
অভদ্র এক শহর ঢাকা শহর।
এই শহরের মানুষ গুলো ঘর থেকে বাইরে বের হলেই হিংস্র হয়ে যায়। তখন তাদের মধ্যে কোনো মায়া দয়া দেখা যায় না। অতি সজ্জন ব্যাক্তি, যার বউ বাচ্চা, বাবা মা আছেন। এমন লোকও বাইরে বের হলেই পশু হয়ে যায়। এই শহরের কিছু সমস্যা আছে তা যুগ যুগ ধরে রয়ে গেছে। এর কোনো সমাধান হচ্ছে না। এই শহরে মাঝে মাঝে আমার দম বন্ধ হয়ে আসে। অথচ এই শহরে জীবনটা পার করে দিচ্ছি। এই শহরের মানুষ গুলো অভদ্র। তাই এ শহরের পজেটিভ পরিবর্তন হচ্ছে না। আমি চাই শহরটা সুন্দর হোক, পরিচ্ছন্ন হোক। মানুষ গুলো ভদ্র হোক। মানবিক হোক। শুধু সিটি করপোরেশন বা সরকারের পক্ষে কোনো দিনও সম্ভব না এই শহরের সমস্যা গুলো দূর করা। শহরের সমস্ত মানুষকে সজাগ হতে হবে। শহরকে ভালোবাসতে হবে। এই শহরে সারাদিন ঘুরে ঘুরে শহরের সমস্যা গুলো আমার চোখে খুব বেশী পড়ে।
১।

গত মাসে পরিবারের সবাই মিলে এক রেস্টুরেন্টে খেতে গিয়েছিলাম। রেস্টুরেন্টটা ২২ তলার উপরে।
২।

ওই যে দূরে ঐ পাশে বঙ্গবন্ধুর বাড়ি। উপর থেকে দেখলে ঢাকা শহরে কিছু গাছপালা চোখে পড়ে।
৩।

৪।

একটা কোর্স করেছিলাম। আচার-আচরনের উপর। শেষ ক্লাশের দিনে।
৫।

এই ছবিটা তুলেছি। গতকাল। কাওরানবাজারের কাছে। ডান পাশে ছিল বসুন্ধরা মার্কেট। লোকটা দাড়িয়ে আছে। কেউ কিনছে না। মাত্র দশ/বিশ টাকা দাম।
৬।

বনানী।
৭।

হাতির ঝিল। মধ্যদুপুরে।
৮।

ওই দূরে দেখেন, একটা পোটলার মতোন কিছু পড়ে আছে। ওইটা একটা ৪/৫ বছরের বাচ্চা মেয়ে। নাটকের শূটিং চলছে।
৯।

বাবু বাজার ব্রীজ। কোনো পরিবর্তন নেই। সেই আগের মতোন নোংরা।
১০।

বাংলা মটর। দুপুর দুইটা।
১১।

আজও মানূষের শান্তি নেই। দৌড়ে দৌড়ে বাসে উঠতে হয়। নামতে হয়। বসার জন্য সিট পাওয়া যায় না। দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে চলে গেলেও, গনপরিবহনে শান্তি নেই।
১২।

ছবিটা এক রাস্তার পাশের চায়ের দোকান থেকে তুলি। মৌমাছি থাকবে ফুলের মধ্যে, চিনিত বাটিতে কি করে?!
১৩।

স্কয়ার হাসপাতালের ৯ তলা থেকে। পরী ভাবী এই হাসপাতালেই ভর্তি ছিল।
১৪।

ছবি আমার ঘরের বারান্দা থেকে তুলি। ঐ দূরে একটা বিয়ে বাড়িতে আজ ১০ দিন ধরে লাইট জ্বলছেই। সাধারনত বিয়ে বাড়ির আলোকসজ্জা থাকে ৩/৪ দিন। অথচ---
১৫।

একদিন দুপুরবেলা রান্না ঘর থেকে দেখি একটা পাখি, ছাদের গ্রীলে থেমে আছে অনেকক্ষন ধরে। মনে হয় পাখিটা অসুস্থ। এটা কি চিল?
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




