
আমার ল্যাপটপ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে।
নতুন ল্যাপটপ কবে কিনতে পারবো জানি না। এখন বড় ভাই এর ল্যাপটপ চালাচ্ছি। বড় ভাই এর ল্যাপটপ চালাতে গিয়ে দেখি এখানে আমার একটা ছবির ফোল্ডার আছে। ফোল্ডারে বেশ কিছু ছবি আছে। ভালাম ছবি গুলো আপনাদের দেখাই। সব গুলো ছবি ১০/১২ বছর আগের। বড় ভাই এর এই ল্যাপটপে ছবিগুলো কেমন করে এলো আমি জানি না। ছবি গুলো দেখে আমি দশ বছর আগে ফিরে গেলাম। ছবি গুলো দেখে অতীতের অনেক ঘটনা মনে পড়লো। অথচ এই সমস্ অতীতের কথা সব ভুলে গেছি। ছবি গুলো দেখে পুরোনো ইতিহাস সব তাজা হয়ে গেছে। ছবি গুলো না দেখলে কোনো কিছুই আমার মনে পড়তো না। অনেক গুলো লেখা মাথায় জমে আছে। সেই সমস্ত লেখা না লিখে ছবি ব্লগ পোষ্ট দিলাম। যাই হোক, এখন আপনারা ছবি গুলো দেখুন। কেমন লাগলো তা অবশ্যই জানাবেন। আর ফ্লিকারে আমাকে একটা আইডি আছে। ইচ্ছা হলে এই ছবি গুলোও দেখতে পারেন। এই যে লিংক।
১।

এই ছবিটা সোনার গা থেকে তুলেছিলাম। ছবিটা আমার নিজের কাছেই খুব ভালো লাগে।
২।

উত্তরা দিয়াবাড়ী। সেই সময় নিয়মিত ফটোওয়ার্কে যেতাম। দিনরাত ক্যামেরা নিয়ে পড়ে থাকতাম।
৩।

বান্দারবান। ছবিটার ইতিহাস হলো। না থাক বলব না। অন্য একদিন।
৪।

বৃক্ষোমেলা থেকে। ঢাকা শহরে প্রতি বছর বর্ষাকালে ঢাকার আগারগাও ব্রিক্ষমেলা হয়।
৫।

চিটাগাং গিয়েছিলাম তখন। ছোট ছোট বড়ই। খুব টক। তবে লবন দিয়ে খেতে ভালোই লাগে।
৬।

এমনি এমনি। আমার জীবনে আমি যত ছবি তুলেছি তার বেশির ভাগ ছবিই ফাউল ছবি। মানে আজাইরা ছবি।
৭।

বাড্ডা। আমেরিকান এম্বেসীর সামনে থেকে। সেখানে আমার এক বন্ধু থাকে। প্রায়ই যেতাম তার কাছে।
৮।

মিরপুর- ১০। এখন এ জায়গাটা এরকম নেই। বদলে গেছে।
৯।

মুরাপাড়া জমিদার বাড়ি। ফটোওয়ার্কে গিয়েছিলাম।
১০।

ফড়িং। ফড়িং কখনই এক জায়গায় বেশিক্ষন স্থির হয়ে বসে না।
১১।

স্টেডিয়াম। ঢাকা। এই মাঠে সবচেয়ে বেশি খেলা হয়েছে আবহানী মোহামেডানের।
১২।

ইটভাটা শ্রমিকের দুই ছেলে। কি হাসি তাদের! প্রানবন্ত হাসি। এই হাসি চিরদিন থাকুক অমলিন।
১৩।

কোনো এক বাংলা নববর্ষে। শাহবাগ।
১৪।

এই ছবিটা কোথা তুলেছি। কিছুই মনে করতে পারছি না। আজিব!
১৫।

শীতকালে গাছের পাতা ঝরে পড়ে।
১৬।

আকাশ ভরা মেঘ ছিলো সেদিন!
১৭।

চারুকলা। একসময় বন্ধুবান্ধব নিয়ে এখানে খুব আড্ডা দিতাম।
১৮।

পুরোনো বন্ধুবান্ধব। এখন কে কোথায় আছে জানি না। কারো সাথেই যোগাযোগ নেই। এই ছবিতে আমিও আছি। আমাকে চেনা যায়?
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৫৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



