somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

মধ্যবিত্তের ছেলে
মনটা বড়ো বর্ণচোরা। সে নানা রকম বর্ণ ধারণ করতে খুব পটু। এই রঙ হলুদ,নীল, বেগুনী কিংবা আকাশী নয়, অদৃশ্য কিছু হাজার রকম রঙের ছুড়োছুড়ি এ মনে।।ফেসবুকের: অদ্ভুত মানুষ

এটাই কি স্বাভাবিক না!?

১৬ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কখনো কখনো লিখার ইচ্ছাটা এতই বেড়ে যায় যে কি লিখব বিষয়বস্তু খুঁজে পাই না। লিখতে তো কত কিছুই না ইচ্ছে করে কিন্তু সবকিছুই কি আর লিখা যায়! জীবন এমনি এক বৈচিত্রময় গল্প যেখানে কখনো ছন্দের মিল থাকে আবার কখনো থাকে না। যেগুলো লিখতে চাইলে কলমের কালি শেষ হয়ে যাবে তবু গল্পটা শেষ হবে না, কারণ সে তো ফুরোবার নয়।

এই যেমন সময় ছুটে চলে আপন গতিতে, ঝর্ণার পানির ধারা চলার পথে কোথাও বাঁধা পেয়ে তৈরী করে সরোবর আবার কোথাও গহীন অরণ্যে সৃষ্টি করে গভীর খাঁদ। তেমনি মানুষও সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে ছুটে চলার পথে জেনে না জেনে, বুঝে না বুঝে তৈরি করে কত না কত গৌরবময় সৃষ্টি আবার কখনো কখনো কুৎসিত কদাকার বীভৎস রূপ। যে বীভৎস রূপ শরীরটাকে দীর্ধকাল আঁচড়ে ধরে রাখে। অথচ এই দীর্ঘকাল ধরে রাখা বীভৎস রূপটার পুর্বের জীবনটাতে সবকিছু কতই না স্বাভাবিক থাকে! স্বাভাবিকতার মধ্যে থাকে হাসি-কান্না, আনন্দ-বেদনা, গান, কবিতা, স্মৃতি সবই। আর তখন বুঝা সহজ হয়ে যায় জীবন কখনো সুখের আবার কখনো দুঃখের হতেই পারে, তাই বলে থেমে থাকা! না! এভাবে কখনোই হয়ে আসে নি, হবেও না।

কিছু ভালবাসা, কিছু স্মৃতি আর কিছু কষ্ট যা মানুষের সবসময় মনে থাকবে। ভালবাসা এমনই একটা অনুভূতি, যা কারো সাথে সারাজীবন থেকেও আসে না। আবার কারো সাথে হয়তো কিছু মুহুর্তই যথেষ্ট যা কখনো জোর করে হয় না। এটাই কি স্বাভাবিক না!?
আমি বামপন্থী ভালবাসাগুলোর কথা বলছিলাম। এই বামপন্তী ভালবাসাগুলো ছলনার ছন্দে ছন্দপতন হয়ে যখন ভূপাতিত হয় তখন ভঙ্গুর মনের টুকরো গুলো একটু আশ্রয় চায়, আশ্রয় পেয়ে প্রশ্রয় পেলে সূচনা হয় এক প্রেমের নতুন দিগন্তের। যেখানে মূল উদ্দেশ্য থাকে কেটে যাওয়া ক্ষতস্থান যেন মলিন হয়ে না যায়। কেন মলীন হয়ে না যায়? কারন, ব্যর্থতার উদ্ভব হয় নতুন করে গড়ে ওঠার জন্য। আমি গড়ে ওঠা বলতে গুছিয়ে নেওয়াকে বুঝি। আর যদি প্রশ্রয় না পেয়ে অবহেলিত হয় তবে সেই বামপন্থি ভালবাসার ভাঙ্গা টুকরোগুলো উগ্রপন্থি হয়ে শুষে নিতে থাকে জীবনামৃতের সবটুকু আনন্দ। ভেবে দেখুন তো, এটাই কি স্বাভাবিক না??

কিন্তু সবচেয়ে বড় কথা হল ‘সম্মান’, যেটা সবকিছুতেই আবশ্যক। কেউ কেউ বলবে আমরা আবশ্যক বানিয়ে নিয়েছি। সমাজটাই ত এমন। কিছু ঘটনা থাকে যা অন্যকে শুনালে আপনার মত করে বুঝতে চায় না। ঘটনাগুলোকে আনন্দ-বেদনা দিয়ে বিশ্লেষণ করা যায়। বিশ্লেষণ করলে অনুশোচনা করার মত অনেক ঘটনাই থাকে যা নিজেকে তিলে তিলে পুড়িয়ে দিতে থাকে। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে এর উল্টোটাও ঘটতে পারে। অনুশোচনার দহনে পুড়ে খাটি সোনা হয়ে উঠতে পারে। আসলে সবটুকুই নির্ভর করে ব্যাক্তির দৃষ্টিভঙ্গির উপর। আমি মনে করি একটি ব্যাক্তি ভুল করলে তার প্রতি সমাজের বুড়ো আঙুল কিংবা রূঢ় আঙুল না উঠিয়ে ভুলটা শুধরে দেয়া যদি তাও সম্ভব না হয় অন্তত ভুলটা ধরিয়ে দেয়া কিংবা তাকে অনুশচনা করার সুযোগ দেয়া। আমি সে চেষ্টাটাই নিজ উদ্যোগে করেছি। একটু ভেবে দেখলে বুঝা যায় যে অপমান সইতে পারে সেই তো জীবনের বন্ধুর পথ পাড়ি দিয়ে বহুদূর যেতে পারে। এটা ভাবা উচিত, কাঁচা হাতের রান্নায় নুনের পরিমানটা কম হতেই পারে। তাই বলে সে কখনো হেরে যায় না, হয়তো জিতে নয়তো শিখে।

