
প্রবাসি শ্রমিকদের কষ্টার্জিত ডলারে বিদেশী পেয়াজ এনে উদরপুর্তি করা বিলাসিতা ছাড়া কিছু না।
আর বিমান ভাড়া করে পিয়াজ আনা স্টুপিড আইডিয়া।
পেয়াজ কোন জীবনরক্ষাকারি কোন খাদ্য নয়। পেয়াজ আমদানি শুল্ক ২০০% করা উচিত।
আর এই বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের অর্থ দিয়ে দেশী পেয়াজ চাষিদের ঋন সার ও ভর্তুকি দিয়ে, হীমাগার তৈরি করে পিয়াজ চাষিদের উৎসাহি করতে হবে।
ভারত বাংলাদেশিকে কাঁটাতার দিয়ে ঘিরে গরু রপ্তানি বন্ধ করার পর আমদের দেশ কয়েক বছরের ভেতর গরুতে অনেকটা স্বয়ংসম্পূর্ণ। ছাগলেও, পেয়াজেও হবে।
জোড় পুর্বক ডলার খরচ করে পেয়াজেরমুল্য কমানোর কোন মানে হয় না। পেয়াজ তো চাল-ডালের মত জরুরি না। এখন রমজান মাসও না।
দেশী পেয়াজ চাষিদের বাঁচাতে হবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



