somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

নূর মোহাম্মদ নূরু
নূর মোহাম্মদ নূরু (পেশাঃ সংবাদ কর্মী), জন্ম ২৯ সেপ্টেম্বর প্রাচ্যের ভেনিস খ্যাত বরিশালের উজিরপুর উপজেলাধীন সাপলা ফুলের স্বর্গ সাতলা গ্রামে

খ্যাতিমান সাহিত্যশিল্পী, বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরীর ৯৪তম জন্মবার্ষিকীতে ফুলেল শুভেচ্ছা

২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


বাংলাদেশের সাহিত্যে আধুনিকতার স্থপতি, খ্যাতিমান সাহিত্যশিল্পী শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনীর চৌধুরী। আমাদের নাট্যসাহিত্যে যাঁরা বিষয় ও প্রকরণ দুই দিকেই আধুনিকতার প্রবর্তন করেছিলেন, মুনীর চৌধুরী তাঁদের অগ্রগণ্য। তিনি ছিলেন একাধারে একজন সফল শিক্ষক, ব্যতিক্রমী নাট্যকার, তীক্ষ্মধী সমালোচক, অসাধারণ বাগ্মী পণ্ডিত, দক্ষ অনুবাদক ও ভাষাবিজ্ঞানী। কৈশোর থেকেই মুনীর ছিলেন প্রখর বুদ্ধি আর জ্ঞানের অধিকারী। যুক্তিতর্কে তাঁকে হারাতে পারে এমন লোকের জুড়ি মেলা ছিল ভার। মুনীর চৌধুরী ছিলেন অসাম্প্রদায়িক মানবতাবাদী মানুষ। সবধরনের ধর্মীয় গোড়ামির বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন তিনি। খুব অল্প সময়ের মধ্যে তিনি প্রতিশ্রুতিশীল ছোটগল্পকার হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। তিনি রেখে গেছেন দুটি নাটক এবং তিনটি সংকলনে বারোটি একাঙ্কিকা। নাটকের অনুবাদেও তিনি পারদর্শিতার পরিচয় রেখে গেছেন। তাঁর কাছ থেকে আমরা পেয়েছি তিনটি অনুবাদ-নাটক, পাঁচটি একাঙ্কিকার অনুবাদ-সংগ্রহ একটি এবং একাধিক নাটকের অসম্পূর্ণ অনুবাদ।
তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থসমূহঃ
নাটকঃ ১। রক্তাক্ত প্রান্তর (১৯৬২), ২। চিঠি (১৯৬৬), ৩। কবর (১৯৬৫), ৪। দন্ডকারণ্য (১৯৬৫), ৫। পলাশী ব্যারাক ও অন্যান্য (১৯৬৯)।
অনুবাদ নাটকঃ ১। কেউ কিছু বলতে পারে না (১৯৬৭), ২। রূপার কৌটা (১৯৬৯), ৩। মুখরা রমণী বশীকরণ (১৯৭০)।
প্রবন্ধগ্রন্থঃ ১। ডাইড্রেন ও ডি. এল. রায় (১৯৬৩), ২। মীরমানস (১৯৬৫), ৩। তুলনামূলক সমালোচনা (১৯৬৯), ৪। বাংলা গদ্যরীতি (১৯৭০)।
আজ এই খ্যাতিমান সাহিত্যশিল্পীর ৯৪তম জন্মবার্ষিকী। ১৯২৫ সালের আজকের দিনে ঢাকা জেলার মানিকগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন মুনীর চৌধুরী। শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনির চৌধুরীর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা।


