somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের (বরিশাল স্টীমারঘাটের সৌন্দর্য্য দেখে বিমোহিত হয়েছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। বলেছিলেন, বরিশাল হচ্ছে প্রাচ্যের ভেনিস) উজিরপুর ধানাধীন সাতলা গ্রামে। পিতা প্রাইম

ব্রিটিশ ভারতে বাংলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের ১৩৯তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা

০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভারতবর্ষের রাজনৈতিক ইতিহাসে দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস এক অবিস্বরণীয় নাম। তাঁর রাজনৈতিক মেধা, দক্ষতা আর দেশের মানুষের প্রতি অপরিসীম দরদের কারণে তিনি জনসাধারণের কাছে 'দেশবন্ধু' নামে পরিচিত ছিলেন। দেশদরদী এই নেতা রাজনীতি করতে গিয়ে ব্রিটিশদের রোষানলে পড়ে বহুবার জেল খাটেন। তিনি নানা ষড়যন্ত্র উপেক্ষা করে হিন্দু-মুসলিম ঐক্যবদ্ধ রাজনীতির পক্ষে অবিচল থাকেন। চিত্তরঞ্জন দাশ জাত-বৈষম্য ও অস্পৃশ্যতার ঊর্ধ্বে ছিলেন। তিনি নারী মুক্তি সমর্থন করতেন এবং নারী-শিক্ষা ও বিধবাদের পুনর্বিবাহকে উৎসাহিত করতেন। তিনি যে অসবর্ণ বিবাহের পক্ষে ছিলেন তার প্রমাণ মিলে তাঁর নিজ কন্যাদের ব্রাহ্মণ ও কায়স্থ পরিবারে বিবাহ দানের ঘটনায়। চিত্তরঞ্জন দাশ সব সময় ব্রিটিশবিরোধী লড়াইকে জোরদার করতে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির পক্ষে নিজের মত প্রকাশ করেছেন। একসময় তিনি কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে স্বরাজ দল নামের একটি সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন। এই স্বরাজ দলের প্রার্থী হিসেবেই ১৯২৪ সালে কলকাতা সিটি করপোরেশনের নির্বাচনে প্রথম মেয়র নির্বাচিত হন। এ সময়ে তিনি নারী শিক্ষা, বিধবা বিবাহ ইত্যাদির পক্ষে অনেক কাজ করেন। প্রগতিশীল এই রাজনীতিবীদের ১৩৯তম জন্মবার্ষিকী আজ। ১৮৭০ সালের আজকের দিনে তিনি কলকাতায় জন্মগ্রহণ করেন। গণমানুষের প্রিয় নেতা দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাসের জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা।

