
করোনার সমাধান কি শেষমেশ প্রকৃতির হাতেই ছেড়ে দিতে হবে?
আয়তন ও সম্পদের তুলনায় অতিরিক্ত জনসংখ্যাই আমাদের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হয়ে দাড়িয়েছে। দিনকে দিন করোনা মানুষের জীবন পুরোপুরি এলোমেলো করে দিচ্ছে। সামনে কী অপেক্ষা করছে, চিন্তা করতে মাথা এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। আপাতত বুঝা যাচ্ছে ভ্যাকসিন হাতে না পাওয়া পর্যন্ত করোনা থেকে সহসাই মুক্তি মিলবে না। বিশ্বের সব মানুষ প্রকৃতির উপর করা অন্যায়ের মাশুল দিচ্ছে। তবু কি মানুষের শিক্ষা হবে? করোনা পরবর্তী পৃথিবী আরো অনেক মানবিক হবে বলেই মনে হয়। বিশ্বের সব মানুষের প্রত্যাশা এখন একটাই, সুদিন ফিরে আসুক আবার, স্বাভাবিক হোক সব কিছু।
কখনও ভাবিনি জীবনে এরকম কোন ঘটনার সাক্ষী হব।
বাসায় বন্দি হয়ে থাকতে হবে। এদিকে ত্রানের চাল-তেল চোর। আমরা যে কত দূর নীচে নামতে পারি তার প্রমান খাটের নীচে তেল। অবশ্য এসব চুরি হয়ত কোনদিনই ঠেকানো যাবে না, অন্তত আমাদের মতো দরিদ্র দেশে। বাংলাদেশের বেশির ভাগ মানুষই কোনো না কোনোভাবে অসৎ। আমাদের যেটি অনেক বেশি দরকার তা সততা আর দেশ প্রেম। তবে লোক দেখানো সততা আর দেশ প্রেম আছে বেশ। দিন শেষে বলা যায়- এখন, এই রকমের সমস্যায় দুনিয়ার সমস্ত মানুষও একত্রিত হবে এবং বড় সমস্যার সমাধানে কাজ করবে।
চোরের দেশ বাংলাদেশ। এইটা প্রমানিত।
অযোগ্য মানুষ যোগ্য মানুষের জায়গা দখল করে আছেন। দেখা যাক মানুষ কত দ্রুত হারিয়ে দেয় করোনা'কে। আমার মতো অনেকেরই বিশ্বাস আগামী মাস এক মাসের মধ্যে সব কিছু আবার ঠিক হয়ে যাবে। যদি কেউ কেউ বলছেন দুই বছর লাগবে। আমার মনে হয় না এত সময় লাগবে। ভ্যাক্সিন আসতে সময় লাগবে হয়তো কিন্তু রিকভারি ড্রাগ চলে আসবে শ্রীঘই। আবারও বিশ্ব হয়ে উঠবে লোকে লোকারণ্য, প্রানবন্ত পরিবেশ। ভ্যাক্সিন তৈরিতে দেরি হলে হতাশা বাড়বে।
এটা বাংলাদেশ।
জন্ম অসভ্য আর বর্বদের দেশ, যাদের মধ্যে যেমন কোনো নীতি-নৈতিকতা নাই, তেমনই নাই কোনো শৃংখলাবোধ। লাশের পিছনে দাড়িয়ে মনে করছে বিরাট ধার্মিক হয়ে গেলো! ওদের আখাউড়া সীমান্ত দিয়ে যখন লক্ষ লক্ষ বোতল ফেন্সিডিল ঢোকে, তখন এই নেশার প্রতিরোধের জন্য ওদের এই ধর্মবোধ থাকে না। দু:খ এটাই বেজম্মা গুলি শুধু নিজেরাই মরবে না, দেশের ১৮ কোটি মানুষকেও মারবে। ধর্মান্ধরা শহীদ হওয়ার জন্য লাফাচ্ছে। এদের মোটিভ এখন যত বেশি পারা যায় অন্যকে নিয়ে শহীদ হওয়া।
সর্বশেষ এডিট : ১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৪৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




