
১। ছোটলোকের বাচ্চাদের কাজই এমন!!! ওরে ট্রাক চাপা দিয়ে মারা উচিত!!
২। আমি মনে করি অল্প সময়ে মেরে ফেলা মানে শান্তি দিয়ে দেয়া। ওদের মতো খাটাশ'দের কুমিরের খামারের উপর ঝুলিয়ে রাখা যাতে করে সে মৃত্যুর অপেক্ষায় থাকে এবং পরে কুমির গুলো ছিঁড়ে খায়।
এদের মৃত্যুগুলো হোক এমন।
৩। এরে নিয়ে কোন গবেষণার প্রয়োজন নেই, রাতে বস্তির পাশে মাদক উদ্ধারে যেয়ে বদ হারামীকে বাগানের পাশে ফেলে আসুক, সকালে পুলিশ মর্গে নিয়ে যাবে।
৪। জানোয়ার বাচ্চাকে প্রকাশ্য গুলি করে মারা হোক, আর এর পেছনে কোনো কাহিনি থাকতে পারে, ইস্যু বাহির করে তো দেশ চালানো হচ্ছে। কাজেই সাবধাণ।
৫। গোপন অঙ্গ বরাবর শট গান দিয়ে ,আর মাথার খুলি বরাবর একে 47 লাগিয়ে কমপক্ষে 12 রাউন্ড গুলি ছুড়তে হবে,অন্য কোনো বিচার মানি না,মানব না,আমার আপনার দেয়া ট্যাক্স এর টাকায় এই অপরাধী গুলো কে জেলে আরামদায়ক বাসস্থান আর 3 বেলা খাবার এর ব্যবস্থা করে দিতে পারেন না।
৬। তড়িৎগতিতে ধর্ষক ধরা পরায় বোঝা গেল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী চাইলেই অপরাধী ধরতে পারে!
৭। ঢাবির ছাত্রীর কাছে নিজের ইজ্জত বিকিয়ে দেয়া ধর্ষকের চেহারা দেখে জাতি সম্ভবত হতাশ! তারা হয়ত ভাবছিল ধর্ষক শাকিব খানের মতন কিছু একটা হবে!! অনেক পুরুষের হয়ত একটু আফসোসও হচ্ছে।
৮। তনু ধর্ষণ ও হত্যা মামলা শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে ঠেকলো?
৯। সিরিয়াল ধর্ষক ভবঘুরে মজনু। একটি স্বপ্নের মৃত্যু ঘটাতে, অস্থিতিশীল পরিবেশ সৃষ্টি করতে এমন এক নরপশুই যথেষ্ট...
১০। গ্রেফতারকৃত মজনু কি ধর্ষক নাকি জজ মিয়া এই প্রশ্নের চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হচ্ছে একটা রাষ্ট্র এবং তার সরকার ব্যাবস্থা ও আইনশৃংখলাবাহিনীর উপর জনগণের কতোটা অনাস্থা ও বিশ্বাসহীনতা জন্মালে গ্রেফতারকৃত কি সত্যিই অপরাধী নাকি রাষ্ট্রীয় নাটকের শিকার এটা নিয়ে জনগণ সিদ্ধান্ত নিতে পারেনা।
১১। অপরাধী ধর্ষক ছিল ভাসমান এবং মাত্র একজন। বলা হয়ে থাকে, অপরাধী কোন না কোন সূত্র রেখে যায়। সে যদি ভিক্টিমের মোবাইল ফোন সাথে না নিয়ে যেত তবে তাকে ধরা হয়তো আরো অনেক কঠিন হতো।
আরেকটা হচ্ছে ধর্ষকের সামনের দুটি না থাকা।
১২। তবে, ধর্ষক একজন হাই প্রোফাইল কেউ বা নিদেনপক্ষে লীগের কেউ না হওয়াতে ফেবু সুশীলজ এবং মুমিনজ নাখোশ।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ৯:২৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



