
সৃষ্টিকর্তা তাঁর সৃষ্টিকে ধ্বংস করেন না।
তাকে নবরূপে পরিশুদ্ধ করার সুযোগ তৈরী করে দেন মাত্র। গুনাহ করা মানুষের স্বভাব। মাফ করা আল্লাহর বৈশিষ্ট্য। তবে অতি ধার্মিকতা আসলেই একটা আসক্তি। এরা যে ধরনের আচরন করে তা আসলে ধর্মেও নাই।
কোন কিছু সঠিকভাবে শেখার সামর্থ যাদের নেই, তাদের ধারণাগুলো লজিকবিহীন হয়। ধর্মকে কাজে লাগিয়ে উপকৃত হয়েছে শুধু ইহুদী জাতি। এখন ধর্মের কারণে বাকী সব জাতিই ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। দিনকে দিন অতি ধর্মীয়রা বিরক্তিকর হয়ে উঠছে। আমাদের দেশে কামাল পাশার মতো একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ লোক দরকার, যিনি মাদ্রাসা তুলে দিয়ে, সবাইকে স্কুলে পড়ার ব্যবস্হা করে দিবেন।
বিশ্বে অনেক মানুষ টিকা ও ঔষধের জন্য কাজ করছেন, বাকীরা সেগুলোর জন্য অপেক্ষা করছেন। প্রকৃতিতে গজব, রহমত বলতে কিছু নেই। যেই জ্ঞান করোনার ঔষধ তৈরির জন্য দরকার উহা ধর্মে নেই, উহা আছে মাইক্রোবাইলোজী, ফিলিওলোজী, প্যথোলোজী, মেডিসিন, বাইওকেমেষ্ট্রী ও এনাটোমিতে। সঠিক সময়ে সঠিক বৈজ্ঞানিক পদক্ষেপ না নিলে কেবল মাত্র প্রার্থনা করে কোনো কাজই হবে না।
একমাত্র চীন, ভিয়েতনাম, তাইওয়ান, কোরিয়া ব্যতিত সবাই দেরীতে লকডাউন করেছে। লকডাউনের জন্য কেউ না খেয়ে মরবে না আজকের আধুনিক পৃথিবীতে। সব জাতির হাতে প্রয়োজনের বেশী সম্পদ আছে। আমেরিকা ও কানাডার কাছে ৪/৫ বছরের খাবার মজুদ আছে। মোদী বা শেখ হাসিনারা সম্পদের সঠিক ডিষ্ট্রিভিউশন করতে পারবে না- তাদের কাছে দক্ষ, দায়িত্বশীল, কর্মঠ ও সৎ মানুষ নেই। অর্মত্য সেন গবেষণায় দেখিয়েছেন, খাদ্য দ্রব্যের অভাবে নয়, বন্টনের দূর্বলতায়, দূনীর্তির কারনে দূর্ভিক্ষ হয়।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:২১

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




