somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

বাংলাদেশের অহংকার বিজ্ঞানী ড.দেবেন্দ্রমোহন বসুর ১৩৪তম জন্মবার্ষিকীতে শুভেচ্ছা

২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


কণা-পদার্থবিদ্যা (Particle physics) গবেষণার অগ্রদূত ড. দেবেন্দ্র মোহন বসু। যিনি পদার্থবিজ্ঞান জগতে ডি. এম. বোস (D. M. Bose) নামে অধিক পরিচিত। ভারতীয় উপমাহাদেশের তিনিই প্রথম বিজ্ঞানী যিনি এ উপমহাদেশে উইলসন ক্লাউড চেম্বার নিয়ে প্রথম এ দেশে পরমানু বিজ্ঞান সম্পর্কে গবেষনায় ব্রতী হয়েছিলেন। বাঙালিদের মধ্যে আরো একজন বসু আছেন যাঁদের নাম জগদীশচন্দ্র বসু ও সত্যেন বসু। তাঁদর মতো দেবেন্দ্র মোহন বসুর নাম অতটা ব্যাপকভাবে উচ্চারিত না হলেও মহাজাগতিক রশ্মি, পারমাণবিক ও নিউক্লিয়ার পদার্থবিদ্যার গবেষণায় তার অবদান অসীম। ১৯২৩ সালে তিনি তাঁর গবেষক ছাত্র এস কে ঘোষকে সাথে নিয়ে ক্লাউড চেম্বারে কৃত্রিম তেজস্ক্রিয়তা নিয়ে কাজ শুরু করে হিলিয়াম গ্যাসের মধ্যে পোলোনিয়াম থেকে উৎসরিত আলফা কণার গতিপথ পর্যবেক্ষণ করেন এবং নিউক্লিয়াস ও ইলেকট্রনের গতিপথের ছবি তোলেন। ছবিতে ধরা পড়লো যে নাইট্রোজেন নিউক্লিয়াস বিয়োজিত হয়েছে। বিখ্যাত নেচার সাময়িকীতে তাঁদের তোলা ছবি ও গবেষণাপত্র প্রকাশিত হলে আন্তর্জাতিক মহলে সাড়া পড়ে যায়। তি্নিই প্রথম ফটোগ্রাফিক ইমালশন পদ্ধতিতে ‘মেসন’ এর ভর নির্ণয় করেছিলেন। তাঁর পদ্ধতি অনুরসণ করে মেসনের ভর নির্ণয়ের জন্য ১৯৫০ সালে পদার্থবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন ব্রিটিশ বিজ্ঞানী সিসিল পাওয়েল (Cecil Frank Powell)। পাওয়েল নির্দ্বিধায় স্বীকার করেছেন যে দেবেন্দ্রমোহনের পদ্ধতি ছিলো এরকম পরীক্ষার পথ-প্রদর্শক। পদ্ধতি জানা থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র উন্নতমানের উপাদানের অভাবে বাঙালির হাত ছাড়া হয়ে গেল আরো একটি নোবেল পুরষ্কার। আজ এই পদার্থ বিজ্ঞানীর ১৩৪তম জন্মবার্ষিকী। ১৮৮৫ সালের আজকের দিনে তিনি কিশোর গঞ্জের ইটনায় জন্মগ্রহণ করেন। বিজ্ঞানী দেবেন্দ্রমোহন বসুর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা।