১৯২৫ সালের ২৭ নভেম্বর ঢাকা জেলার মানিগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন প্রতিশ্রুতিশীল ছোটগল্পকার মুনির চৌধুরী। প্রকৃত নাম আবু নয়ীম মোহাম্মদ মুনীর চৌধুরী। তাঁর পৈত্রিক নিবাস নোয়াখালী জেলার চাটখিল থানাধীন গোপাইরবাগ গ্রামে। তার পিতা খান বাহাদুর আবদুল হালিম চৌধুরী ছিলেন উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তা। মুনীর চৌধুরীসহ তাঁর চৌদ্দজন ভাইবোনদের শিক্ষাদীক্ষার পেছনে বাবার বিশাল ভূমিকা থাকলেও মা এবং মা আফিয়া বেগম তাঁর সব ছেলেমেয়েদের উচ্চশিক্ষা লাভের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ অর্জনের প্রেরণা জুগিয়েছেন। নগরকেন্দ্রিক জীবনযাপন করলেও মুনীর চৌধুরীর বাল্য ও কৈশোর কেটেছে দেশের বিভিন্ন জেলা ও মহকুমা শহরে। তাঁর প্রাতিষ্ঠানিক জ্ঞানচর্চার শুরু বগুড়া থেকে। তারপর পিরোজপুরের সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়। ১৯৩৫ সালে আব্দুল হালীম চৌধুরী পিরোজপুর থেকে ঢাকায় বদলি হয়ে আসেন। মুনীরকে ভর্তি করানো হলোঢাকা কলেজিয়েট স্কুলে। ১৯৪১ সালে মুনীর চৌধুরী ঢাকা কলেজিয়েট স্কুল থেকেই প্রথম বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পাশ করার পর সে বছরেই তাঁকে আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে আই.এস.সি.-তে ভর্তি করানো হয়। আই.এস.সি. চূড়ান্ত পরীক্ষায় দুই বিষয়ে পরীক্ষা না দিয়েও মেধার জোরে অপ্রত্যাশিতভাবেই মুনীর ১৯৪৩ সালে আই.এস.সি.-তে দ্বিতীয় বিভাগ নিয়ে পাশ করেন। আই,এস,সি পাস করার পরে সে বছরেই মুনীর চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে অনার্স-এ ভর্তি হন। এখানে পড়ুয়া হিসেবে মুনীর চৌধুরীর বেশ নাম ছিল। ১৯৪৩ সালে তিনি ঢাকার বামপন্থী সংগঠন 'প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘ'-এ যোগ দেন। রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনে খুব বেশি সক্রিয় থাকার কারণে অনার্স ও মাস্টার্স পরীক্ষার ফল তেমন ভালো হয়নি। ১৯৪৬ ও ১৯৪৭ সালে তিনি দ্বিতীয় বিভাগে অনার্স ও মাস্টার্স ডিগ্রী লাভ করেন।


(মুনীর চৌধুরী ও স্ত্রী লিলি চৌধুরী)
১৯৪৮ সালে মুনীর চৌধুরী প্রগতি লেখক ও শিল্পী সংঘের সম্পাদক নির্বাচিত হন এবং এই বছরেই তিনি কলকাতায় অনুষ্ঠিত কমিউনিস্ট পার্টির সম্মেলনে যোগ দেন। ১৯৪৯ সালে মুনীর চৌধুরী খুলনার দৌলতপুর ব্রজলাল কলেজের ইংরেজির অধ্যাপক হয়ে খুলনায় চলে গেলেন। অধ্যাপনার পাশাপাশি সংসার জীবনও শুরু করলেন এ বছরেই। সংস্কারমুক্ত পরিবারের আধুনিক, শিক্ষিত ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী শিল্পী লিলি চৌধুরীকে বিয়ে করলেন। এ সময় মুনীর চৌধুরী রাজনৈতিক তত্‍পরতার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে কারাবরণ করলেন। জেল থেকে মুক্ত হওয়ার ১৯৫০ সালে পর মুনীর চৌধুরী ঢাকা জগন্নাথ কলেজের ইংরেজীর শিক্ষক হিসেবে যোগ দেন। জুলাই পর্যন্ত তিনি এ কলেজে ছিলেন। এরপর মুনীর চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাণিজ্য বিভাগের ইংরেজী ও বাংলার খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যোগ দিয়ে ১৯৫১ সাল পর্যন্ত এই বিভাগেই ছিলেন। তারপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুরোধে ইংরেজী বিভাগের অস্থায়ী শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫২ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারী জননিরাপত্তা আইনে মুনীর চৌধুরীকে আবারও গ্রেপ্তার করা হয়। কারাগারে থাকা অবস্থাতেই মুনীর চৌধুরী ১৯৫৩ এবং ১৯৫৪ সালে বাংলায় এম.এ. প্রথম পর্ব ও দ্বিতীয় পর্ব পরীক্ষা দিয়ে প্রথম শ্রেণীতে প্রথম স্থান অর্জন করলেন। তিন বছর কারাগারে থাকার পর ১৯৫৫ সালে মুনীর চৌধুরী কারাগার থেকে মুক্তি পান। মুক্ত হয়ে মুনীর চৌধুরী এবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগে অস্থায়ী প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন এবং এক বছরের ব্যবধানে স্থায়ী প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ লাভ করলেন। স্থায়ী প্রভাষক হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর মুনীর চৌধুরী সাহিত্য ও নাট্যচর্চায় অনেক বেশি মনোযোগী হয়ে ওঠেন এবং দুই বছর প্রচুর পড়াশুনা করে ১৯৫৮ সালে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষাতত্ত্বে এম.এ. করেন। ১৯৬২ সালে মুনীর চৌধুরী প্রভাষক থেকে রিডার পদে উন্নীত হন এবং এই বছরেই নাটকের জন্য বাংলা একাডেমী পুরস্কার লাভ করলেন। ১৯৬৩ সালে তিনি জাপানের টোকিওতে নাট্যসম্মেলনে যোগ দিতে গেলেন এবং ফিরে এসে ঢাকা আর্টস কাউন্সিলের সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব নিলেন। ১৯৬৫ সালে মুনীর চৌধুরী গবেষণা সাহিত্যের জন্যে দাউদ পুরস্কার এবং ১৯৬৬ সালে পাকিস্তান সরকার প্রদত্ত সিতারা-ই-ইমতিয়াজ পুরস্কার লাভ করলেন।


