সেই কবে প্রাচীনকালে যখন মূদ্রা’র প্রচলন ছিলনা তখন বিনিময়ের মাধ্যমই ছিল মুখ্য। তারপর আস্তে আস্তে যুগের পরিবর্তনের সাথে সাথে ”মুদ্রার” প্রচলন ঘটে, ব্যাবসা বাণিজ্য তথা আর্থিক লেনদেনের প্রধান এবং সবচেয়ে কার্যকরী ভূমিকা হিসেবে যখন মুদ্রার আত্মপ্রকাশ ঘটে তখন এর কার্যপরিধি যেমন বেড়ে যায় তেমনি অপেক্ষাকৃত সুবিধাজনক হওয়ায় এর পরিচিতিও ব্যপক বৃদ্ধি হয়। পরবর্তীতে বিভিন্ন দেশে বিভিন্ন নামে, বিভিন্ন ডিজাইনে, কাগজের পৃষ্ঠায়, ধাতুতে মুদ্রা প্রকাশ পায়।
সেভাবেই আমাদের দেশে প্রতিষ্ঠিত পায় ”টাকা” আর সেই টাকা বানানোর জন্য কারখানা স্থাপিত হয় গাজীপুরে। গাজীপুরেই দেশের সমস্ত টাকা প্রিন্ট করা হয়।
চিন্তা করুন আমাদের মাঝে এই ধনী, গরীব ব্যবধান, হিংসা, খুন সবকিছুই মুলে রয়েছে এই অর্থ। এই অর্থ বৃদ্ধির প্রক্রিয়ায় প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করার মূল্ওে রয়েছে এই অর্থ। আজ আমাদের দেশের মহান নেতারা যে কারণে চাদাবাজির মামলায় ফেসে গেছেন তার মূলেও রয়েছে এই অর্থ, অর্থের পরিমান বাড়াতে দূর্নিতী, সবকিছুই এই অর্থের জন্য।
অর্থ্যাৎ অর্থই সকল অনর্থের মূল।
আমার এই ভাবনটি খুবই সহজ এবং সরল, কোন যৌক্তিক নয় হয়তবা, তব্ওু মনে হয় যদি এই গাজীপুরের এই কারখানাটি না থাকত আর টাকা প্রডিউস না হত তাহলে কি এর বিপরীত কিছু হতে পারত ?

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



