somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

অপবাক-এর "হতবাক", "সমালোচক"-এর সমালোচনা ও আমার ভাবনা।

১৫ ই জানুয়ারি, ২০০৬ সকাল ৯:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভেবেছিলাম ভূলেযাব, বাদ দেব। কিন্তুু ভুলতে দিল কই? আমার 10ই জানুয়ারি হতে 14 ই জানুয়ারি পর্যন্ত লেখার সমীক্ষার বিপরীতে প্রাপ্ত অপবাক-এর কমেন্ট এবং সমালোচক-এর সমালোচনা আমাকে আবার পূর্বের বিষয় নিয়ে লিখতে বাধ্য করছে।

প্রথমেই বলা দরকার আমার প্রতি সমালোচকের কথাবাতর্াযে একতরফা এবং লাগামহীন তার প্রমাণ পেলাম আজকে। সরাসরি আমাকে " সমালোচকের সমালোচক" হিসাবে আখ্যায়িত করে সে নিজেকে অযৈক্তিক যুক্তিবাদী এবং তথাকথিত সমালোচক হিসাবে জাহির করতে
ব্যাস্ত। আমার "অবশেষে মডারেটর"- এই লেখার
মন্তব্য গুলোতে, মঈনের বাবা, মঈনের মা, মঈনের মামা, মঈনের বউ ইত্যাদি এমনকি মঈন নাম নিয়ে কমেন্ট পোষ্টিং অবশ্যই প্রমাণ করে যে, আমার বিরুদ্ধে যেই একদল লোক এই নেক্কারজনক কাজগুলো করছে তারাই "সমালোচকের সমালোচক" ইউসার তৈরী করে প্রমাণ করতে চেয়েছে যে, এটা আমি বা আমার সমর্থনভুক্ত কেউ তৈরী করে সমালোচককে অপদস্ত করতে চাই। কার্যত তারা সফল কারণ, কোন রকম প্রমাণ বা ভেরিফিকেশন ছাড়াই, সরাসরি সমালোচক আমাকে ঐ ইউসারের দাবিদার বলে দোষারোপ করেছেন। এই ভদ্রলোক অন্যের সমালোচনা করার জন্য এই সাইটে এসেছেন কিন্তুু নিজের সমালোচনা শোনার জন্য প্রস্তুত নন যা আমি আগে বলেছি, কাজেই ব্যাক্তিগতভাবে আমি সমালোচককে আমার ইগনোর লিষ্টে পুট করলাম। পাগলা কুকুরের সামনে রুটি ছিটালে তারা যা করতে থাকে, এক গাদা লেখা নিয়ে সমালোচকও তাই করতে থাকুক।

অপবাককে বলছি: আপনার মূল্যবান পরামর্শ অনুযায়ী অনেকক্ষন পর লিখছি!! এর মধ্যে আমি অন্যান্য দিনের তুলনায় একটু বেশীই ঘুমিয়েছি বিশ্বাস করুন, কাজেই ভাববেন না যে, আমার মাথা গরম আছে। আপনার কথা আমি ঠান্ডা মাথায় কেন, সাধারনভাবে পড়েই বুঝতে পেরেছি। আপনার ধারনা, আমার কথা কেউ না মেনে নিলেই আমি তাকে "লুসার" হিসাবে আখ্যায়িত করি, রেগে যাই এবং আমি যা বলি তাই নাকি ঠিক! এই প্রসঙ্গে বলে রাখি একজন কনিষ্ঠ লেখক 20 বছরের তরুণ শাওন-এর লেখাটি পড়েছেন তো? পড়ে থাকলে আপনি আপনার জন্য তা ইম্প্লিমেন্ট করুন, আমিও করব চিন্তা করবেন না। আমি বার বার বলতে চেয়েছি "রাজাকার" শব্দটির সাথে আমার ব্যক্তিগত কোন রকম সহযোগিতা নেই যা আমাকে উত্তেজিত হতে বাধ্য করেছে। আর আপনি বললেন আমার পোষ্টিং-এর দায়দায়িত্ত্ব (যা সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ছিল) নাকি আমাকে নিতেই হবে যদিও আলোচনায় রাজনীতি বা রাজাকার জাতীয় সেনসেটিভ বিষয়গুলোর অবতারণা আমি ঘটায়নি। 1971 সালের ডিসেম্বর মাসে আমার চাচা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক থাকা কালীণ অবস্থায় রাজাকারদের সরাসরি সহযোগিতায় 14ই ডিসেম্বর-এর পূবের্ই নিহত হন। 16 ই ডিসেম্বর যদি দেশ স্বাধীন না হতো, তাহলে 17ই ডিসেম্বরে আমার তৎকালীন চাকুরীরত পিতাসহ আরো অনেককেই হত্যা করে ফেলা হত ওনাদের প্রতিষ্ঠান প্রধানের মদদদ্বারা, যিনি ছিলেন একজন বাঙ্গালী, এবং অবশ্যই রাজাকার। ঐ প্রতিষ্ঠানের প্রধান পরবর্তীতে পাকিস্থানে পালিয়ে যান এবং বর্তমানে লন্ডন প্রবাসী। 18ই ডিসেম্বর 1971 এ, অফিসে গিয়ে আমার ম্যানেজার পিতা প্রতিষ্ঠানের প্রধানের অনুপস্থিতি দেখেন এবং টেবিলের ড্রয়ার ঘাটাঘাটি করে একটি নাম- ঠিকানার লিষ্ট উদ্ধার করেন, যেখানে ছিল আমার পিতা সহ আরো বহু তৎকলীন উদীয়মান তরুন বাঙ্গালী ব্যবসায়ী ও চাকুরীজীবিদের নাম, যাদেরকে 14 ও 15ই ডিসেম্বর বুদ্ধিজীবিদের কে হত্যার পর পৃথিবীর বুক থেকে সরিয়ে ফেলার চক্রান্ত কনর্ফাম করা হয়েছিল।

