somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মধ্যবিত্তের ছেলে
মনটা বড়ো বর্ণচোরা। সে নানা রকম বর্ণ ধারণ করতে খুব পটু। এই রঙ হলুদ,নীল, বেগুনী কিংবা আকাশী নয়, অদৃশ্য কিছু হাজার রকম রঙের ছুড়োছুড়ি এ মনে।।ফেসবুকের: অদ্ভুত মানুষ

মানসিকতার অমানসিকতা

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

মানসিকতা! মানুষ হয়ে জন্ম নিয়েছি যখন মানসিকতা ত থাকবেই। খোদা যখন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম প্রাণি হিসেবে বানিয়েছেন তখন অদৃশ্য এই গুণ আমাদের মস্তিষ্কের ভিতরেই বসিয়ে দিয়েছেন। আর মনুষ্যজাতিকে পৃথিবীর অন্যান্য জাতি থেকে আলাদা প্রমান করতে গিয়ে আমরা মানসিকতাকে কাজে লাগাই। আসলে এই মানসিকতা একটা এমন গুণ যা ভাল-মন্দ বিচারের সময় পুংখানুপুংখ ভাবে ব্যবহার করি।
কেননা, বিশ্বপরিক্রমা যখন সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে সেখানে আজ আমাদের মানসিকতা নয় মানবিকতাও ভুলক্রমে লাইনচ্যুৎ হয়ে হিংস্র হায়েনার মত আমরা দুর্বলকে খুব সহজে ক্ষতি করতে থাকি। আর কিছু কিছু মানব তো এই দুর্বলের উপর অত্যাচার নিত্যনতুন কর্মসংস্থানে পরিণত করে ফেলেছে। এই যেমন ধরুন, আমাদের মত উন্নয়নশীল দেশ যখন ভীনদেশীদের নিরপরাধ কাজকে অনুসরণ করে আমার দেশের তরুন বালক-বালিকা গুলো বলছে, আমি ত জানতামই না ধর্ষণ একটা অপরাধ!! বাস্তবিক অর্থে এই বাক্যটা শুনে হয়ত আপনার, বাহ বাহ দিতে ইচ্ছে করবে এই নির্বোধ বাচ্চাগুলোর বাবা-মা কে। "নির্বোধ"!! আসলে শুশীল পরিবার থেকে যা শেখার কথা ছিল তা যেহেতু জন্ম পরবর্তি সময় থেকে না শিখে অশিক্ষিতই রয়ে গেছে সেখানে ত নির্বোধ বলাই যায়। একটু ভেবে দেখুন, আমি-আপনি ঠিকই এই শিশুদের কাছে একেবারেই অবলা। হে হে হে, অবলা, কারন আমি-আপনি আজোও কোনো নারীকে কিভাবে ফাঁদে ফেলে দিতে হয় তা শিখতে পারি নি। আজ না হোক কাল কিংবা পরশু যেদিন এই নির্বোধ বাচ্চাগুলো আপনারই সামনে হাতে বিড়ি জ্বালিয়ে বলবে, " দে, বিড়ির শেষ টান মানে ১৮ বছরের কম বয়সী কিশরীর....। আমার যেখানে লিখে প্রকাশ করতে লজ্জা করছে সেখানে তাদের বলতে একটুও দ্বিধা হয় নি। আসলে দোষ কাদের দেবেন?!! প্রশ্ন করুন ত নিজেকে? ভাবছেন এই উত্তর খুঁজে আপনার লাভ কি হবে! আরে! লাভ-ক্ষতির হিসাবটা না হয় আপনি ব্যবসায়ীমহলের হাতেই ছেড়ে দিন। ভাবুন, আপনার স্ত্রী অথবা বোন নয়ত আপনার মেয়ে যখন এই সাত রঙে রঙিন দুনিয়াতে পা দিতেই মুখিয়ে থাকা হিংস্র মানবরূপী জ্বীভ থেকে লালা গড়ানো হায়নাগুলোর চোখে পরে যাবে তখন তার আশ্রয় দিতে হলে আপনারই আসতে হবে। নরম মাংস লোভী এই মানুষগুলো যখন কোনোদিনই স্বাভাবিক মানুষে পরিণত হতে পারবেই না তখন আমার-আপনারই সজাগ থাকতে হবে। আবার এদিকটাও ছোট বেলা থেকে শুনে আসছি এক হাতে তালি বাজে না। কিংবা, নারী, তুমি ত টক তেঁতুলের মত, দেখলেই জ্বীভে জল চলে আসে। বলি কি, জ্বীভে জল তখনই আসবে যখন জল চলে আসার মত ইঙ্গিত আমাদের মা-বোনরা ছুড়ে দেবেন। আবার হ্যা, বিপদে পরে যাওয়ার পর এই নারী জাতি ঠিকই আইনের আশ্রয় নিয়ে নেয় যখন আর করার কিছুই থাকে না।
আসলে আমি একটা জিনিস এখনোও বুঝি না, পুলিশি কেইস ত সেটাই হবে যা কিনা ধর্ষণ। অর্থাৎ, ছেলেটির পুর্ণ ইচ্ছাতে আর মেয়ের পুর্ণ অনিচ্ছাতে মিলতে হয়। আর বর্তমানে পুলিশি কেইস হয় ওই ধর্ষণ মামলাটিই যেটির blur করা ছেলেটির মুখ সংবলিত ভিডিওটি ১৮+ website এ ফ্রিতে আপলোড দেওয়া হয়। স্বাভাবিকভাবেই তখন মেয়েটিকে তার পরিবারের কাছে নির্দোষ প্রমানের জন্য আইনের আশ্রয় নিতেই হয়।।