(কিশোর বয়সে চিত্তরঞ্জন দাশ) ১৮৭০ সালের ৫ নভেম্বর কলকাতায় জন্মগ্রহন করেন দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশ। তাঁর পিতা ভুবনমোহন দাশ একজন আইনজীবী ছিলেন এবং মা নিস্তারিণী দেবী গৃহিনী। চিত্তরঞ্জন দাশের পূর্বপুরুষের আদিনিবাস ছিল ঢাকা জেলার বিক্রমপুরের তেলিরবাগ গ্রামে। শিক্ষিত পরিবার হিসেবে তাঁদের পরিবারের যথেষ্ঠ সুনাম ছিল। চিত্তরঞ্জন দাশের পড়াশুনার হাতেখড়ি পরিবারে। প্রাথমিক পড়াশুনা শেষ হওয়ার পূর্বে চিত্তরঞ্জন দাশ শৈশবে তাঁর বাবার সাথে কলকাতার ভবানীপুরে চলে আসেন। কারণ তখন তাঁর বাবা কলকাতার ভবানীপুরে বসবাস শুরু করেন। চিত্তরঞ্জন দাশ ১৮৭৯ সালে ভবানীপুর লন্ডন মিশানারি স্কুলে ভর্তি হন। স্কুলের পাঠ্যবই পড়ার চেয়ে পাঠ্যতালিকার বাইরের বই পড়তে বেশী পছন্দ করতেন তিনি। যে কারণে তাঁর পরীক্ষার ফলাফল খুব ভাল হতো না। চিত্তরঞ্জন দাশ ১৮৮৬ সালে লন্ডন মিশানারি স্কুল থেকে মেট্রিক পাশ করেন। এরপর ভর্তি হন প্রেসিডেন্সী কলেজে। এই কলেজে পড়ার সময় তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হন। ১৮৯০ সালে তিনি প্রেসিডেন্সী কলেজ থেকে বি.এ. পাশ করেন। এরপর উচ্চ শিক্ষার জন্য বিলেত যান। বিলেতে থাকার সময় রাজনৈতিক ব্যাপারে সক্রিয় ছিলেন এবং অনেক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। ১৮৯৩ সালে ব্যারিস্টারি পড়া শেষ করে দেশে ফিরে আসেন এবং আইন পেশা শুরু করেন। ১৮৯৪ সালে কলকাতা হাইকোর্টে ব্যারিস্টার হিসেবে তাঁর নাম তালিকাভুক্ত হয়। পেশা জীবনের শুরুতে তাঁর সামান্য আয় হত। যা দিয়ে তাঁর দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় ব্যয় বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। ট্রামভাড়ার সামান্য পয়সা বাঁচানোর জন্য তিনি হাইকোর্ট থেকে ভবানীপুর হেঁটে যেতেন। আইন পেশার পাশাপাশি গোপনে গোপনে বিপ্লবী রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন চিত্তরঞ্জন দাশ। ১৯০৩ সালে কলকাতায় প্রমথ মিত্র ও চিত্তরঞ্জন দাস প্রথমে 'অনুশীলন সমিতি' প্রতিষ্ঠা করেন। প্রতিষ্ঠাকাল থেকে পাঁচ বছর পর্যন্ত তিনি এই সমিতির সহ-সভাপতি ছিলেন। অরবিন্দ ঘোষের 'বন্দে মাতরম' পত্রিকার সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল।

ওকালতি করেও যে দেশপ্রেমের পরিচয় দেয়া যায়, তা দেখা যায় আইনজীবী চিত্তরঞ্জনের জীবন থেকে। রাজনৈতিক বন্দীদেরকে তাদের বিরুদ্ধে আনীত মারাত্বক অভিযোগের হাত থেকে তিনি মুক্ত করে আনতেন তার অসাধারন মামলা পরিচালনার গুনে। চিত্তরঞ্জন দাশ ১৯০৬ সালে যোগদান করেন নাগপুর কংগ্রেসে। দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহন করার জন্য তিনি আইন ব্যবসা সম্পূর্নরূপে বন্ধ করেন। আইনজীবী হিসেবে চিত্তরঞ্জন দাশের জন্য ১৯০৭ সাল ছিল খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ সময় তিনি সিভিল ও ক্রিমিনাল উভয় কোর্টেই একজন সফল আইনজীবী হিসেবে নিজেকে প্রতিস্থাপন করেন। এ সময় কলকাতা কোর্টে দেশপ্রেমিক ও বিপ্লবী রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের যত মামলা এসেছে তিনি সেগুলোর বিরুদ্ধে অবিরাম লড়েছেন। শুধু আইনের জগতে নয় , সাহিত্যিক হিসেবেও তিনি প্রতিভার পরিচয় দিয়েছেন। স্বাধীনতা আন্দোলনের সঙ্গে জড়িয়ে পড়ার পূর্ব মুহুর্ত পর্যন্ত তিনি ছিলেন সাহিত্য চর্চায় মগ্ন। রাজনীতির মধ্যে থেকেও তিনি নিয়মিত সাহিত্যচর্চা করতেন। সে সময়ের বিখ্যাত মাসিক পত্রিকা 'নারায়ণ'-এর প্রতিষ্ঠাতা ও সম্পাদক ছিলেন তিনি। 'মালঞ্চ', 'সাগর সঙ্গীত' ও 'অন্তর্যামী' গ্রন্থের জন্য তিনি কবি ও লেখক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। ১৯২০ সালে মহাত্মা গান্ধীর অসহযোগ আন্দোলনের সময় আইনসভা বর্জন সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেন চিত্তরঞ্জন দাশ। কিন্তু কিছুদিন পর তিনি নিজেই অসহযোগ আন্দোলনের প্রস্তাব কংগ্রেস অধিবেশনে উত্থাপন করেন এবং গান্ধীজীর ডাকে ব্যারিস্টারি পেশা ত্যাগ করে দেশ সেবায় আত্মনিয়োগ করেন। স্বয়ং ভারত সরকার প্রখ্যাত মিউনিশনস বোর্ড ঘটিত মামলায় প্রচলিত নজীর উপেক্ষা করে সাহেব এডভোকেট জেনারেল অপেক্ষা অধিক পারিশ্রমিক দিয়ে তাঁকে সরকারি কৌসুলী নিযুক্ত করেন। অসহযোগ আন্দোলনে অংশগ্রহণ করার জন্য তিনি এ দায়িত্ব পরিত্যাগ করেন। এই অসামান্য ত্যাগের জন্য ভারতবর্ষের জনগণ কর্তৃক তিনি 'দেশবন্ধু' উপাধিতে ভূষিত হন। ১৯২৩ সালে কংগ্রেস ত্যাগ করে মতিলাল নেহেরুর সহযোগীতায় স্বরাজ দল গঠন করেন। হিন্দু ও মুসলমান এই দুই সম্প্রদায়ের মধ্যে সম্প্রীতি সাধনের জন্য তাঁর নেতৃত্বে স্বরাজদল মুসলিম নেতাদের সঙ্গে উভয় সম্প্রদায়ের অধিকার বিষয়ে চুক্তি সম্পাদন করে

