somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আলোকচিত্রী ও উদ্ভিদ বিজ্ঞানী ড. নওয়াজেশ আহমেদের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি

২৪ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বিশিষ্ট উদ্ভিদবিজ্ঞানী, প্রকৃতিবিদ ও আলোকচিত্রী ড. নওয়াজেশ আহমেদ। বাংলাদেশের আলোকচিত্রশিল্পে তার অগ্রগণ্য অবদান রয়েছে।আলোকচিত্রী হিসেবে ড. নওয়াজেশ আহমেদ প্রকৃতিকেই বিষয়বস্তু করেছিলেন। তার রচিত গ্রন্থ ও ফটো অ্যালবাম হয়ে ওঠে নিসর্গ ও প্রকৃতির। তার তোলা ছবি দেশ-বিদেশে পেয়েছে প্রশংসা। আয়োজিত হয়েছে একাধিক প্রদর্শনী। কাব্যানুরাগ ও প্রকৃতিপ্রেমের নির্দেশন পাওয়া যায় আলোচিত দুটি অ্যালবামে। অ্যালবাম দুটি হলো- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ছিন্নপত্র নিয়ে অ্যালবাম ‘ছিন্নপত্র’ এবং জীবনানন্দ দাশের কবিতা নিয়ে অ্যালবাম ‘ধানসিঁড়ি নদীটির পাশে’। এ ছাড়া তার উল্লেখযোগ্য ফটো অ্যালবামের মধ্যে রয়েছে- ‘বাংলাদেশ’ (১৯৭৫), ‘পোট্র্রেট অব বাংলাদেশ’ (১৯৮৫), ‘কোয়েস্ট অব রিয়ালিটি’ (১৯৮৬) ও ‘বার্মা’ (১৯৮৬)। অন্যান্য বিষয়ে উল্লেখযোগ্য বই হলো- ‘মহাবনস্পতি পদাবলি’, ‘প্রকৃতির পাঠ গ্রন্থমালা : বনবনানী’, ‘অশ্বত্থের সন্ধানে’, ‘বাংলার বুনোফুল’, ‘গৌতম’ ও ‘ওয়াইল্ড ফ্লাওয়ার অব বাংলাদেশ’। নওয়াজেশ আহমেদের আলোকচিত্র ছাপা হয়েছে বিশ্ববিখ্যাত বহু পত্রপত্রিকায়। এর মধ্যে রয়েছে গার্ডিয়ান ও টাইমস। তিনি ভিয়েতনাম, লাওস, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারসহ বহু দেশ ভ্রমণ করেছেন। আজ এই গুণী আলোকচিত্রশিল্পীর ১০ম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৯ সালের আজকের দিনি তিনি ঢাকায় মারা যান। আলোকচিত্রী ও উদ্ভিদ বিজ্ঞানী নওয়াজেশ আহমেদের ৯ম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।


ড. নওয়াজেশ আহমেদ ১৯৩৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর মতভেদে অক্টোবর মানিকগঞ্জের পারিল নওয়াধা গ্রামের মিয়া পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ছোটকাল থেকেই সাহিত্য ও আলোকচিত্রের প্রতি তার গভীর অনুরাগ ছিল। নওয়াজেশ ছোটবেলা থেকেই খুব মেধাবী ছিল। যুক্তরাষ্ট্রের উইসকনসিন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উদ্ভিদ জিনতত্ত্বে পিএইচডি ডিগ্রী নিয়ে ১০ বছর চা গবেষনা করেছেন। এডিবি এবং বিশ্ব খাদ্য ও কৃষি সংস্থায়ও কাজ করেছেন। ক্যামেরা আর কবিতা, স্বদেশ আর প্রকৃতির সমার্থক হয়ে ওঠেন উদ্ভিদ বিজ্ঞানে পিএইচডি ডিগ্রীধারী ড. নওয়াজেশ আহমেদে। রবীন্দ্রনাথের ছিন্নপত্র অবলম্বনে ''ছিন্নপত্র'' আর জীবনানন্দ দাশের কবিতা অবম্বনে ''ধানসিঁড়ি নদীটির পাশে'' তাঁর অসাধরণ সৃষ্টি। আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন আলোকচিত্রী চিরকুমার ড. নওয়াজেশ আহমেদ ২০০৯ সালের ২৪ নভেম্বর রাত সাড়ে নটায় মৃত্যুবরণ করেন। ওই দিন বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ডেইলী স্টার ও স্টাণ্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাঙ্ক আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তৃতা দিয়ে বের হবার পরপরই তিনি অসুস্থ হঠাৎ পড়ে গেলে প্রথমে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে পরে হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে নেয়া হলে ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। কাব্যময় ক্যামেরা শিল্পী প্রকৃতিবিজ্ঞানী ড. নওয়াজেশ আহমেদ ছবির মানুষ হয়ে যান। ড. নওয়াজেশ আহমেদের বড় ভাই নাইবউদ্দিন আহমেদও আরেকজন খ্যতিমান আলোকচিত্রী ছিলেন। আজ এই গুণী আলোকচিত্রশিল্পীর ৯ম মৃত্যুবার্ষিকী। ২০০৯ সালের আজকের দিনি তিনি ঢাকায় মারা যান। আলোকচিত্রী ও উদ্ভিদ বিজ্ঞানী নওয়াজেশ আহমেদের ১০ম মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৪
৩টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সিটিজেন ভিজিল্যান্টি থেকে কালেমার মিছিল: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কতগুলো অশনি সংকেত - প্রথম পর্ব

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮


গত মাসে আমেরিকায় "সিটিজেন ভিজিল্যান্টি" নামে মুসলিম ও অভিবাসীবিদ্বেষী একটি সিনেমা মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি প্রথমদিকে দর্শকদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে যখন ইলন মাস্ক এক্স প্ল্যাটফর্মে তার ২৪ কোটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

'গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড' আন্দোলন কেন ব্যর্থ হলো

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১৩



মাও সে তুং-এর গৃহীত "গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড" (১৯৫৮-১৯৬০) আন্দোলনটি মূলত অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা, চরম অব্যবস্থাপনা এবং ভুল কৃষি নীতির কারণে মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ ফিরতে পারে, তবে…

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২০




১। ২০১২ থেকে সংঘটিত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১২ বছরের গু/ম, খু/ন, অ*পশাসন, গণতন্ত্র হ*ত্যা, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বং*স, দুর্নী*তি, বাকস্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের মাত্রা এমন চরমই ছিল যে, শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা-গান-খেলাধুলা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১৭

আইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×