়ুন

গাজীপুর থেকে কক্সবাজার: চার বাইকে ছয় সহকর্মীর ১৪ ঘণ্টার নাইট রাইড অ্যাডভেঞ্চার

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:০২


আমি শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, থাকি সাভার এলাকায়। ভ্রমণের নেশা আর মোটরসাইকেলের প্রতি ভালোবাসা আমার দীর্ঘদিনের। আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করব গাজীপুর থেকে কক্সবাজার হয়ে টেকনাফ ও শাহপরীর দ্বীপের দিকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

Personal Cancer Vaccine: আশার আলো দেখাচ্ছে

লিখেছেন কলাবাগান১, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ১০:৩২


আপনি কি কখনও চিন্তা করে দেখেছেন যে ক্যান্সার টিউমারকে কেন শরীর এর রোগ প্রতিরোগ করা ইমিউন সেল (যেমন টি সেল) একেবারে ধ্বংস করতে পারে না!!! যেখানে টি সেল... ...বাকিটুকু পড়ুন

শিশুর নিরাপত্তা কোনো প্রতিষ্ঠানের সুনামের চেয়ে বড়

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:০২



শিশুর নিরাপত্তা কোনো প্রতিষ্ঠানের সুনামের চেয়ে বড়

গতকাল এক বাবার ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। অভিযোগ, তাঁর মেয়েকে একটি মাদ্রাসার ভাইস প্রিন্সিপাল যৌন নিপীড়ন করেছেন। বাবার প্রতিক্রিয়া সঠিক ছিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

×