১৯৬৮ সালে মুনীর চৌধুরী যখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রধানের দায়িত্ব পান তখন বাংলার রাজনীতির উত্তাল সময়, ৬৯-এর গণ অভ্যুত্থান। ১৯৭০ সালে তিনি অধ্যাপক পদে পদোন্নতি লাভ করলেন। এ বছরই বাবা আব্দুল হালিম চৌধুরী মারা যান। ১৯৭১ সালে তিনি কলা অনুষদের ডিন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ভাষাতত্ত্ব বিষয়ক সেমিনারে যোগ দিয়ে দেশে ফিরলেন। বাংলাদেশ তখন এক জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি। অসহযোগ আন্দোলন চলছে। মুনীর চৌধুরী পাকিস্তান সরকারের দেয়া সিতারা-ই-ইমতিয়াজ খেতাব বর্জন করলেন। ঢাকার বুকে নেমে এল ২৫ মার্চের কালো রাত, হাজার হাজার নিরীহ মানুষকে নির্বিচারে হত্যা করা হলো। ২৬ মার্চ বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা ঘোষণা করলে শুরু হয় বাঙ্গালীর স্বাধীনতার সংগ্রাম, মুক্তির সংগ্রাম। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা যখন বাঙালীর দোড়গোড়ায়, যখন স্বাধীনতা অর্জনের আর মাত্র ২ দিন বাকি, ১৪ ডিসেম্বর ১৯৭১। তখন আরো অনেকের মতো মুনীর চৌধুরীকেও ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।আর ফিরে আসেননি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে শিক্ষাজীবনে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও আকর্ষণীয় শিক্ষক মুনীর চৌধুরী। শহীদ বুদ্ধিজীবী মুনির চৌধুরীর ৯৪তম জন্মবার্ষিকী আজ। সাহিত্যশিল্পী মুনীর চৌধুরীর জন্মদিনে ফুলেল শুভেচ্ছা।

নূর মোহাম্মদ নূরু
গণমাধ্যমকর্মী
[email protected]
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে নভেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:২৯
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সিটিজেন ভিজিল্যান্টি থেকে কালেমার মিছিল: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কতগুলো অশনি সংকেত - প্রথম পর্ব

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮


গত মাসে আমেরিকায় "সিটিজেন ভিজিল্যান্টি" নামে মুসলিম ও অভিবাসীবিদ্বেষী একটি সিনেমা মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি প্রথমদিকে দর্শকদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে যখন ইলন মাস্ক এক্স প্ল্যাটফর্মে তার ২৪ কোটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

'গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড' আন্দোলন কেন ব্যর্থ হলো

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১৩



মাও সে তুং-এর গৃহীত "গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড" (১৯৫৮-১৯৬০) আন্দোলনটি মূলত অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা, চরম অব্যবস্থাপনা এবং ভুল কৃষি নীতির কারণে মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ ফিরতে পারে, তবে…

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২০




১। ২০১২ থেকে সংঘটিত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১২ বছরের গু/ম, খু/ন, অ*পশাসন, গণতন্ত্র হ*ত্যা, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বং*স, দুর্নী*তি, বাকস্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের মাত্রা এমন চরমই ছিল যে, শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা-গান-খেলাধুলা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১৭

আইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×