দেবেন্দ্র মোহন বসু ১৮৮৫ সালের ২৬ নভেম্বর বাংলাদেশের কিশোরগঞ্জ জেলার হাওর এলাকা ইটনা থানার জয়সিদ্ধি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম মোহিনী মোহন বসু এবং রেংলার আনন্দ মোহন বসু তার সহোদর কাকা। বিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার জগদীশ চন্দ্র বসু তাঁর আপন মামা। শৈশবে দেবেন্দ্রমোহনের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা শুরু হয়েছিল একটি ব্রাহ্ম বালিকা বিদ্যালয়ে। বালিকা বিদ্যালয় হলেও এতে প্রাথমিক স্তর পর্যন্ত পর্যন্ত সহশিক্ষা চালু ছিল। এরপর তিনি আনন্দমোহন বসু প্রতিষ্ঠিত সিটি স্কুলে লেখাপড়া করেন এবং এ স্কুল থেকেই এন্ট্রান্স পাশ করেছেন। ১৯০১ খ্রিস্টাব্দে তাঁর পিতার মৃত্যু হয়। পিতৃবিয়োগ ঘটলে মাতুল বিজ্ঞানী আচার্য জগদীশ চন্দ্র বসুর সান্নিধ্যে ভারতে বসবাস করেন। এন্ট্রান্স পাশ করে দেবেন্দ্রমোহন প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু পিতার মৃত্যুর পর দ্রুত জীবিকা অর্জ্জনের তাগিদে প্রকৌশলী হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ভর্তি হলেন শিবপুর ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে। এ সময় তিনি ছাত্রবাসে থাকতেন। কিছুদিন পর ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে তাঁকে বাড়ী ফরেঁ আসতে হয়। ফলে প্রকৌশলী হবার স্বপ্ন পূরণ হয়নি তার। এসময় কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর পরামর্শ দিলেন মামা জগদীশচন্দ্রের মত পদার্থবিজ্ঞান পড়তে। দেবেন্দ্রমোহন পুনরায় প্রেসিডেন্সি কলেজে ভর্তি হলেন পদার্থবিদ্যা আর ভূতত্ত্ব নিয়ে। যথাসময়ে প্রথম শ্রেণী সহ বিএসসি পাস করলেন। ১৯০৬ খ্রিস্টাব্দে এমএসসি পরীক্ষায় প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হলেন। জগদীশচন্দ্র বসু তখন বায়োফিজিক্স ও প্ল্যান্ট ফিজিওলজি নিয়ে গবেষণা করছেন। দেবেন্দ্রমোহন শিক্ষানবিশ গবেষক হিসেবে জগদীশচন্দ্রের রিসার্চ গ্রুপে যোগ দেন। ১৯০৭ খ্রিস্টাব্দে দেবেন্দ্রমোহন ইংল্যান্ডে গিয়ে কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রাইস্ট কলেজে ভর্তি হলেন। ১৯০৮ থেকে ১৯১১ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত তিনি ক্যাভেনডিশ ল্যাবে স্যার জে জে থমসন ও চার্লস উইলসনের সাথে কাজ করার সুযোগ লাভ করলেন। ১৯১০ খ্রিস্টাব্দে দেবেন্দ্রমোহন লন্ডনের রয়েল কলেজ অব সায়েন্সে ভর্তি হলেন। ১৯১২ খ্রিস্টাব্দে এখান থেকেই ডিপ্লোমা ও প্রথম শ্রেণীর অনার্স সহ বিএসসি ডিগ্রি লাভ করেন।


