somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

রাজীব নুর
আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

আমার তোলা কিছু ছবি (ছবি ব্লগ)

১০ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৩২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আমার ল্যাপটপ পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে।
নতুন ল্যাপটপ কবে কিনতে পারবো জানি না। এখন বড় ভাই এর ল্যাপটপ চালাচ্ছি। বড় ভাই এর ল্যাপটপ চালাতে গিয়ে দেখি এখানে আমার একটা ছবির ফোল্ডার আছে। ফোল্ডারে বেশ কিছু ছবি আছে। ভালাম ছবি গুলো আপনাদের দেখাই। সব গুলো ছবি ১০/১২ বছর আগের। বড় ভাই এর এই ল্যাপটপে ছবিগুলো কেমন করে এলো আমি জানি না। ছবি গুলো দেখে আমি দশ বছর আগে ফিরে গেলাম। ছবি গুলো দেখে অতীতের অনেক ঘটনা মনে পড়লো। অথচ এই সমস্ অতীতের কথা সব ভুলে গেছি। ছবি গুলো দেখে পুরোনো ইতিহাস সব তাজা হয়ে গেছে। ছবি গুলো না দেখলে কোনো কিছুই আমার মনে পড়তো না। অনেক গুলো লেখা মাথায় জমে আছে। সেই সমস্ত লেখা না লিখে ছবি ব্লগ পোষ্ট দিলাম। যাই হোক, এখন আপনারা ছবি গুলো দেখুন। কেমন লাগলো তা অবশ্যই জানাবেন। আর ফ্লিকারে আমাকে একটা আইডি আছে। ইচ্ছা হলে এই ছবি গুলোও দেখতে পারেন। এই যে লিংক।

১।


এই ছবিটা সোনার গা থেকে তুলেছিলাম। ছবিটা আমার নিজের কাছেই খুব ভালো লাগে।

২।


উত্তরা দিয়াবাড়ী। সেই সময় নিয়মিত ফটোওয়ার্কে যেতাম। দিনরাত ক্যামেরা নিয়ে পড়ে থাকতাম।

৩।


বান্দারবান। ছবিটার ইতিহাস হলো। না থাক বলব না। অন্য একদিন।

৪।


বৃক্ষোমেলা থেকে। ঢাকা শহরে প্রতি বছর বর্ষাকালে ঢাকার আগারগাও ব্রিক্ষমেলা হয়।

৫।


চিটাগাং গিয়েছিলাম তখন। ছোট ছোট বড়ই। খুব টক। তবে লবন দিয়ে খেতে ভালোই লাগে।

৬।


এমনি এমনি। আমার জীবনে আমি যত ছবি তুলেছি তার বেশির ভাগ ছবিই ফাউল ছবি। মানে আজাইরা ছবি।

৭।


বাড্ডা। আমেরিকান এম্বেসীর সামনে থেকে। সেখানে আমার এক বন্ধু থাকে। প্রায়ই যেতাম তার কাছে।

৮।


মিরপুর- ১০। এখন এ জায়গাটা এরকম নেই। বদলে গেছে।

৯।


মুরাপাড়া জমিদার বাড়ি। ফটোওয়ার্কে গিয়েছিলাম।

১০।


ফড়িং। ফড়িং কখনই এক জায়গায় বেশিক্ষন স্থির হয়ে বসে না।

১১।


স্টেডিয়াম। ঢাকা। এই মাঠে সবচেয়ে বেশি খেলা হয়েছে আবহানী মোহামেডানের।

১২।


ইটভাটা শ্রমিকের দুই ছেলে। কি হাসি তাদের! প্রানবন্ত হাসি। এই হাসি চিরদিন থাকুক অমলিন।

১৩।


কোনো এক বাংলা নববর্ষে। শাহবাগ।

১৪।


এই ছবিটা কোথা তুলেছি। কিছুই মনে করতে পারছি না। আজিব!

১৫।


শীতকালে গাছের পাতা ঝরে পড়ে।

১৬।


আকাশ ভরা মেঘ ছিলো সেদিন!

১৭।


চারুকলা। একসময় বন্ধুবান্ধব নিয়ে এখানে খুব আড্ডা দিতাম।

১৮।


পুরোনো বন্ধুবান্ধব। এখন কে কোথায় আছে জানি না। কারো সাথেই যোগাযোগ নেই। এই ছবিতে আমিও আছি। আমাকে চেনা যায়?
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই জানুয়ারি, ২০২০ বিকাল ৪:৫৫
২২টি মন্তব্য ২২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

‘স্বর্ণামতি সেতু’ থেকে

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯



আমাদের গ্রামের পাশ দিয়ে একটা নদী বয়ে গেছে। তার একটা আদুরে নাম আছে, ‘স্বর্ণামতি’। কে, কবে, কেন নদীটির এ নাম দিয়েছে, তা আমার অজানা। তবে নামটি আমার খুবই প্রিয়। এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষড়যন্ত্রঋতু

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:২৯

বাংলাদেশের রাজনীতিতে সারাবছরই ঐক্যের ঋতু, এখানে রাজনীতিতে শত্রু না থাকলে মিত্র টেকে না। যতদিন হাসিনা ছিল, স্বাধীনতাবিরোধীরা ছিল একটি সুখী পরিবার। বাম জানত ডানকে ঘৃণা করতে হয়, কিন্তু আপাতত স্থগিত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার পছন্দের বাংলা গানগুলো

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১:১১


অনেকদিনের ইচ্ছে পছন্দের বেশকিছু গান নিয়ে একটা পোস্ট দেব। দেওয়া হয়নি, কারণ, বিষয়টা সময়সাপেক্ষ। আজ হুট করে বসেই পড়লাম। রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুলগীতি, লালনগীতিসহ নানান ধরনের গানের একটা তালিকা করছি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি টুপ করে চলে আসবো

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:১৯


আমি হাসিনা। আমি আমার স্বামী ওয়াজেদ মিয়াকে কোনদিন স্বামীর মর্যাদা দেইনি। সে জ্ঞানী হলেও আমি সবসময় তাকে বাসার কাজের লোকের চেয়ে বেশি কিছু মনে করিনি। আমি সবসময় মৃণাল কান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮




রুবার সাথে আমার বিয়েটা ওঠ ছেড়ি তোর বিয়ের মতোই হয়েছে । একদম সাধারন কোনরকম অনুষ্ঠান নাই । সেইদিন অফিসে অনেক কাজ ছিলো । চোখে তারা ফারা দেখছিলাম । বসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×