
কতটা নির্লিপ্ত গভীরতায়, কতটা সুনসান মৌনতায় ভাসিয়েছি নির্ভেজাল প্রদীপ
কিন্তু সে প্রদীপের আলোয় উদ্ভাসিত হয়নি কৃষ্ণরজনী!
নির্ভরতার জানালার ফাঁক গলে গলে
কখন যে মেদুর মেঘ সুতীব্র মেজাজে উঁকি দিয়েছে,
আমি সেই রোদন রোমন্থন করতে চাইনা, একটুও চাইনা ---
রুঢ় রৌদ্রে কতটা প্রখর উত্তাপ ছড়িয়েছো তুমি রন্ধ্রে রন্ধ্রে
সে কেবল আমার ঈশ্বর জানে!
অভিসারে অভিসারে অদৃশ্য করেছি বার-বার, সহস্রবার
তোমার যত অনৃত অপলাপ; ক্ষুধিত যত লোভ!
চেয়েছি নিস্পাপ বাতাস ছুঁয়ে যাক আবেগী শিহরণে
সায়ন্তের ক্লান্ত ক্ষণে ক্ষণে- অভিষেক হোক কোন প্রলম্বিত রাত্রি’র!
আদ্র হই আমি স্নিগ্ধ ভালবাসার আবেশে
প্রেম থাকুক – বিশ্বাস থাকুক – বটবৃক্ষের মতো ছায়া থাকুক!
না একটুও বদলাওনি তুমি; তোমার বিদঘুটে ক্ষুধার দাপটে বিভ্রান্ত হই- বিমূঢ় হই
চাইলেই দিয়ে দেবো! এত কি সহজ!
শোন-দুর্গের সীমানা প্রাচীর সুরক্ষিত আজ নিপূণ রঙে
ছুঁতে চাও যদি সুগভীর পরিখার অতলে হারাবে –
ছিন্ন ভিন্ন হয়ে যাবে তুমি অগ্নি ক্রোধে; আর আমি?
আস্তে -আস্তে, স্তরে স্তরে নৈঃশব্দের পর্দা টেনে নেবো
নির্বাসিত হোক তবে আমার সেই অপ্রিয় অনুভূতি!
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১৪ রাত ১২:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