অতীত কোন ঘটনায় অনুশোচনাকে কেন্দ্র করে জীবনকে থামিয়ে দেয়া কোন বুদ্ধিমানের কাজ নয়। কেননা অতীতকে যে পরিবর্তন করা যায় না তা ধ্রুব সত্য। তাই অতীতকে অনুশোচনার মাধ্যমে বর্তমানকে শুধরে ভবিষ্যতকে আলোকময় করার চেষ্টা করাই কি উচিৎ নয়!? নিজের নেয়া কোন সিদ্ধান্তকেই ছোট করে দেখা ঠিক না, কেননা তোমার জীবন তোমার দুনিয়া। অন্যের সিদ্ধান্তকে মেনে নিয়ে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করার চেয়ে নিজের সিদ্ধান্তে বার বার হোঁচট খাওয়াটা অন্যের কাছ থেকে দুর্নাম শুনার থেকে অনেক ভালো। সব কিছু শিখে গেলে বুঝা সহজ হয়ে ওঠে নিজের পৃথিবী, নিজের ইচ্ছা, নিজের লক্ষ্য। এটাই স্বাভাবিক।।

সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:০৯
১টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

=আয় সখিরা ফিরে যাই মেয়ে বেলা=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১৯ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১০:৪৯


যাবি নাকি তোরা সখি
আমার সাথে মেয়েবেলা;
যেখানটাতে বসতো যে রোজ
কানামাছি বউছি খেলা।

ভাইবোনেরা রোজ বিকেলে
মাঠে হতাম সমবেত,
ডাংগুলি আর গোল্লাছুটে
বিকেল-খেলায় কেটে যেত।

খেলার আসর উঠোনজুড়ে
তোরাও কী খেলতি এমন?
করলে স্মরণ অতীতের দিন
বুকে লাগে কেমন কেমন।

আয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি মাস্টার্স পাস করে ড্রাইভিং পেশা বেছে নিয়েছি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ রাত ১২:৪৩


পিংক বাস সার্ভিসের একজন নারী চালক, নাম রাবেয়া খাতুন। তিনি মাস্টার্স পাশ করে বাস চালাচ্ছেন। খবরটা পড়ে অনেকেই বাহবা দিচ্ছেন, কেউ কেউ বলছেন বাংলাদেশ এমন প্রতিভাকে ধরে রাখার যোগ্য... ...বাকিটুকু পড়ুন

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ সকাল ৮:১৭

একটি মেয়ের দৌড়াদৌড়ি ও একটি মায়ের অপেক্ষা

মঙ্গলবার রাত ১০টা ২৭ মিনিট। গুলশানের একটি হাসপাতালে থেমে গেল ব্যারিস্টার তৌফিক নেওয়াজের হৃদয়- দীর্ঘদিনের অসুস্থতার পর।

আর ঠিক তখন, শহরের অন্য প্রান্তে, মুন্সিগঞ্জ... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিকাশ নূরা এবং হিরো আলমকে যারা প্রধানমন্ত্রী ভাবতেন ;)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৩২



একজন মানুষের জ্ঞান-বুদ্ধি, শিক্ষা-দীক্ষা থাকার চাইতেও জরুরী বিষয় হচ্ছে তার অন্তর্দৃষ্টি থাকা। অন্তর্দৃষ্টি, অন্তরচক্ষু বা জ্ঞানচক্ষু সম্পন্ন একজন ব্যক্তিকে কখনোই ধোঁকা দেওয়া বা ধোঁকায় ফেলানো সম্ভব নয় কারণ এরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাঙ্গালী কেন মুসলমান হতে পারে না?

লিখেছেন মুহাম্মদ মামুনূর রশীদ, ২০ শে আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৫:৪৫

অনারব টার্কিশ, কুর্দি আর ইরানিয়ানরা তাদের নিজ নিজ ভাষা ও সংস্কৃতি সংরক্ষন করে ও তা ধারন করেও তারা মুসলিম, পাকিস্তানের পাঞ্জাবীরাও যখন নিজেদের পাঞ্জাবী জাতি হিসেবে অহংকার করে, তখনও তারা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×