
প্রতিদিন সকালে ঘুম ভেঙে গেলে
যখন হাত ঘড়িটা কাছে এনে দেখি
তখন বুকের ভেতরটা ছ্যাৎ করে উঠে
প্রায় দিন অফিসের ঘন্টা পনের মিনিট বাকি থাকে।
বিবি তখন ব্যস্ত সকালের ঘুম নিয়ে
দশটার আগে তার ঘুম ভাঙে না।
এই ঘন্টা পনের মিনিটে
আমাকে অনেক কাজ সারতে হয়
নাস্তা বানিয়ে খেয়ে ফ্রেস হয়ে
অফিসে যেতে প্রায় লেট হয়।
অফিসের কলিগরা আমার নাম দিয়েছে লেট কুমার
কেন লেট করেন?
এ প্রশ্নের সম্মুখীন প্রায় হতে হয়
তাকিয়ে শুধু মুচকি হাসি দেওয়া ছাড়া
উত্তরটা দেওয়া হয়না কখনও।
বেতন যা পায়
তা দিয়ে সংসার চালাতেই হিমসিম খাই
তার উপর আবার বিবির বাহারি বায়না
দিতে পারলে ভাল
না দিতে পারলে বিবির মূখটা হয় কালো।
আমার বাসায় আত্বীয় আসে যা
সবই বিবির পক্ষের
আমার নিজের আত্বীয় বিবির চক্ষুশূল।
জীবনে চলার পথে
আামার চাহিদা নিতান্তই কম
আর বিবির চাহিদা অন্তহীন।
সংসারে যা কিছু হয় সব বিবির হুকুমেই
রোজ বিবির ঝাড়ি আর মূখ ঝামটি খেয়েই চলেছি
এই সংসারে আমি এক নির্যাতিত পুরুষ!
>>কবিতা কিনা জানিনা তবে লেখাটি লিখেছিলাম ১০ বছর আগে মনে হয়।
কি মনে করে লিখেছি সেটাও মনে নেই। তবে আমাদের সমাজে নির্যাতিত পূরুষের সংখ্যা কিন্তু কম নয়।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:৩১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



