
১। আমি মার্শাল আর্ট আর বক্সিং শিখতে চাই।
আব্বা বললেন- ওসব শিখতে চাস কেন? সেলফ ডিফেন্স, না গুন্ডামি করবি?
আমি একটু হেসে বললাম- যারা অন্যায় করে আমি তাদের শিক্ষা দিতে চাই।
আব্বা একটু করুন হাসি দিয়ে বললেন- সব অন্যায় কি শুধু গায়ের জোরে ঠেকানো যায়? আগে নিজে ন্যায়বান হতে হয়, সাহসী হতে হয়, মানুষকে ভালোবাসতে হয়। মানুষ কোথা থেকে জোর পায় জানিস? ভালোবাসা থেকে। দেশকে যদি ভালোবাসিস, মা-বাবাকে যদি ভালোবাসিস, ভাই-বোনদের যদি ভালোবাসিস, সবাইকে যদি ভালোবাসিস তাহলে দেখবি গায়ের জোরের তত দরকার হবে না। মনে রাখবি- মানুষের সবচেয়ে বড় অস্ত্র'ই হচ্ছে ভালোবাসা।
২। কারেন্ট নাই জেনেও ফোন চার্জে দেওয়াকে বলে- সরলতা!
কারেন্ট আসার পর ফোনে চার্জ হচ্ছে মনে করা হলো- বিশ্বাস!
তিন ঘণ্টা পর এসে দেখলাম ভুলে সুইচ দেই নি এইটা হলো- বোকামি!
যা হয়েছে বাদ দিয়ে আবার সুইচ দেওয়াকে বলে- ক্ষমা!
সুইচ দেওয়ার সাথে আবার কারেন্ট যাওয়া কে বলে- মন ভাঙ্গা!
কারেন্ট আবার আসতে দেরি হবে ভেবে ফোন সাথে নিয়ে বাহিরে যাওয়া হলো- কনফিডেন্ট!
তিন ঘণ্টা পর বাসায় এসে শুনলেন বেরিয়ে যাওয়ার পরপরই কারেন্ট আসছে, এইটা হলো- কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা!
আবার তড়িঘড়ি করে চার্জে লাগানোর সাথে কারেন্ট যাওয়াকে বলে- ছ্যাকা!
কারেন্ট আসতে পারে ভেবে তিনঘন্টা বাসায় বসে থাকা হলো- অপেক্ষা!
তিনঘন্টা অপেক্ষা করে নিজের উপর বিরক্ত হয়ে মন খারাপ করাকে বলে- ডিপ্রেশন!
মোড়ে কারেন্ট আছে, ওখানে চার্জ দেওয়া যাবে ভেবে বাসা থেকে বেরিয়ে যাওয়া হলো- বিকল্প ব্যবস্থা।
মোড়ে যাওয়ার অর্ধেক রাস্তায় গিয়ে বুঝলেন কারেন্ট আসছে, একে বলে- প্রাক্তন ফিরে আসা!
বাসার কাছাকাছি আসতেই আবার কারেন্ট যাওয়াকে বলে- প্রাক্তনকে বিশ্বাস করে বাঁশ খাওয়া!
এরপর মোড়ে যাওয়ার পর কারেন্ট আসা দেখেও বাসায় না আসা হলো- প্রাক্তনকে বিশ্বাস না করা!
৩। বুদ্ধদেব বসু আমার প্রিয় সাহিত্যিক।
রবীন্দ্রনাথের পর বাংলা সাহিত্যে বুদ্ধদেব বসুর মতো সব্যসাচী প্রতিভা আর কেউ আসেনি। তার 'আমার যৌবন' বই আমার খুব ভালো লেগেছে। তিনিই প্রথম শার্ল বোদলেয়রের কবিতা অনুবাদ করেন। জীবনানন্দ দাশের প্রকৃত মূল্যায়ন বুদ্ধদেব ছাড়া তৎকালীন কেউই করেনি।
প্রতিভা বসু ছিলেন তার স্ত্রী। প্রতিভা বসুর লেখা আত্নজীবনী "জীবনের জলছবি"র মাধ্যমে বুদ্ধদেবকে ভালোভাবে চেনা যায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