১৯২৫ সালে কংগ্রেসের অধিবেশন শেষে দার্জিলিং যাবার পথে ১৬ই জুন দেশবন্ধু মৃত্যুবরন করেন। মৃত্যুকাৈলে তার বয়স হয়েছিলো ৫৪ বছর। মৃত্যুর আগে তিনি তাঁর পৈতৃক বসতবাড়িটি জনসাধারণের জন্য দান করে যান। সেখানে 'চিত্তরঞ্জন সেবাসদন' প্রতিষ্ঠিত হয়। তাঁর অকালমৃত্যু বাংলা ও একই সাথে ভারতের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির উপর আঘাত হানে। আবুল কালাম আজাদ মন্তব্য করেছেন যে, ‘তিনি (দেশবন্ধু) অকালে মারা না গেলে দেশে নতুন অবস্থা সৃষ্টি করতেন’। তিনি আরও বলেন,‘পরিতাপের বিষয় এ যে, তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর কিছুসংখ্যক অনুসারী তাঁর অবস্থানকে জর্জরিত করে এবং তাঁর ঘোষণা প্রত্যাখ্যান করে। এর ফলে বাংলার মুসলমানরা কংগ্রেস থেকে দূরে সরে যায় এবং (ভারত) বিভক্তির প্রথম বীজ বপন করা হয়’। তাঁর মৃত্যুতে বরীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন, "এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ/মরণে তাহাই তুমি করে গেলে দান"। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাশের মৃত্যুর পর জীবনানন্দ দাশ তাঁর স্মরণে 'দেশবন্ধুর প্রয়াণে' নামক একটি কবিতা রচনা করেন, যা বঙ্গবাণী পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। কবিতাটি পরবর্তীতে ১৯২৭ সালে জীবনানন্দ দাশের প্রথম কাব্যগ্রন্থ ঝরা পালকে প্রকাশিত হয়।


