
ফেরীতে ঘাট গুলো লোকজনের বেহাল দশা।
কোনো নিয়ম মানা হচ্ছে না। বাসে উঠতেও লোকজনের ধাক্কাধাক্কি চলছে। ছবি গুলো দেখলে আতকে উঠতে হয়। যারা এই ভিড় তৈরি করছে তাদের কি করোনা ভয় নেই? ভয় অবশ্যই আছে। বেঁচে থাকার জন্যই তারা মৃত্যু ভয় তুচ্ছজ্ঞান করছে। কয়েকদিন আগে আম্পানে কলকাতা লন্ডভন্ড হয়ে গেল। এখন নতুন আগেক ঝড় আসছে। ঘূর্ণিঝড় আঘাত হানতে যাচ্ছে আরব সাগরের পাড়ে ভারতের উপকূলে। Panagi থেকে ২২০ কিলোমিটার দূরে যে ঘূর্নিঝড়টি সন্ধ্যার দিকে Kundapura থেকে Mumbai উপকূলে আঘাত হানার জোর প্রস্তুতি নিচ্ছে, এর নাম "নৈসর্গ"। ভাবছেন এমন সুন্দর নাম কারা দিয়েছে? ঠিক। বাংলাদেশ থেকে প্রস্তাব করা নাম।
ছবিতে দেখলাম-
হাজী কামাল লিবিয়ায় মানব পাচারের মূল হোতা। তিনি আপাদ মস্তকই 'হাজী' তাতে কিন্ত কোনো সন্দেহ নাই! হজ্জ করলেই নাকি শিশুর মতো পাপমুক্ত হওয়া যায়। মুমিনের পাপ মুক্ত হওয়ার প্রত্যাশার হজ্জ ব্যাবসা বন্ধ হওয়া উচিত। র্যাবকে ধন্যবাদ জানাই- এই হাজী সাহেবকে গ্রেফতার করেছে বলে। সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী করোনা নিয়ে হাসপাতালে ভরতি। বেসরকারি হাসপাতালে। সরকারের বড় দায়িত্বে যারা মন্ত্রী, সচিব, ডিজি তারা অসুস্থ হয়ে বেসরকারি হাসপাতালে যাচ্ছে কেন? নাসিম সাহেব যদি স্বাস্থ্যমন্ত্রী থাকাকালীন অন্ততপক্ষে হাসপাতাল থেকে দালাল দূর করতে পারতেন- তাহলে সাধারন মানুষের অনেক উপকার হতো।
কিছু খবর আমাকে পিড়া দেয়।
বয়োবৃদ্ধ মানুষজন করোনায় মরছেন দেখে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট বলসোনারো খুব খুশি। কারণ, তাঁদের পেনশন ফান্ড এবং বয়স্কভাতা ও চিকিৎসা-ব্যয়ের বিশাল অংকের অর্থ বেঁচে যাবে। ''গঠনমূলক কিছু না বলতে পারলে চুপ থাকুন : ট্রাম্পকে পুলিশ প্রধান।'' এরকম কথা কি আমরা আমাদের রাজনীতিবিদদের বলতে পারবো?
শুনলাম- রাজধানীর খিলগাঁওয়ে রেজা ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেডের কারখানায় অভিযান চালিয়ে নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার উৎপাদন ও বাজারজাত করার প্রমাণ পেয়েছে র্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ সময় সেখান থেকে বিপুল পরিমাণ নকল হ্যান্ড স্যানিটাইজার জব্দ করা হয়। এ কারণে তাদেরকে পাঁচ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
যেখানে দুই মাসের অধিক সময় ধরে দেশ অঘোষিত লকডাউনে ছিল। সবাই এক প্রকার কর্মহীন অবস্থায় আছে। অনেক অফিস বেতন বন্ধ করেছে। করেছে কর্মী ছাঁটায়। অনেক প্রতিষ্ঠান বেতন কর্তন করেছে। ঈদে বোনাস দেয় নি। সেখানে কি করে গণপরিবহন দ্বিগুণ ভাড়া দাবি করে। কোনো ভাবেই ৮০ শতাংশ ভাড়া বৃদ্ধি গ্রহণযোগ্য ও ন্যায় সঙ্গত নয়। এটা বন্ধ করা উচিৎ। পক্ষান্তরে কিভাবে স্বাস্থ্য সুরক্ষা মেনে গণপরিবহনে যাত্রী আনা নেওয়া করা যায় সে জন্য কাজ করায় এখন প্রধান দায়িত্ব ও কর্তব্য। এটিই এখন প্রধান অন্তরায়।
কোভিড ১৯ পজিটিভ মানেই মৃত্যু নয়... মনের জোরটাই বাঁচিয়ে রাখুক সবাইকে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুন, ২০২০ বিকাল ৫:৫০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


