
নগরীর প্রত্যহিক ব্যস্ততা এখানের চিরায়ত জীবনব্যবস্থায় কোন স্পন্দন জাগায় না। চারদিকে কেবলি অভাব আর দারিদ্র্যের নির্মম ছড়াছড়ি।
রাত বাড়ছে ক্রমশঃ।
শীতের রাত।
আকাশে ঝুলে আছে হাজার বছরের পুরনো ভয়ানক একা একটি ক্ষয়াটে চাঁদ।
রাতজাগা কোন একটা পাখির ডানা ঝাপটানোর শব্দ ভেসে আসছে। কি আশ্চর্য রকম নীরব হয়ে আছে চরাচর।
টুপটাপ ঝরে পড়ছে জমাট শিশির। হঠাৎ মনে হলো শিশিরের ঝরে পড়া আর চোখের জল ঝরে পড়ার মাঝে কোন একটা মিল হয়তো রয়েছে।
কখনো বুক ভার হয়ে এলে মানুষ কেঁদে নিজেকে হালকা করে নেয়। মাঘের এই শীত=কাতর রাতেরও কি কোন দুঃখ রয়েছে?
জানিনা।
আমরা কালের পরিক্রমা আর জীবনের জটিলতায় অঝোর ধারায় কাঁদতেও ভুলে গেছি।
আমার এই মুহুর্তে খুবই ভালো লাগছে। মন খারাপ করা ভালো লাগা। আমি বহুদিন পরে আজ নিজেকে উজাড় করে কাঁদতে পারছি। ফেলে আসা অনেক ধূসর অতীত,এখান ওখানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সহমর্মী কিছু হাত,ঝাপসা হয়ে আসা অনেক প্রিয় মুখ আজ এসে ভিড় করছে।
ফোটায় ফোটায় ঝরে পড়ছে পাতার উপর জমে থাকা শিশির। চোখের কোল বেয়ে ঝরতে থাকে অঝোর শ্রাবন।
রাত বাড়তে থাকে ক্রমশঃ...............।
``চোখের জলে হয়না কোন রং.........''

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



