
আজ দিনের বেলা তিনটা মশা আমাকে কামড় দিয়েছে।
সত্যি সত্যি'ই কামড় দিয়েছে। এমনতেই সারাক্ষন খুব ভয়ে ভয়ে থাকি। অলরেডি আমার বাসার চারজনের ডেংগু হয়ে গেছে। আল্লাহর রহমতে তারা এখন সুস্থ হওয়ার পথে। চারিদিকে ডেংগু। হাসপাতাল গুলোর অবস্থা ভয়াবহ। আজ বাসা থেকে বের হলাম আর তিনটা মশা কামড় দিয়ে দিল। আল্লাহ'ই জানেন আবার ডেংগু হয় কিনা!
প্রথম মশা কামড় দিলো এক লোকাল বাসে।
বাসে করে খিলখেত যাচ্ছি। চিল্লাচিল্লি করে বাস থেকে নেমে গেলাম। যাবো না তোমাদের বাসে। বাস থেকে নেমে দেখি মহাখালী ওভারব্রীজের মাঝখানে আমি। হেঁটে হেঁটে আমাকে ব্রীজ থেকে নামতে হলো। পড়েছি নতুন এক সু। সু টা আজ'ই প্রথম পড়েছি। বেশ বেগ পেতে হচ্ছে। ইচ্ছা করছে সু টা ছুড়ে ফেলে দিয়ে খালি পায়ে হাঁটি।
দ্বিতীয় মশা কামড় দিলো এক সরকারী অফিসে।
তেজগাঁ মিল্কভিটা অফিসে গিয়েছি। একজনের সাথে দেখা করবো। যার সাথে দেখা করবো উনি মিটিং এ আছেন। আমি রিসিপশনে বসে আছি। কেউ এসে চা নাস্তা দিয়ে যাচ্ছে না কেন বুঝতে পারছি না। রীতিমতো রাগ লাগছে। ঠি এই সময় ঠিক গলার কাছে একটা মশা কামড় দিলো। জ্বলছে বেশ। আজ ভাগ্যটাই খারাপ।
মন মেজাজ খারাপ। ভাবলাম এক কাপ চা খাই।
রাস্তার পাশে চায়ের দোকানে তৃতীয় মশা কামড় দিলো! খুব চুলকাচ্ছে। লাল হয়ে আছে। মেজাজ এমন খারাপ হলো যে কাপ সহ চা ফেলে দিলাম। চায়ের দোকানদার বলব, আমি সারা দিন এখানে দোকানদারি করি আমাকে তো কোনো মশা কামড়ায় না। ভালোয় ভালোয় চায়ের কাপের দাম দেন। চা সহ চায়ের কাপের দাম দিলাম।
একটা সিগারেট ধরিয়ে, মন খারাপ করে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছি।
ঠিক এমন সময় মোবাইল বেজে উঠলো। মা ফোন দিয়েছে। বলল, পন্ডিত বাসায় চলে আয়। তোর প্রিয় খাবার রান্না করেছি। আমি একটা রিকশা নিয়ে বাসায় চলে এলাম। বাসায় আসার আগে তিন কেজি পেয়ারা কিনে নিলাম। একলোক ভ্যানগাড়িতে করে পেয়ারা বিক্রি করছে। আশি টাকা কেজি। সুরভি পেয়ারা খুব পছন্দ করে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে জুলাই, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