(বিখ্যাত বিজ্ঞানী মামা জগদীশচন্দ্র বসুর পেছনে দাঁড়ানো দেবেন্দ্রমোহন বসু)
১৯১৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতায় ফিরে এসে দেবেন্দ্রমোহন কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট গ্রাজুয়েট কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগে ঘোষ অধ্যাপক হিসেবে যোগ দেন। কলেজে যোগ দিয়েই উচ্চশিক্ষার জন্য ‘ঘোষ ভ্রমণ বৃত্তি’ পেলেন দেবেন্দ্রমোহন। বৃত্তি নিয়ে ১৯১৪ সালে তিনি ভর্তি হলেন বার্লিনের হামবোল্ড ইউনিভার্সিটিতে। দুবছর পড়াশোনা ও গবেষণা করলেন প্রফেসর এরিখ রিগনারের গবেষণাগারে। কিন্তু ততদিনে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে ইউরোপে। যুদ্ধের কারণে থিসিস জমা দিতে পারলেন না তিনি। পাঁচ বছর তাকে জার্মানিতে থাকতে হলো। ১৯১৯ সালের মার্চ মাসে পিএইচডি সম্পন্ন করে ভারতে ফিরে দেবেন্দ্রমোহন যোগ দিলেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে তাঁর আগের পদে। ১৯৩৫ সাল পর্যন্ত তিনি এ পদে তিনি ছিলেন। এবছর কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের পালিত প্রফেসরের পদ খালি হলে দেবেন্দ্রমোহন ‘ঘোষ প্রফেসর’ পদ ছেড়ে ‘পালিত প্রফেসর’ পদে যোগ দিয়ে তিন বছর ছিলেন এই পদে। তার মামা জগদীশচন্দ্র বসুর মৃত্যুর পর কলকাতার বসু বিজ্ঞান মন্দিরের পরিচালনার ভার এসে পড়ে দেবেন্দ্রমোহনের ওপর। ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি বসু বিজ্ঞান মন্দিরের পরিচালক নিযুক্ত হন। ১৯৬৭ পর্যন্ত তিনি বসু বিজ্ঞান মন্দির পরিচালনা করেন। এসময় দেবেন্দ্রমোহন নতুন নতুন বিভাগ খুলে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষাপ্রদান ও গবেষণামূলক কাজের ব্যাপক প্রসার ঘটান। ভারতে বিজ্ঞানের প্রসারে নিরলস কাজ করে গেছেন দেবেন্দ্রমোহন। ১৯৪৩ সালে প্ল্যানিং কমিশনের সদস্য নির্বাচিত হন তিনি। দেবেন্দ্রমোহনকে ভারতের কণা-পদার্থবিদ্যা (Particle physics) গবেষণার অগ্রদূত বলা হলেও তিনি চুম্বকত্ব নিয়েও চমৎকার গবেষণা করেছেন। ১৯৪৫ সালে নিউক্লিয়ার কেমিস্ট্রি বিশেষজ্ঞ হিসেবে এটমিক এনার্জি কমিশনের সদস্য নির্বাচিত হন। সিটি কলেজের ব্যবস্থাপনার সাথেও জড়িত ছিলেন তিনি। দীর্ঘ আঠারো বছর বিশ্বভারতীর সাম্মানিক কোষাধ্যক্ষ ছিলেন দেবেন্দ্রমোহন। ২৫ বছর ‘সায়েন্স এন্ড কালচার’ ম্যাগাজিনের সম্পাদক ছিলেন তিনি। প্রেসিডেন্ট ছিলেন ইন্ডিয়ান সায়েন্স নিউজ এসোসিয়েশনের। এশিয়াটিক সোসাইটির সভাপতি ছিলেন। সমরেন্দ্রনাথ সেন ও সুব্বারাপ্পার সাথে যৌথভাবে সম্পাদনা করেছেন ভারতবর্ষের বিজ্ঞানের ইতিহাস। ‘ইন্ডিয়ান জার্নাল অব হিস্ট্রি অব সায়েন্স’ সাময়িকীর প্রধান সম্পাদক ছিলেন দেবেন্দ্রমোহন।


ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে ডি. এম. বসুর সরাসরি সম্পৃক্ততা না ঘটলেও অপ্রত্যক্ষভাবে তাঁর নাম জড়িয়ে আছে একটি ঘটনার সাথে। ১৯২৪ থেকে ১৯২৬ দু’বছর প্যারিস ও বার্লিনে শিক্ষা-ছুটি শেষে সত্যেন বোস ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রত্যাবর্তন করলেন প্রতিষ্ঠিত তাত্ত্বিক পদার্থবিদ হিসেবে সুখ্যাতি নিয়ে। ১৯২৬ সালে ফেব্রুয়ারি মাসে পদার্থবিদ্যার অধ্যাপকদের জন্য দরখাস্ত আহ্বান করা হয়। ড. দেবেন্দ্রমোহন বোসও ছিলেন একজন প্রার্থী। অন্যদিকে সত্যেন বোসও ছিলেন একজন যোগ্য ও শক্তিশালী প্রার্থী, যিনি ১৯২১ সাল থেকে রীডার পদে অধিষ্ঠিত, যাঁর পক্ষে আইনস্টাইন, পল লেঞ্জেভিনের মত খ্যাতনামা বিজ্ঞানীরা সুপারিশ করেছিলেন। কিন্তু এত বড় বড় মানুষের সুপারিশ সত্ত্বেও নির্বাচক কমিটি বিখ্যাত পদার্থবিদ সোমেরফিল্ডের (Sommerfeld) সুপারিশ ক্রমে কোলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের ড. দেবেন্দ্রমোহন বোসকে অধ্যাপক পদে নির্বাচন করেন। তবে কাযনির্বাহী পরিষদ ১৯২৬ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর সিদ্ধান্ত নেয় যে ড. দেবেন্দ্রমোহন বোস অপারগতা প্রকাশ করলে সে স্থানে সত্যেন বোস অধ্যাপক পদে নিয়োগ পাবে। দেবেন্দ্রমোহন বসু এই পদে যোগ না দেওয়ায় ১৯২৭ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি সত্যেন বোস অধ্যাপক পদে যোগ দেন।


আশ্চর্যের বিষয় যে এরকম একজন কর্মবীর এবং প্রথম সারির বিজ্ঞানী হওয়া সত্ত্বেও দেবেন্দ্রমোহন কেন যেন রয়ে গেছেন লোকচক্ষুর আড়ালে। তিনি যে প্রচারবিমুখ ছিলেন তাতে কোন সন্দেহ নেই। নইলে শুধু জন্মসূত্রে নয়, মেধা ও যোগ্যতায়ও যিনি জগদীশচন্দ্র বসু, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, আনন্দমোহন বসুর মত মানুষের উত্তরসুরি তিনি কেন তুলনামূলক ভাবে অপরিচিত-প্রায়! ১৯৭৫ সালের ২ জুন ভারতের কলকাতা শহরে পরলোক গমন করেন বিজ্ঞানী দেবেন্দ্রমোহন বসু আজ এই পদার্থ বিজ্ঞানীর ১৩৪তম জন্মবার্ষিকী। বাংলাদেশের গর্ব কিশোরগঞ্জের অহংকার বিজ্ঞানী দেবেন্দ্রমোহন বসুর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ২৬ শে নভেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩০
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সিটিজেন ভিজিল্যান্টি থেকে কালেমার মিছিল: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কতগুলো অশনি সংকেত - প্রথম পর্ব

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮


গত মাসে আমেরিকায় "সিটিজেন ভিজিল্যান্টি" নামে মুসলিম ও অভিবাসীবিদ্বেষী একটি সিনেমা মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি প্রথমদিকে দর্শকদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে যখন ইলন মাস্ক এক্স প্ল্যাটফর্মে তার ২৪ কোটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

'গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড' আন্দোলন কেন ব্যর্থ হলো

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১৩



মাও সে তুং-এর গৃহীত "গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড" (১৯৫৮-১৯৬০) আন্দোলনটি মূলত অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা, চরম অব্যবস্থাপনা এবং ভুল কৃষি নীতির কারণে মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ ফিরতে পারে, তবে…

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২০




১। ২০১২ থেকে সংঘটিত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১২ বছরের গু/ম, খু/ন, অ*পশাসন, গণতন্ত্র হ*ত্যা, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বং*স, দুর্নী*তি, বাকস্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের মাত্রা এমন চরমই ছিল যে, শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা-গান-খেলাধুলা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১৭

আইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×