তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তন নিয়ে মানুষের প্রশ্নঃ
আজ বাংলাদেশের রাজনীতিতে সবচেয়ে উচ্চারিত প্রশ্নগুলোর একটি হলো
খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান কী আদর্শ নিয়ে ফিরছেন?
তিনি কি সত্যিই জনগণের লড়াইকে ধারণ করে ফিরছেন,
নাকি “সমঝোতার রাজনীতি” করে নিরাপদ প্রত্যাবর্তনের পথ বেছে নিচ্ছেন?
এই প্রশ্ন কোনো ব্যক্তি বিশেষের না-
এটা শতশত মানুষের বুকের ভেতরের জমে থাকা প্রশ্ন।
জুলাই কি ভুলে যাওয়ার বিষয়?
বাংলাদেশের রাজনীতিতে জুলাই কোনো মাস না
জুলাই একটি ইতিহাস,
জুলাই একটি রক্তাক্ত অধ্যায়,
জুলাই হলো নিপীড়নের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের সাহসী দাঁড়িয়ে যাওয়া।
এই জুলাইয়ের বুকের উপর পা রেখে
যদি কেউ রাজনীতিতে ফেরে
তাহলে মানুষ প্রশ্ন তুলবেই।
কারণ জনগণ আর মুখের বুলি চায় না,
চায় স্পষ্ট অবস্থান।
⸻
আদিপ্রতিবিরোধিতা নাকি সুবিধাজনক নীরবতা?
যদি সত্যিই আদিপ্রতিবিরোধিতা না থাকে,
যদি আগ্রাসন, আধিপত্য ও অসম প্রভাবের বিরুদ্ধে স্পষ্ট কণ্ঠ না শোনা যায়,
তাহলে মানুষ কেন বিশ্বাস করবে?
রাজনীতি এখন আর
“কৌশলী চুপ থাকা” দিয়ে চলে না।
জনগণ জানতে চায়
• আপনি কার সাথে?
• জনগণের সাথে, নাকি ক্ষমতার সুবিধাজনক সমঝোতার সাথে?
• সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আপসহীন, না কূটনৈতিক নীরবতায় বিশ্বাসী?
⸻
নামের উত্তরাধিকারই কি যথেষ্ট?
খালেদা জিয়া–র সন্তান হওয়া মানেই নেতা হওয়া নয়।
নেতৃত্ব আসে—
• সাহস থেকে
• অবস্থান থেকে
• জনগণের কষ্টকে নিজের কষ্ট ভাবার মানসিকতা থেকে
আর তারেক রহমান যদি সত্যিই জনগণের নেতা হয়ে ফিরতে চান,
তাহলে তাঁকে স্পষ্ট করে বলতে হবে—
“আমি কোনো দাদাবাবুর সাথে না,
আমি এই দেশের মানুষের সাথে।”
শেষ কথা
বাংলাদেশের মানুষ এখন আর বিভ্রান্ত নয়।
তারা দেখে, বোঝে, বিচার করে।
সমঝোতার রাজনীতি দিয়ে
হয়তো ক্ষমতায় যাওয়া যায়,
কিন্তু ইতিহাসে জায়গা পাওয়া যায় না।
ইতিহাস জায়গা দেয় শুধু তাদেরই,
যারা জনগণের জুলাইকে বুকের ভেতর ধারণ করে হাঁটে
পায়ের নিচে পিষে ফেলে না।
এই প্রশ্ন আজও রয়ে গেল
তারেক রহমান আদর্শ নিয়ে ফিরছেন,
নাকি সমঝোতার রাজনীতি নিয়ে?
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ১০:১৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