ব্রিটিশ আমলে তৎকালীন বিক্রমপুরের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের ও স্বদেশী কর্মীদের ভূমিকা ছিল ব্যাপক। বিক্রমপুরের সন্তান দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন দাস একমাত্র বাঙালি যিনি বাংলার গণ্ডি পেরিয়ে সর্বভারতীয় নেতার সম্মান লাভে সক্ষম হয়েছিলেন। নিয়মতান্ত্রিক রাজনৈতিক আন্দোলনের পাশাপাশি সশস্ত্র সংগ্রামের মাধ্যমের ইংরেজদের কবল থেকে দেশ মাতৃকার মুক্তির জন্য তৎকালীন বিক্রমপুরের যুবকরা দলে দলে যোদ দিয়েছিলেন যুগান্তর ও অনুশীলন সমিতিতে, চিত্তরঞ্জন তাদের অন্যতম। আমৃত্যু তিনি দেশের মানুষের জন্য সংগ্রামে লিপ্ত ছিলেন। তাঁর সময়ে তিনি একজন প্রখ্যাত উকিল হয়েও নিজের উপার্জিত অর্থ সাধারণ মানুষের প্রয়োজনে অকাতরে বিলিয়ে দিয়েছেন। চিত্তরঞ্জন দাশ রাজনীতির ক্ষেত্রে জীবনের খুব একটা দীর্ঘ সময় ব্যয় না করেও সকল স্তরের বাঙ্গালীর তিনি ছিলেন বন্ধু। উদার মতবাদ ও দেশের প্রতি দরদের কারণে তিনি হিন্দু মুসলমান সকলের শ্রদ্ধা ও ভালবাসা অর্জন করেন এবং তার এই উদার মতবাদের জন্য জনগণ তাকে দেশবন্ধু খেতাবে ভুষিত করেন। চিত্তরঞ্জন দাশের আজ ১৩৯তম জন্মবার্ষিকী। বাঙালি আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ চিত্তরঞ্জন দাশের জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ০৫ ই নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১১:৪৬
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আমার স্বপ্ন

লিখেছেন রাজীব নুর, ২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৪




১। সোমাবার রাতের ঘটনা।
রাত ১১ টায় বিছানায় গেলাম। ঠিক করলাম আজ ঘুম না এলেও চোখ বন্ধ করে পড়ে থাকব। ঘুমের দরকার আছে- সুন্দর এবং সুস্থভাবে বেঁচে থাকার জন্য।... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্রামটির নাম ঢাকুয়া

লিখেছেন রমিত, ২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০২

গ্রামটির নাম ঢাকুয়া
------------------- রমিত আজাদ



ঢাকা থেকে অনেক দূরে, গ্রামটির নাম ঢাকুয়া।
সবুজ ছায়ার মায়ার দেশে প্রাণ ভরেছে আকুয়া।
মশগুল তায় টিয়া পাখী, রঙ ছড়াতে আশমানে,
তেপান্তরের মাঠ ছাপিয়ে ফিঙে নাচে গুলশানে!
ফুলবনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আসসালামু আলাইকুম। কারও বিরক্তি উদ্রেক করলে ক্ষমা প্রার্থী

লিখেছেন শের শায়রী, ২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ দুপুর ২:০৫



ম্যায় আপনে ঘর মে হী আজনবী হো গয়্যা হু আকর
মুঝে ইয়া দেখকর, মেরি রুহ ডর গয়্যি হ্যায়
সহমকে সব আরজু কোনে মে যা ছুপী হ্যায়
লবে বুঝা দি আপনে চেহেরো কি হসরতোনে
কি... ...বাকিটুকু পড়ুন

শ্রাউড অভ তুরিন অথবা যীশুর কাফন (প্রথম পর্ব)

লিখেছেন শের শায়রী, ২১ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১১:৫৩



সন্ধ্যা তখন ঘনিয়ে এসেছে, সেদিন ছিল প্রস্ততির দিন অর্থ্যাৎ সাব্বাথের দিনের আগের দিন। সে জন্য আরিম্যাথিয়া নিবাসী জোসেফ সেখানে এলেন। ইনি ছিলেন ধর্ম সভার একজন সন্মানিত সদস্য। তিনি ঐশী... ...বাকিটুকু পড়ুন

ব্লগ ডে- ২০১৯

লিখেছেন শায়মা, ২২ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ১২:০৮


"ব্লগ ডে" এ দু'টি শব্দ মনে পড়লে আমার চোখে ভাসে কৌশিকভাইয়ার অসাধারণ কন্ঠে উপস্থাপনার ছবিটি। চোখে ভাসে জানা আপুর ছিপছিপে শাড়ি পরা চেহারাটা। চোখে ভাসে প্রায় তুষার কন্যা টাইপ ধপধপে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×