somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সারা দুনিয়ায় বাংলাদেশ ভুয়া কাগজের জন্য ‘বিখ্যাত’ হয়ে গেছে

০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



কয়দিন আগে একটি সংবাদ শিরোনাম ছিল এটা। পড়ে আমার নিজের অভিজ্ঞতার সঙ্গে এর মিল খুঁজে পেলাম। যদিও সরাসরি নয়, তবুও মিল আছে—বিশেষ করে আমাদের ভিসা প্রাপ্তি কেন দিন দিন কঠিন হচ্ছে বা আরও কঠিন হবে, সেই প্রশ্নে।

আমি আগে একটি পোস্ট দিয়েছিলাম আমাদের কসোভোতে সাইকেল চালানোর অভিজ্ঞতা নিয়ে। আমরা সাইকেল চালিয়ে ফিরে আসার পর সে দেশের রাষ্ট্রদূত বিশাল আগ্রহ নিয়ে আমাদের সঙ্গে দেখা করতে চেয়েছিলেন—এরা কারা, কীভাবে কসোভোতে সাইকেল চালিয়ে আবার ফিরে এল!

জানি, এটা পড়তে বা শুনতে আপনাদের খারাপ লাগতে পারে, কিন্তু এটাই সত্য। প্রথম প্রশ্ন ছিল—সাইকেল চালাতে কেন অন্য দেশে যেতে হবে? তার পরের প্রশ্ন—ইউরোপের এত কাছে গিয়ে কেন সেখানে থাকা হলো না? এগুলো খুবই সাধারণ ধারণা।

রাষ্ট্রদূত তার উচ্ছ্বাস ধরে রাখতে পারেননি, আমাদের কাছে জানতে চেয়েছিলেন তার দেশ আমাদের কেমন লেগেছে। আমরা যেটা সত্যি, সেটাই বলেছি। অনেক দিন পর একটি খুব বন্ধুবৎসল দেশে যাওয়া হয়েছে—এটা বলার পর তিনি বললেন, এটা নাকি একটি বড় কমপ্লিমেন্ট, কারণ বাংলাদেশিরাও ভীষণ বন্ধুবৎসল।

কথা প্রসঙ্গে তিনি আরও বললেন—একটা সময় কসোভো প্রচুর ভিসা দিত, বেশির ভাগই কাজের জন্য। কিন্তু দেখা গেল, কয়েক মাস বা কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই অনেকেই অন্য কোথাও পালিয়ে যাচ্ছে। তারা শুধু পাসপোর্টটি ফেলে যেত। এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তির পর কসোভো এম্বাসি ভিসা দেওয়া প্রায় বন্ধ করে দেয়। এখন দিলে খুব বেছে বেছে দেয়।

কিন্তু কি এভাবেই হওয়ার কথা ছিল? না। এখানে আমরা একে অপরকে দোষ দিতে পারি, কিন্তু তাতে সমস্যার সমাধান হবে না। আমরা প্রয়োজনে ভীষণ রকমের মিথ্যাবাদী হয়ে উঠি। তখন ইমান, আকিদা—কোনোটাই মনে থাকে না।

ছবিটা এআই দিয়ে করা।



সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:১১
৩টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

রাজনৈতিক দল গঠনের মতো জনপ্রিয়তা ইউনুস সাহেবের ছিলো না ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই মে, ২০২৬ রাত ২:২৬


মাঝে মাঝে আমি ইউটিউবে বা মাহফিলে গিয়ে হুজুরদের ওয়াজ শুনি। শোনার কারণটা ধর্মীয় যতটা না, তার চেয়ে বেশি হলো আমাদের সমাজের হুজুররা দেশীয় অর্থনীতি বা সামাজিক ইস্যুগুলো নিয়ে সাধারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×