
এই বিদ্রোহ পুর্বপরিকল্পিত ছিল,
তবে এজাবৎ বিভিন্ন তদন্তে এবং সেনা তদন্তে বিদ্রোহের কারণ সম্পর্কে জওয়ানদের নানা ক্ষোভের কথা বলা হলেও নৃশংস হত্যাকাণ্ডের উদ্দেশ্য বা কারন স্পষ্ট হয়নি। বিদ্রোহ পরিকল্পিত হলেও হত্যাকান্ড মোটেই পুর্ব পরিকল্পিত ছিলনা।
অল্প কয়েকজন হটকারি বিদ্রোহী সৈনিক এই হত্যাকান্ড ঘটিয়েছিল।
সুপরিকল্পিত নাসকতা হলে ৫৭ জনকে হত্যার পর বাকি বন্দি ১০০ জন সেনা কর্মকর্তাকে বাঁচিয়ে রাখার কোন কারনই ছিলনা।
সুপরিকল্পিত হত্যাকান্ড হলে আনাড়িদের মত লাশ লুকানোর চেষ্টা করে দুইদিন সময় নষ্ট করত না।
ফালতু নিগোসিয়েশন করে আরো একদিন সময় নষ্ট করে আনাড়ির মত ধরা পরত না।
খুনিদের নেতা সহিদ,সেলিম, হাফিজ ও ডিএডি তৌহিদ সহ সকল খুনিই ধরা পরেছে। অভিযুক্ত মাত্র একজন পলাতক।
আর ১৯ জন সাধারন বিডিআর সদস্য পলাতক বা নিখোজ।
বিচার শেষ হয়েছে। ওপেন আদালতে শুনানি হয়েছে, অভিযুক্তদের বক্তব্য শোনা হয়েছে।
বাহিরের বা অন্য কারো প্ররচনা-ষড়যন্ত্র থাকলে এতদিনে তা প্রকাশ হতই।। ফাঁসির আসামি মৃত্যুর আগে কখনোই কথা লুকিয়ে মিথ্যে বলে নিজের জীবন বিপন্ন করে না, করবে না।
বিচার শেষ হয়ে রায় হয়েছে। ১৫২ জনের ফাঁসির আদেশ হলেও বেকোসুর খালাস পেয়েছেন ২৭১ জন। আরো কয়েকটি সম্পুরক মামলা চলছে, মামলা উচ্চাদালতেও যাবে।
কোন ষড়যন্ত্র বা নেপত্থে কেউ থাকলে এতদিনে তা প্রকাশ পেত। সত্য একদিন বেরিয়ে আসবেই।
এ নিয়ে কয়েক বছর আগে এই ব্লগে আমার ৩টি ধারাবাহিক লেখা পড়ুন।
কি ঘটেছিল সেদিন দরবার হলে.?
বিডিআর বিদ্রোহ। উদ্ধার পর্ব, যে কারনে সেনা অভিযান সম্ভব হয়নি
জেনারেল সাকিলের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট, কিছু সত্য বেরিয়ে আসা
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ সকাল ৯:৫২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