এবার অপবাক এবং আর যারা এই লেখাটি পড়ছেন এবং আমার প্রথম পোষ্টিং নিয়ে যে বির্তকের সূচনা হয়েছে তা সমপর্কে জানেন তাদের কে বলছি, আমার রাজাকার শব্দটি শুনে বিরুপ প্রতিক্রিয়া ঘটানো বা ইমোশন দিয়ে কোন কিছু বিবেচনা করা কি অন্যায়?

সমস্যা তৈরি করে কেন আমি অন্যের সহোযগিতা কামনা করি একজন প্রাপ্তবয়স্ক হয়ে- এ প্রশ্ন করা হয়েছে আমাকে। আসলে মডারেটর এসে ফিলটার-ই যদি করে দেয় তাহলে "সমালোচক" কিসের সমালোচনা করবে? চিন্তার বিষয়ই বটে!! একটি দল কিছুতেই মডারেটর-এর আগমণ কেন যেন মেনে নিতে পারল না? যদিও বার বার বুঝাতে চাইলাম কেন আমার মডারেটরকে কল করা। মডারেটরহীন চ্যাট রুম আর ওপেন ফোরাম, সেন্সরবিহীন বাংলা সিনেমারই সামিল। এই ফোরামে যারা আসেন ও লেখেন তারা সেন্সরবিহীন বাংলা সিনেমা দেখেন বলে আমার মনে হয় না!

পরিশেষে আবার বলি, যা খুশি কমেন্ট করবেন করুন, যদি তা দেয় আপনাদের চরম আনন্দ, কিন্তু মাঝে মাঝে যে কোন লেখার মূল বক্তব্যে নিজের অজান্তেই ফিরে যেয়েন দয়া করে, অবসান ঘটবে সব সাইবার কোন্দলের বা ছেলেমানুষির-যাই বলুন না কেন- আমার, আপনার, সকলের।

সবাইকে মধ্য জানুয়ারির শীত-এর একরাশ শুভেচ্ছা ও সালাম।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বাসী মানব মনের উপর বিশুদ্ধ ও স্পষ্ট উচ্চারণে ক্বোরান পাঠের ঐশ্বরিক প্রভাব

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০৯

আমি গত প্রায় ১৮ বছর যাবত আমার বর্তমান এলাকায় বসবাস করছি। স্থানীয় মাসজিদটি আমার বাসা থেকে প্রায় চার মিনিটের মত হাঁটা পথে অবস্থিত বিধায় চেষ্টা থাকে দিনে যতবার সম্ভব, মাসজিদে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বেঁচে আছি, বেঁচে আছি!

লিখেছেন রাজীব নুর, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ২:৫৩



নতুন জেনারেশনের জ্ঞানগরিমায় যুগপৎ মুগ্ধ ও বিস্মিত হয়ে নিজেকে মনে হয় নিতান্তই জেনারেল!
তাহারা কতকিছু যে জানে, জানে না তাহারা যে জানে! তাবৎ দুনিয়ার খবর তাহাদের তালুর চিপায় নিদ্রামগ্ন!... ...বাকিটুকু পড়ুন

হিসাব চোকানো - হরমুজ এবং মার্কিন আধিপত্যের অবসান

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১


ইরানের হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনা ইতিহাসে বিরল ও প্রভাবশালী ঘটনাগুলোর একটি। দীর্ঘদিন আমেরিকা ও তার মিত্ররা ইরানের উপর অর্থনৈতিক অবরোধ দিয়ে রেখেছে। হরমুজ প্রণালীকে অর্থনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশ ২০২৪: অস্থিরতার অন্তরালে কী ছিল? লেখকীয় বিশ্লেষণ | সমসাময়িক রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ১২ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:৩৫

ছবি

বাংলাদেশে ২০২৪: ক্ষমতার পালাবদল নাকি গোপন সমন্বিত পরিকল্পনা?

২০২৪ সালের আগস্ট- বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক অস্থির ও বিতর্কিত অধ্যায়। ঘটনাগুলোর ধারাবাহিকতা বিশ্লেষণ করলে অনেকের কাছে এটি শুধুমাত্র একটি রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি র‍্যাপ সং কীভাবে সপ্তম শ্রেণীর বইয়ের কবিতা হলো ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:২৭


আজকে জুলাই আন্দোলনের একটা কবিতা পাঠ করলাম যেটা পড়ে মাথা হ্যাং হয়ে গেছে। এই কবিতা নাকি সপ্তম শ্রেণীর ‘সপ্তবর্ণা’ বইতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। কবিতার নাম ‘সিঁথি’, লেখক হাসান... ...বাকিটুকু পড়ুন

×