বুঝাতে পেরেছি হয়ত। আসলে আপনি নিজেও তা বুঝেন। পার্থক্য এটাই আমি বলে দিয়েছি আপনি নিজের মধ্যে কথাগুলো সুপ্তাবস্থায় রেখে দিয়েছেন। হে হে....
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ দুপুর ১:০৮
৫টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

সিটিজেন ভিজিল্যান্টি থেকে কালেমার মিছিল: সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কতগুলো অশনি সংকেত - প্রথম পর্ব

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৮


গত মাসে আমেরিকায় "সিটিজেন ভিজিল্যান্টি" নামে মুসলিম ও অভিবাসীবিদ্বেষী একটি সিনেমা মুক্তি পায়। চলচ্চিত্রটি প্রথমদিকে দর্শকদের মধ্যে তেমন জনপ্রিয় হয়নি। পরে যখন ইলন মাস্ক এক্স প্ল্যাটফর্মে তার ২৪ কোটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

'গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড' আন্দোলন কেন ব্যর্থ হলো

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১:১৩



মাও সে তুং-এর গৃহীত "গ্রেট লিপ ফরোয়ার্ড" (১৯৫৮-১৯৬০) আন্দোলনটি মূলত অবাস্তব লক্ষ্যমাত্রা, চরম অব্যবস্থাপনা এবং ভুল কৃষি নীতির কারণে মানব ইতিহাসের অন্যতম ভয়াবহ অর্থনৈতিক ও মানবিক বিপর্যয়ে পরিণত... ...বাকিটুকু পড়ুন

আওয়ামী লীগ ফিরতে পারে, তবে…

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০২ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৯:২০




১। ২০১২ থেকে সংঘটিত আওয়ামী লীগের দীর্ঘ ১২ বছরের গু/ম, খু/ন, অ*পশাসন, গণতন্ত্র হ*ত্যা, নির্বাচনী ব্যবস্থা ধ্বং*স, দুর্নী*তি, বাকস্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার হরণের মাত্রা এমন চরমই ছিল যে, শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

সিনেমা-গান-খেলাধুলা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ২:১৭

আইন সমাজ নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি নয়। আইন দৃশ্যমান, প্রতিরোধযোগ্য। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো মানুষকে নিজেই নিজের আনন্দ নিষিদ্ধ করতে শেখানো। জীবন থেকে আনন্দের উচ্ছেদ ঘটানো। এই কাজটি বাংলাদেশে গত... ...বাকিটুকু পড়ুন

প্রতি বছর জুলাই আসলেই কি কাউয়া ক্যাচাল লাগতে হবে?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা জুলাই, ২০২৬ রাত ৩:৫০


জুলাই মাসটা আবার ঘুরে ফিরে আসতেই দেশের রাজনৈতিক পাড়ায় পারদ চড়তে শুরু করেছে। বিশেষ করে যারা গত দুই বছর আগের আন্দোলনের ফসল ঘরে তুলেছেন, তাদের কাছে এই জুলাইয়ের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×