somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

রিজভী বনাম পুলিশ । চোর-পুলিশ খেলা..............হ্যা হ্যা হ্যা চরম বিনুদন

০৯ ই নভেম্বর, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কখনো স্বেচ্ছাবন্দী ও কখনো পালানো। ভীরু রাজনীতিবিদদের জন্য আদর্শ হয়ে উঠছেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। গত শুক্রবার বিএনপির কার্যালয় থেকে জাতীয় প্রেসক্লাব আবার জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে অজ্ঞাত স্থানে। সেখান থেকে আবার বিএনপি অফিসে আসার পলায়নপর কাহিনী নিয়ে রয়েছে নানা মুখরোচক আলোচনা। খাসখবরের অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে তার এই কাহিনী।

বিএনপির জাতীয় নেতাদের ধাড়পাকড় শুরুর পর বিএনপির যুগ্ন মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী শুক্রবার সন্ধ্যায় পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে নয়াপল্টনের কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে বের হয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে আসেন। এরপর তিনি রাত ১০টায় সাংবাদিক সম্মেলন করে আটক জাতীয় নেতাদের মুক্তি দাবি করেন অন্যথায় আরো কঠোর কর্মসুচি দেয়ার হুমকি দেন। এ সময়ে বিপুল সংখ্যক পুলিশ জাতীয় প্রেসক্লাব ঘিরে রাখলে সেখানেই অবস্থান করেন তিনি।

বরাবরের মতো জাতীয় প্রেসক্লাবের নেতৃত্ব বিএনপি সমর্থিত সাংবাদিকদের হাতে। সেখানে আশ্রয় পেতে বেগ পেতে হয়নি তার। উল্টো নানা গল্প-গুজবে সময় কাটিয়ে দেন তিনি। রাত গভীর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পুলিশও রণে ভঙ্গ দেন। রিজভী বের হবেন না মনে করে নিরাপত্তা টহল কিছুটা শিথিল করা হয়। আর এ সুযোগটিই নেন তিনি।

সাংবাদিক ও প্রেসক্লাবের কর্মীদের সহায়তায় রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে প্রেসক্লাবের পূর্বগেট দিয়ে একটি গাড়িতে উঠেন। কিন্তু পুলিশ যখন তাকে দেখতে পায় ততক্ষণে রিজভী আহমেদ প্রেসক্লাব এলাকা অতিক্রম করে নয়াপল্টন বিএনপি কার্যালয়ের দিকে অগ্রসর হন।
রিজভী আহমেদ প্রেসক্লাব থেকে তার গাড়িতে ওঠেন সেসময় সেখানে দায়িত্বরত পুলিশ ধর ধর করে তিনটি গাড়ি নিয়ে তাকে ধাওয়া করলেও তাকে ধরতে পারেননি।

প্রেসক্লাব থেকে নয়াপল্টন ও শান্তিনগরের কোন এক যুব নেতার বাসায় আশ্রয় নেন তিনি। সেখানেও বেশি সময় অপেক্ষা করেননি তিনি। গোপন আশ্রয় থেকে ভোর ৬টার আগেই পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে আবার নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ঢুকে পড়েন।
পুলিশ রিজভীর এই লুকোচুরি খেলার মধ্যে তিনি নিরাপদে দলীয় কার্যালয়ে এখনো অবস্থান করছেন। এর আগেও তিনি দলীয় কার্যালয়ে প্রায় ২ মাস স্বেচ্ছাবন্দী ছিলেন।
এদিকে রিজভী আহমেদ দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেন তার গাড়ি লক্ষে করে পুলিশের যেভাবে এবং যে গতিতে তাকে ধাওয়া করেছে সেখানে তার প্রাণ বিপন্ন হওয়ার সম্ভাবনা ছিলো। তিনি নিজের জীবন, দলের নেতাকর্মী, চেয়ারপারসনের কার্যালয় ও নয়াপল্টন দলীয় কার্যালয়ের নিরাপত্তা দাবি করেন।

৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অভিনব প্রতারনা - ডিজিটাল প্রতারক

লিখেছেন শোভন শামস, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১৮



একটি সাম্প্রতিক সত্য ঘটনা।
মোবাইল ফোনে কল আসল, একটা গোয়েন্দা সংস্থার ছবি এবং পদবী সহ। এই নাম্বার সেভ করা না, আননোন নাম্বার। ফোন ধরলাম। বলল আপনার এই নাম্বার ব্যবহার করে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আগে নিজেকে বদলে দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪১



"আমার স্বামী সংসারের কুটোটাও নাড়ান না। যেখানকার জিনিস সেখানে রাখেন না। মুজা খুলে ছুঁড়ে যেখানে সেখানে ফেলে দেন। নিজেকে পরিষ্কার রাখতে বারবার ভুল করেন! এতো বছর বিবাহিত জীবন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৪:২৪



একসময় আমাদের গ্রামটা খাটি গ্রাম ছিলো।
একদম আসল গ্রাম। খাল-বিল ছিলো, প্রায় সব বাড়িতেই পুকুর ছিলো, গোয়াল ঘর ছিলো, পুরো বাড়ির চারপাশ জুড়ে অনেক গাছপালা ছিলো। বারো মাস... ...বাকিটুকু পড়ুন

×