
শহিদুল ইসলাম প্রামানিক
পকেটমারে দল বেঁধে কয়
নেতার কাছে গিয়ে
আমরাই করি মিছিল মিটিং
ভাঙচুর পিকেটিংয়ে।
জনগণকে অনেক দিলেন
আমরা পাইনি কিছু
সবসময় যে থাকি মোরা
আপনার পিছু পিছু।
আর তো কোন কাজ জানিনা
পকেট মারা পেশা
চর-থাপ্পর আর কিল-ঘুষিতেও
যায় না মোদের নেশা।
রিলিফ টিলিফ চাই না নেতা
সুযোগ চাই যে বড়
সামনের মাসে মিটিং দিয়ে
লোক করবেন জড়।
সেই মিটিংয়ে দিবেন নেতা
মোদের সুযোগখানি
এই কথাতে হবেন রাজি
আমরা সবাই জানি।
চিন্তা করে দেখলো নেতা
সংখ্যায় এরা কমনা
পকেট মারের সুযোগ দিতে
মিটিং দিলেন রমনা।
মিটিং যখন চলতে ছিল
তখন ছিল দুপুর
লোকে লোকে লোকারণ্য
মাঠ ছিল ভরপুর।
সেই মিটিংয়ে সাপোর্ট চেয়ে
বললেন, ‘উঠাও হাত’
সবাই তখন হাত উঠালো
থাকলো না তফাত।
উপর দিকে দু’হাত তুলে
সবাই দিল তালি
সুযোগে পেয়ে পকেট মারে
পকেট করল খালি।
নেতার কথায় হাত তোলাতে
পকেট হলো ফাঁকা
বাসের ভিতর অনেক লোকে
পায়না খুঁজে টাকা।
কোথা থেকে কি হলোরে
বুঝলো না তো কেউ
কান্ড দেখে সবার মাঝে
উঠল হাসির ঢেউ।
ভালো-মন্দ সব মানুষের
ভোটের মূল্য সমান
ইলেকশনে বাস্তবে হয়
এই কথাটার প্রমাণ।
ভোটের সময় নেতার কাছে
সবাই সমান ভাই
মুন্সি, মোল্লা, চোর-ডাকাতের
কোন তফাত নাই।
ছবিঃ অন্তর্জাল
রচনা কালঃ ৩০-০৭-২০১৫
পুরানা পল্টন
সর্বশেষ এডিট : ২৩ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ বিকাল ৪:৩৯

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




