
এক হুজুরের জানাজায় আজ ব্রাক্ষণবাড়িয়া।
ব্রাহ্মনবাড়িয়া কি দেশের বাইরে? নাকি তারা অ্যালিয়েন!
কত বড় অসভ্য ইতর এরা! নিজের জানাজায় তো উপস্থিত হতে পারবে না তাই আগেই কামটা সারতেছে। ওদের কারনে আমরা মৃত্যুর দিকে আরেক ধাপ এগিয়ে গেলাম। প্রকৃত বাংলাদেশ কে যদি দেখতে চাও তাহলে একবার ব্রাম্মণবাড়িয়ার দিকে তাকাও…
নিজেদের মৃত্যুর মিছিল নিজেরাই করবেন বাঙ্গালী, প্রথম ১০০০ হতে সময় লেগেছে ৩৭ দিন, পরের ১০০০ হলো মাত্র ৪ দিনে।

কিছু আহাম্মক, নির্বোধ ও হিংস্র জনগোষ্ঠী।
হে অনুসারীগণ,
আল্লাহর ঘর বায়তুল্লাহ'র তাওয়াফ কি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয় নি?
জামায়াতে পবিত্র জুমার ফরজ নামাজ কি স্থগিত করা হয় নি?
তোমাদের কাছে প্রশ্ন, জানাজার নামাজ কি ফরজের চেয়ে বেশি?

ব্রাহ্মণবাড়িয়া এখন একটি সার্কসের মঞ্চ।
এই উন্মাদনা ঠেকাতে পুলিশের কিছু করার ছিলনা একথা সত্য।
ব্রাক্ষণবাড়িয়া শহরের আশেপাশের কয়েকটি গ্রাম ধর্মীয় উগ্র এবং অন্ধ মৌলবাদিদের আখড়া। ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলাকে বাংলাদেশের অন্যসব জেলা থেকে ডিজকানেক্ট করা হোক। আজই। অন্যথা মহা বিপদ এগিয়ে আসছে সামনেই। আমাদের এখানে; আমেরিকার মতো জায়গাতে আজ একদিনেই মৃত্যুর সংখ্যা দুই হাজার পাঁচশত পয়ত্রিশ জন।
বিশ্বাস করুন আমি কখনও কাউকে খালি দেই না।
কিন্তু এদের কুত্তার বাচ্চা, শুয়োরের বাচ্চা বলে গালি দিতে ইচ্ছা করছে। এগুলো অমানুষের বাচ্চা। ওরা কি জানে না দেশের বর্তমান পরিস্থিতি কি? এই আধুনিক যুগে এসে মানুষ এত নির্বোধ হয় কি করে! সেই পুরোনো কথা আবারও বলতে ইচ্ছা করে। ধর্মই দেশটারে খাইলো। আবারও প্রমানিত হলো- হুজুর, মাদরাসা আর তাদের ধর্ম জাতিকে শেষ করে দিবে।

তাদেরকে ঘৃনা করতেও আমার ঘৃনা করছে।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:৪২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




